সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণায় ইসি’র নতুন নির্দেশনা
- আপডেট সময় : ১২:৪৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 43
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-কে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার বিষয়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন থেকে ফেসবুক, ইউটিউব বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে প্রচারণার আগে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি নেওয়া এবং ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক বিষয়টি গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
রিটার্নিং অফিসারকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬-তে উল্লেখ রয়েছে— ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে।
তবে সে ক্ষেত্রে— (ক) প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি উক্তরূপে প্রচার-প্রচারণা শুরুর পূর্বে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করবেন।
নির্বাচনী মাঠে লেভেল প্লেইং ফিল্ড বজায় রাখা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই কমিশন এই জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এ নির্বাচনী ব্যয়সীমা সম্পর্কে বিধি ২২-এর (২)-এ আরো উল্লেখ রয়েছে যে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব প্রচার-প্রচারণার ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়সহ নির্বাচন কমিশন বরাবর দাখিল করবেন।’
















