Bangladesh ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল

২ বোনকে ভারতে পাচার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 24

ফরিদপুরে চাকরির লোভে দুই বোনকে ভারতে পাচার করে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অপরাধে মো. শহীদ শেখ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে দুই ধারায় ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

‎‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ শেখ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আদালত মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে তাকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কর্মরত ২০ ও ১৮ বছর বয়সী দুই বোনকে উন্নত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সহকর্মী শহীদ শেখ ভারতের বোম্বে শহরে পাচার করেন। সেখানে তাদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় দুই তরুণীর বাবা ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সালথা থানায় শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মানব পাচার আইনে মামলা করেন। একই বছরের ৩১ অক্টোবর সালথা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর আলী তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

‎রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, শহীদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। তবে অন্য আসামি তার স্ত্রীকে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল

২ বোনকে ভারতে পাচার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরে চাকরির লোভে দুই বোনকে ভারতে পাচার করে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অপরাধে মো. শহীদ শেখ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে দুই ধারায় ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

‎‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ শেখ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আদালত মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে তাকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কর্মরত ২০ ও ১৮ বছর বয়সী দুই বোনকে উন্নত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সহকর্মী শহীদ শেখ ভারতের বোম্বে শহরে পাচার করেন। সেখানে তাদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় দুই তরুণীর বাবা ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সালথা থানায় শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মানব পাচার আইনে মামলা করেন। একই বছরের ৩১ অক্টোবর সালথা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর আলী তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

‎রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, শহীদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। তবে অন্য আসামি তার স্ত্রীকে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।