Bangladesh ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ>>

শহিদ জিয়ার হত্যাকারী মেজর অব. মোজাফফর ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • / 71

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান এবং মুক্তিযুদ্ধে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে গভীর রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী কর্মকর্তার গুলিতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। বিপথগামী সেনাসদস্যরা তার মরদেহ চট্টগ্রামের রাউজানের গভীর জঙ্গলে কবর দেয়। তিনদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়, লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ শেরেবাংলা নগরে তার জানাজায় শরিক হন। পরে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে তাকে সমাহিত করা হয়।

এই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন সরকার একটি সামরিক ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিচারে কয়েকজন সেনা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে মৃত্যুদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল। আটক হওয়া মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন সেই মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি ছিলেন।

শেয়ার করুন

শহিদ জিয়ার হত্যাকারী মেজর অব. মোজাফফর ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৬:২২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান এবং মুক্তিযুদ্ধে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে গভীর রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী কর্মকর্তার গুলিতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। বিপথগামী সেনাসদস্যরা তার মরদেহ চট্টগ্রামের রাউজানের গভীর জঙ্গলে কবর দেয়। তিনদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়, লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ শেরেবাংলা নগরে তার জানাজায় শরিক হন। পরে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে তাকে সমাহিত করা হয়।

এই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন সরকার একটি সামরিক ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিচারে কয়েকজন সেনা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে মৃত্যুদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল। আটক হওয়া মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন সেই মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি ছিলেন।