অনুষ্ঠানে ১০১ জন অসহায় দুস্থদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়
ফরিদপুরে স্বাস্থ্য বিভাগকে ২ লাখ টাকার জলাতঙ্ক টিকা দিলো জেলা পরিষদ
- আপডেট সময় : ০২:৫৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
- / 184
জলাতঙ্ক টিকার সংকট নিবারণে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ফরিদপুর জেলা পরিষদ ২ লাখ টাকা মূল্যের ভ্যাক্সিন প্রদান করেছে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগকে। এছাড়া একই অনুষ্ঠানে ফরিদপুর জেলা পরিষদের অর্থায়নে ১০১ জন অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকার অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) সকালে জেলা পরিষদের মিনি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব টিকা ভর্তি বাক্স জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের নিকট হস্তান্তর করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। জেলার সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান এসব টিকা গ্রহণ করেন।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন- অনেক কষ্টে অর্জিত এই গণতন্ত্র আমাদের ধরে রাখতে হবে। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছর আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা ফরিদপুরবাসীর সেবায় নিয়োজিত থাকবে। একটি দিনও আপনারা আমাদের মানুষের সেবার বাইরে পাবেন না। আমাদের একটাই ধ্যান মানুষের জন্য কাজ করা। আপনারা পাশে থাকলে আমাদের জন্য এটি আরো সহজ হবে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ বলেন, ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে জলাতঙ্ক টিকার খুবই সঙ্কট চলছে। বিষয়টি জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিধায় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য বিভাগকে এই টিকা কিনে দেওয়া হলো। আমরা বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে মাগুরা থেকে এই টিকা সংগ্রহ করে এনেছি। তিনি বলেন, আমরা এভাবেই মানুষের সেবা করতে চাই। এসময় জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিতা সুলতানা সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন টেপাখোলা উন্নয়ন প্রকল্পের উন্নয়নের কাজের উপর নির্মিত একটি ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করানো হয় প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফকে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ বলেন, জেলা পরিষদের মালিকানাধীন টেপাখোলা লেক উন্নয়ন প্রকল্পের একটি চলছে। এই প্রকল্পটির প্রাক্কলন ব্যয় প্রথমে ২১০ কোটি টাকা ছিলো। সেটি হলে এখান থেকে বছরে ১০ কোটি টাকা আয় হতো। কিন্তু পরে সেটি কেটে ৮৭ কোটি টাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। এরফলে এখন আর এই প্রকল্প থেকে জেলা পরিষদের আয়ের আর কোন পথ থাকলো না। তিনি ঢাকায় উর্ধ্বতন মহলের সাথে যোগাযোগ করে প্রকল্পটিকে বড় পরিসরে পাশ করানোর জন্য প্রধান অতিথি সংসদ সদস্যের সহায়তা কামনা করেন। তাহলে প্রকল্পটি থেকে জেলা পরিষদের আয় বাড়বে বলে তিনি জানান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী দীপন কুমার ঘোষ।













