Bangladesh ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ>>
Logo জেলা প্রশাসনের স্পিডবোটে কট্টর আ.লীগার মিন্টু চেয়ারম্যান! ফেসবুকে তোলপাড় Logo অ্যাডভোকেট নিজামউদ্দিন শান্ত হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo যুবদল সভাপতি রাজিবের সুস্থ্যতা ও ফারুকের মাগফেরাত কামনা Logo ফরিদপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন Logo কোন লক্ষণ ছাড়াই নীরবে নিতে পারে লিভার সিরোসিস বা ক্যান্সারের রুপ Logo গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করা হবে – চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এমপি Logo সদরপুরে হাতির আক্রমণে ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু, মাহুত আটক Logo ফরিদপুরে ফয়সাল হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড Logo টানা বৃষ্টিতে মধুখালীতে মরিচ চাষে ধস, মাথায় হাত কৃষকদের Logo কাজ শেষে ফেরত গেলো বরাদ্দের এক পঞ্চমাংশ টাকা

শিকারি সাংবাদিক, মিডিয়া ক্যু ও প্রেসক্লাব পলিটিক্স

হারুন আনসারী
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / 201

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপি নেতা খন্দকার নাসিরুল ইসলামের পত্রিকার সম্পাদক পরিচয়টি প্রকাশ করেছেন সাংবাদিকেরা চব্বিশের পাঁচই আগস্টের পরে।
অতি সম্প্রতি তিনি বোয়ালমারী প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের মধ্যমনি হয়ে সকলের ঐক্য গড়ে তোলার তাগিদ দেন।
সেখানকার সাংবাদিকগণ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন খন্দকার নাসিরের এই ডাকে।
আমরা সেখানকার যেসব সাংবাদিক থেকে বেশ উন্নত ও গভীর লেখা পাই,
তাদেরও দেখলাম, তারা খন্দকার নাসিরের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে জানালেন।
খন্দকার নাসিরুল ইসলাম গত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন।
তার এলাকায় এখন বিরোধী দলের এমপি। তিনি সেখানে সরকারি দলের হয়ে বিরোধী দলীয় এমপির কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা করে সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের সাহায্যে আসতে পারেন।
তবে, সাংবাদিকতা প্রকাশের পরিবর্তে আমরা বিগত দিনে প্রেসক্লাবকে সংবাদ চেপে যাওয়ার কাজেই বেশি যুক্ত থাকতে দেখেছি। আর অপ-সাংবাদিকতার কারণে জনসমর্থন হারানো নামধারীদের পক্ষ নিয়ে,
বিশেষ করে- ফরিদপুর-১ আসনের মধুখালীতে যা চোখে পড়েছিলো নগ্নভাবে!
সেই সময় সাংবাদিকতার কন্ঠরোধের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে দেখা যায়নি কোন মিডিয়ায়।
এই বিষয়টি মাথায় রেখেই পাঠককে সাংবাদিকদের এই নতুন ঐক্যের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
সাংবাদিকদের বশে রাখতে ক্ষমতাসীন দলের ক্ষমতা খাটিয়ে প্রেসক্লাবকে নিয়ন্ত্রণ করার এই কৌশল অনেক পুরনো। যা ফরিদপুর জেলায় রেওয়াজ হয়ে গেছে।
লোকাল সাংবাদিকরা ইচ্ছে থাকলেও এর প্রতিবাদ করতে পারেন না। কারণ প্রভাবশালী নেতাদের আমন্ত্রণ পাশ কাটানোর পরিবেশ তাদের তৈরি নেই।
বরঞ্চ এই সুযোগে দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সারি থেকে বেশ সোৎসাহে কিছু সাংবাদিক হিসেবে নিজের পরিচয় তুলে ধরে বেশ কাটতি পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। আর সবশেষে সবমিলিয়ে  একটা পর্যায়ে অসহায় সাংবাদিকের ভালো থাকার জন্য সকলের প্রচেষ্টায় প্রেসক্লাব একটি প্লাটফর্ম হয়ে উঠে। আসলেই, ছাপোষা সাংবাদিকের আর চলার কি উপায়? সে নিয়ে ভাববে কে সদাশয় নেতাগণ ছাড়া! এটাই প্রেসক্লাব পলিটিক্স হেথায়।
▪️
একই সময়ে ফরিদপুর শহরে সাংবাদিকদের মাঝে নিরবতা পালনের  একটা নিরব চরিত্র দেখা যাচ্ছে।
জেলা সদরে সম্ভবত বিএনপির কোন নেতার মাঝে অবশ্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মতো সম্পাদক বা সাংবাদিক পরিচয় প্রকাশ করে প্রেসক্লাবে এমন ভুমিকা নিতে দেখা যায়নি। তবে তারা ফরিদপুরের সাংবাদিকদের পাশে থাকার কথা একাধিকবার বলেছেন। কিন্তু সম্ভবত ভাগ্যবশত সর্বশেষ সাংবাদিক ব্যানারে মিডিয়া ক্যু’র ঘটনাটি তাদের গোচরে আসেনি!
দেখা গেলো- আসল খবরটি হত্যা করতে জেলা সদরে বড় বড় সাংবাদিক কেউ চুপ রইলেন,
কেউ আবার অর্ধেক সংবাদ প্রকাশ করলেন,
কেউবা পুরাই উল্টা চামড়ে দিনকে রাত করে হলুদ হিমু সেজে বসে রইলেন।

কিন্তু গতকালের এই শহরের বিরাট খবরটি কোন মিডিয়ায় এলোনা, শহরের বুকে এমন সুসজ্জিত বালাখানা কিভাবে তছনছ হলো তারপরেও সেই মিথ্যার ঢোল এবার বাজলো না! নাটকীয় কায়দায় খবর ছেপেও শেষমেশ কি তাহলে এই মিডিয়া ক্যু’ বুঝি সফল হলো না আসমানের ফয়সালায়!
ওহে পাগলী তুমিও কি মিথ্যেবাদী…

শেয়ার করুন

শিকারি সাংবাদিক, মিডিয়া ক্যু ও প্রেসক্লাব পলিটিক্স

আপডেট সময় : ১১:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপি নেতা খন্দকার নাসিরুল ইসলামের পত্রিকার সম্পাদক পরিচয়টি প্রকাশ করেছেন সাংবাদিকেরা চব্বিশের পাঁচই আগস্টের পরে।
অতি সম্প্রতি তিনি বোয়ালমারী প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের মধ্যমনি হয়ে সকলের ঐক্য গড়ে তোলার তাগিদ দেন।
সেখানকার সাংবাদিকগণ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন খন্দকার নাসিরের এই ডাকে।
আমরা সেখানকার যেসব সাংবাদিক থেকে বেশ উন্নত ও গভীর লেখা পাই,
তাদেরও দেখলাম, তারা খন্দকার নাসিরের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে জানালেন।
খন্দকার নাসিরুল ইসলাম গত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন।
তার এলাকায় এখন বিরোধী দলের এমপি। তিনি সেখানে সরকারি দলের হয়ে বিরোধী দলীয় এমপির কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা করে সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের সাহায্যে আসতে পারেন।
তবে, সাংবাদিকতা প্রকাশের পরিবর্তে আমরা বিগত দিনে প্রেসক্লাবকে সংবাদ চেপে যাওয়ার কাজেই বেশি যুক্ত থাকতে দেখেছি। আর অপ-সাংবাদিকতার কারণে জনসমর্থন হারানো নামধারীদের পক্ষ নিয়ে,
বিশেষ করে- ফরিদপুর-১ আসনের মধুখালীতে যা চোখে পড়েছিলো নগ্নভাবে!
সেই সময় সাংবাদিকতার কন্ঠরোধের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে দেখা যায়নি কোন মিডিয়ায়।
এই বিষয়টি মাথায় রেখেই পাঠককে সাংবাদিকদের এই নতুন ঐক্যের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
সাংবাদিকদের বশে রাখতে ক্ষমতাসীন দলের ক্ষমতা খাটিয়ে প্রেসক্লাবকে নিয়ন্ত্রণ করার এই কৌশল অনেক পুরনো। যা ফরিদপুর জেলায় রেওয়াজ হয়ে গেছে।
লোকাল সাংবাদিকরা ইচ্ছে থাকলেও এর প্রতিবাদ করতে পারেন না। কারণ প্রভাবশালী নেতাদের আমন্ত্রণ পাশ কাটানোর পরিবেশ তাদের তৈরি নেই।
বরঞ্চ এই সুযোগে দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সারি থেকে বেশ সোৎসাহে কিছু সাংবাদিক হিসেবে নিজের পরিচয় তুলে ধরে বেশ কাটতি পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। আর সবশেষে সবমিলিয়ে  একটা পর্যায়ে অসহায় সাংবাদিকের ভালো থাকার জন্য সকলের প্রচেষ্টায় প্রেসক্লাব একটি প্লাটফর্ম হয়ে উঠে। আসলেই, ছাপোষা সাংবাদিকের আর চলার কি উপায়? সে নিয়ে ভাববে কে সদাশয় নেতাগণ ছাড়া! এটাই প্রেসক্লাব পলিটিক্স হেথায়।
▪️
একই সময়ে ফরিদপুর শহরে সাংবাদিকদের মাঝে নিরবতা পালনের  একটা নিরব চরিত্র দেখা যাচ্ছে।
জেলা সদরে সম্ভবত বিএনপির কোন নেতার মাঝে অবশ্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মতো সম্পাদক বা সাংবাদিক পরিচয় প্রকাশ করে প্রেসক্লাবে এমন ভুমিকা নিতে দেখা যায়নি। তবে তারা ফরিদপুরের সাংবাদিকদের পাশে থাকার কথা একাধিকবার বলেছেন। কিন্তু সম্ভবত ভাগ্যবশত সর্বশেষ সাংবাদিক ব্যানারে মিডিয়া ক্যু’র ঘটনাটি তাদের গোচরে আসেনি!
দেখা গেলো- আসল খবরটি হত্যা করতে জেলা সদরে বড় বড় সাংবাদিক কেউ চুপ রইলেন,
কেউ আবার অর্ধেক সংবাদ প্রকাশ করলেন,
কেউবা পুরাই উল্টা চামড়ে দিনকে রাত করে হলুদ হিমু সেজে বসে রইলেন।

কিন্তু গতকালের এই শহরের বিরাট খবরটি কোন মিডিয়ায় এলোনা, শহরের বুকে এমন সুসজ্জিত বালাখানা কিভাবে তছনছ হলো তারপরেও সেই মিথ্যার ঢোল এবার বাজলো না! নাটকীয় কায়দায় খবর ছেপেও শেষমেশ কি তাহলে এই মিডিয়া ক্যু’ বুঝি সফল হলো না আসমানের ফয়সালায়!
ওহে পাগলী তুমিও কি মিথ্যেবাদী…