০২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে শিকারি সাংবাদিকতার তদন্ত দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন স্মারকলিপি

সাহারার বুকে রহস্যময় মানব বংশ টাকারকোরি

অগ্নিপ্রহর ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • / 32

সাহারা মরুভূমির বুকে টাকারকোরি গুহা। ছবি- সংগৃহিত।

এটা বহু আগে থেকেই জানা ছিল যে, সাহারা মরুভূমি—যা আজ বিশ্বের অন্যতম শুষ্কতম এবং প্রতিকূলতম অঞ্চল—হাজার হাজার বছর আগে ছিল ঠিক এর বিপরীত। প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজা ৫০০ বছর আগে, যা “আফ্রিকান সবুজ যুগ” নামে পরিচিত, সেই সময়ে সাহারা মরুভূমি আজকের মতো বালির সমুদ্র ছিল না।

বরং, এটি ছিল হ্রদ, তৃণভূমি এবং সাভানার একটি অঞ্চল, যা কৃষি ও পশুপালনের জন্য অনুকূল ছিল এবং যেখানে মানব বসতি ছিল।

একটি নতুন জিনগত গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই “সবুজ সাহারা” যুগে বসবাসকারী একটি রহস্যময় সম্প্রদায় আফ্রিকার ইতিহাস সম্পর্কে প্রতিষ্ঠিত ধারণাগুলোকে নাড়িয়ে দিতে পারে। এইসময়ে বর্তমান লিবিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে বসবাসকারী একটি সম্প্রদায়ের জিনগত কাঠামো প্রত্নতাত্ত্বিকদের জন্য এক অপ্রত্যাশিত চিত্র তুলে ধরেছে।

গবেষণায় জানা গেছে যে, সাহারা মরুভূমির টাকারকোরি শিলাশ্রয়ে পাওয়া ৭ হাজার বছর পুরোনো দুটি মমি মানব বংশবৃক্ষের এক পূর্বে অজানা শাখার অন্তর্গত। ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ইভোলিউশনারি অ্যানথ্রোপোলজির প্রত্নজিন বিজ্ঞানী নাদা সালেমের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীরা টাকারকোরি শিলাশ্রয়ে পাওয়া প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত ৭ হাজার বছর পুরোনো দুটি নব্যপ্রস্তর যুগের মেষপালিকা মমির ডিএনএ বিশ্লেষণ করেছে। গবেষণা অনুসারে, উভয় ব্যক্তিই নারী এবং বিজ্ঞানীরা যাকে “Ghost population” তথা রহস্যময় আদি জনগোষ্ঠী বলেন, তার অন্তর্গত। এইশব্দটি এমন জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহৃত হয়, যাদের অস্তিত্ব এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র আধুনিক মানুষের মধ্যে দেখা ক্ষীণ জিনগত চিহ্ন থেকে অনুমান করা হয়েছে, কিন্তু যাদের শারীরিক দেহাবশেষ কখনও পাওয়া যায়নি। গবেষকরা বলছেন,

টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর জিনগত উৎস উত্তর আফ্রিকা থেকে উদ্ভূত এক অদ্যাবধি অজানা বংশধারার উপর ভিত্তি করে গঠিত, যা খুব প্রাচীনকালে উপ-সাহারা আফ্রিকান জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর পূর্বপুরুষরা প্রায় ৫০ হাজার বছর আগে উপ-সাহারা আফ্রিকার মানব জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেন। এটি সেই সময়ের সাথে মিলে যায় যখন আধুনিক মানুষেরা আফ্রিকা থেকে বাইরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।

বৈজ্ঞানিক জার্নাল ‘নেচার’-এপ্রকাশিত এই গবেষণাপত্রটি আরও দেখিয়েছে যে, টাকারকোরি জনগোষ্ঠী মরক্কোর তাফোরাল্ট গুহার ১৫ হাজার বছর পুরোনো শিকারী-সংগ্রাহকদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।উপ-সাহারা আফ্রিকান জনগোষ্ঠীর সাথে উভয় গোষ্ঠীর জিনগত দূরত্ব প্রায় একই রকম। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, সেই সময়ে উত্তর আফ্রিকা এবং উপ-সাহারা আফ্রিকার মধ্যে জিনগত মিথস্ক্রিয়া সীমিত ছিল।

আরেকটি আকর্ষণীয় বিষয় হলো নিয়ান্ডারথাল জিন। যদিও আফ্রিকার বাইরের আধুনিক মানুষের তুলনায় তাফোরাল্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিয়ান্ডারথাল ডিএনএ-এর পরিমাণ প্রায় অর্ধেক বলে জানা যায়, টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই হার ১০ গুণ কম। তা সত্ত্বেও, একই সময়ে বসবাসকারী উপ-সাহারা আফ্রিকান সম্প্রদায়ের তুলনায় টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিয়ান্ডারথাল জিনগত চিহ্ন বেশি রয়েছে। গবেষকরা উল্লেখ এই আবিষ্কারগুলো সবুজ সাহারায় কৃষিও পশুপালনের বিস্তার সম্পর্কে একটি নতুন ব্যাখ্যারজন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মনে করাহতো যে, এই প্রথাগুলোমানব অভিবাসনের মাধ্যমে এই অঞ্চলে এসেছিল।

তবে, সালেম এবং তার দলএকটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছেন। গবেষণা অনুসারে, মেষপালন এবং কৃষি ব্যাপক জনসংখ্যা স্থানান্তরের পরিবর্তে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর পূর্বপুরুষেরা পশু পোষ মানানোর আগে থেকেই এক আদিম শিকারীও খাদ্য সংগ্রাহক সম্প্রদায়ে বাস করত। তা সত্ত্বেও, তারা মৃৎশিল্প, ঝুড়িবোনা এবং কাঠ ওহাড় দিয়ে সরঞ্জাম তৈরিতে উন্নত দক্ষতা অর্জন করেছিল এবং একই এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী বসতি স্থাপন করেছিল।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, টাকাকোরি এত দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছিন্ন থাকার অন্যতম কারণ ছিল সবুজ সাহারার অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্র। হ্রদ, জলাভূমি, বন, সাভানা এবং পার্বত্য অঞ্চলগুলো সম্ভবত স্বাভাবিকভাবেই মানব সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগকে সীমিত করে রেখেছিল। গবেষকদের মতে, এই হারিয়ে যাওয়া জগতের আরও অনেক মমি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সাহারার বালির নিচে লুকিয়ে থাকতে পারে। এই ধ্বংসাবশেষগুলো মরুভূমি শুকিয়ে আজকের রূপ নেওয়ার আগে সাহারায় জীবনযাত্রা কেমন ছিল, সেই কাহিনিকে সম্পূর্ণ করতে পারে।

করেছেন যে নিয়ান্ডারথালদের সাথে টাকারকোরিদের সরাসরি যোগাযোগ সীমিত ছিল, কিন্তু এই অঞ্চলের অন্যান্য গোষ্ঠীর তুলনায় তাদের পরোক্ষ মিথস্ক্রিয়া বেশি থাকতে পারে।লেভান্তের কৃষকদের সাথে সীমিত জিনগত মিশ্রণের চিহ্নও শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, টাকারকোরি সম্প্রদায় মূলত জিনগতভাবে বিচ্ছিন্নই থেকেছে বলে মনে হয়।

শেয়ার করুন

সাহারার বুকে রহস্যময় মানব বংশ টাকারকোরি

আপডেট সময় : ০৫:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

এটা বহু আগে থেকেই জানা ছিল যে, সাহারা মরুভূমি—যা আজ বিশ্বের অন্যতম শুষ্কতম এবং প্রতিকূলতম অঞ্চল—হাজার হাজার বছর আগে ছিল ঠিক এর বিপরীত। প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজা ৫০০ বছর আগে, যা “আফ্রিকান সবুজ যুগ” নামে পরিচিত, সেই সময়ে সাহারা মরুভূমি আজকের মতো বালির সমুদ্র ছিল না।

বরং, এটি ছিল হ্রদ, তৃণভূমি এবং সাভানার একটি অঞ্চল, যা কৃষি ও পশুপালনের জন্য অনুকূল ছিল এবং যেখানে মানব বসতি ছিল।

একটি নতুন জিনগত গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই “সবুজ সাহারা” যুগে বসবাসকারী একটি রহস্যময় সম্প্রদায় আফ্রিকার ইতিহাস সম্পর্কে প্রতিষ্ঠিত ধারণাগুলোকে নাড়িয়ে দিতে পারে। এইসময়ে বর্তমান লিবিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে বসবাসকারী একটি সম্প্রদায়ের জিনগত কাঠামো প্রত্নতাত্ত্বিকদের জন্য এক অপ্রত্যাশিত চিত্র তুলে ধরেছে।

গবেষণায় জানা গেছে যে, সাহারা মরুভূমির টাকারকোরি শিলাশ্রয়ে পাওয়া ৭ হাজার বছর পুরোনো দুটি মমি মানব বংশবৃক্ষের এক পূর্বে অজানা শাখার অন্তর্গত। ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ইভোলিউশনারি অ্যানথ্রোপোলজির প্রত্নজিন বিজ্ঞানী নাদা সালেমের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীরা টাকারকোরি শিলাশ্রয়ে পাওয়া প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত ৭ হাজার বছর পুরোনো দুটি নব্যপ্রস্তর যুগের মেষপালিকা মমির ডিএনএ বিশ্লেষণ করেছে। গবেষণা অনুসারে, উভয় ব্যক্তিই নারী এবং বিজ্ঞানীরা যাকে “Ghost population” তথা রহস্যময় আদি জনগোষ্ঠী বলেন, তার অন্তর্গত। এইশব্দটি এমন জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহৃত হয়, যাদের অস্তিত্ব এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র আধুনিক মানুষের মধ্যে দেখা ক্ষীণ জিনগত চিহ্ন থেকে অনুমান করা হয়েছে, কিন্তু যাদের শারীরিক দেহাবশেষ কখনও পাওয়া যায়নি। গবেষকরা বলছেন,

টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর জিনগত উৎস উত্তর আফ্রিকা থেকে উদ্ভূত এক অদ্যাবধি অজানা বংশধারার উপর ভিত্তি করে গঠিত, যা খুব প্রাচীনকালে উপ-সাহারা আফ্রিকান জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর পূর্বপুরুষরা প্রায় ৫০ হাজার বছর আগে উপ-সাহারা আফ্রিকার মানব জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেন। এটি সেই সময়ের সাথে মিলে যায় যখন আধুনিক মানুষেরা আফ্রিকা থেকে বাইরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।

বৈজ্ঞানিক জার্নাল ‘নেচার’-এপ্রকাশিত এই গবেষণাপত্রটি আরও দেখিয়েছে যে, টাকারকোরি জনগোষ্ঠী মরক্কোর তাফোরাল্ট গুহার ১৫ হাজার বছর পুরোনো শিকারী-সংগ্রাহকদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।উপ-সাহারা আফ্রিকান জনগোষ্ঠীর সাথে উভয় গোষ্ঠীর জিনগত দূরত্ব প্রায় একই রকম। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, সেই সময়ে উত্তর আফ্রিকা এবং উপ-সাহারা আফ্রিকার মধ্যে জিনগত মিথস্ক্রিয়া সীমিত ছিল।

আরেকটি আকর্ষণীয় বিষয় হলো নিয়ান্ডারথাল জিন। যদিও আফ্রিকার বাইরের আধুনিক মানুষের তুলনায় তাফোরাল্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিয়ান্ডারথাল ডিএনএ-এর পরিমাণ প্রায় অর্ধেক বলে জানা যায়, টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই হার ১০ গুণ কম। তা সত্ত্বেও, একই সময়ে বসবাসকারী উপ-সাহারা আফ্রিকান সম্প্রদায়ের তুলনায় টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিয়ান্ডারথাল জিনগত চিহ্ন বেশি রয়েছে। গবেষকরা উল্লেখ এই আবিষ্কারগুলো সবুজ সাহারায় কৃষিও পশুপালনের বিস্তার সম্পর্কে একটি নতুন ব্যাখ্যারজন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মনে করাহতো যে, এই প্রথাগুলোমানব অভিবাসনের মাধ্যমে এই অঞ্চলে এসেছিল।

তবে, সালেম এবং তার দলএকটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছেন। গবেষণা অনুসারে, মেষপালন এবং কৃষি ব্যাপক জনসংখ্যা স্থানান্তরের পরিবর্তে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। টাকারকোরি জনগোষ্ঠীর পূর্বপুরুষেরা পশু পোষ মানানোর আগে থেকেই এক আদিম শিকারীও খাদ্য সংগ্রাহক সম্প্রদায়ে বাস করত। তা সত্ত্বেও, তারা মৃৎশিল্প, ঝুড়িবোনা এবং কাঠ ওহাড় দিয়ে সরঞ্জাম তৈরিতে উন্নত দক্ষতা অর্জন করেছিল এবং একই এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী বসতি স্থাপন করেছিল।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, টাকাকোরি এত দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছিন্ন থাকার অন্যতম কারণ ছিল সবুজ সাহারার অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্র। হ্রদ, জলাভূমি, বন, সাভানা এবং পার্বত্য অঞ্চলগুলো সম্ভবত স্বাভাবিকভাবেই মানব সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগকে সীমিত করে রেখেছিল। গবেষকদের মতে, এই হারিয়ে যাওয়া জগতের আরও অনেক মমি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সাহারার বালির নিচে লুকিয়ে থাকতে পারে। এই ধ্বংসাবশেষগুলো মরুভূমি শুকিয়ে আজকের রূপ নেওয়ার আগে সাহারায় জীবনযাত্রা কেমন ছিল, সেই কাহিনিকে সম্পূর্ণ করতে পারে।

করেছেন যে নিয়ান্ডারথালদের সাথে টাকারকোরিদের সরাসরি যোগাযোগ সীমিত ছিল, কিন্তু এই অঞ্চলের অন্যান্য গোষ্ঠীর তুলনায় তাদের পরোক্ষ মিথস্ক্রিয়া বেশি থাকতে পারে।লেভান্তের কৃষকদের সাথে সীমিত জিনগত মিশ্রণের চিহ্নও শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, টাকারকোরি সম্প্রদায় মূলত জিনগতভাবে বিচ্ছিন্নই থেকেছে বলে মনে হয়।