Bangladesh ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই গণ‌অভ্যুত্থান দিবসে প্রধান নির্বাহীর অনুপস্থিতি নিয়ে ফের বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 175

‘৫ আগষ্ট জুলাই গণ‌অভ্যুত্থান দিবসের সরকারি কর্মসূচিতে ফরিদপুর পৌরসভার একজন পদস্থ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃতভাবে উপস্থিত থাকেননি’ মন্তব্য করে তার বিরুদ্ধে সরকার বিরোধীতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগ করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের সাংবাদিকদের নিকট তিনি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন। তবে এ অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন ওই কর্মকর্তা।

জানা গেছে, জুলাই গণ‌অভ্যুত্থান দিবসে বুধবার ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির একটিতেও উপস্থিত ছিলেন না ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী। এর অব্যবহিত পূর্ব থেকেই সোসাল মিডিয়ায় সমালোচনা চলছিল যে তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রতি দলীয় প্রভাবে আনুগত্যশীল ছিলেন।

এর‌ইমাঝে জুলাই গণ‌অভ্যুত্থান দিবসের মতো জাতীয় দিবসের সরকারি কর্অমসূচিতে তার অনুপস্থিতি সেই বিতর্ককেই সামনে টেনে এনেছে।

এ বিষয়টি স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে শুধু ফরিদপুরের জন্য‌ই নয়, বরং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের জন্য‌ও একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা বা ইঙ্গিত বলে মন্তব্য করেন জেলা বিএনপির অন্যতম এই নেতা জুলফিকার হোসেন জুয়েল।

জানা যায়, সম্প্রতি ফরিদপুর পৌরসভার অতিরিক্ত জনবল ছাঁটাইয়ের নামে মাষ্টার রোলে কর্মরত অনেক নিয়মিত শ্রমিককে তিনি কর্মহীন করেন বলে প্রথম আলোচনায় আসেন। এরপর তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর পৌরসভার জনবহুল এলাকায় চলতি বর্ষায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মৌসুমী দুর্ভোগ জিইয়ে রাখার অভিযোগ এনে তিনি জনগণকে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে‌ তুলছেন বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জুলফিকার হোসেন জুয়েল। তিনি বলেন, শিক্ষাজীবনে এই কর্মকর্তা ছাত্রলীগের পদধারী হিসেবে আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। আর সেজন্যই তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে জনগনকে দুর্ভোগে ফেলছেন যাতে সরকার বিরোধী মুভমেন্ট তৈরি করা যায়।

তবে জুলফিকার হোসেন জুয়েলের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী অবশ্য পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, এসব অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে তিনি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে বিদায় নিবেন।

ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি ছুটির দিন থাকায় পৌর প্রশাসকের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের কাছে এসেছি। এই কারণে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারিনি। আর সোসাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের ফালতু বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ার কোন সময় আমার নেই।

 

জুলাই গণ‌অভ্যুত্থান দিবসে প্রধান নির্বাহীর অনুপস্থিতি নিয়ে ফের বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

‘৫ আগষ্ট জুলাই গণ‌অভ্যুত্থান দিবসের সরকারি কর্মসূচিতে ফরিদপুর পৌরসভার একজন পদস্থ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃতভাবে উপস্থিত থাকেননি’ মন্তব্য করে তার বিরুদ্ধে সরকার বিরোধীতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগ করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের সাংবাদিকদের নিকট তিনি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন। তবে এ অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন ওই কর্মকর্তা।

জানা গেছে, জুলাই গণ‌অভ্যুত্থান দিবসে বুধবার ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির একটিতেও উপস্থিত ছিলেন না ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী। এর অব্যবহিত পূর্ব থেকেই সোসাল মিডিয়ায় সমালোচনা চলছিল যে তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রতি দলীয় প্রভাবে আনুগত্যশীল ছিলেন।

এর‌ইমাঝে জুলাই গণ‌অভ্যুত্থান দিবসের মতো জাতীয় দিবসের সরকারি কর্অমসূচিতে তার অনুপস্থিতি সেই বিতর্ককেই সামনে টেনে এনেছে।

এ বিষয়টি স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে শুধু ফরিদপুরের জন্য‌ই নয়, বরং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের জন্য‌ও একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা বা ইঙ্গিত বলে মন্তব্য করেন জেলা বিএনপির অন্যতম এই নেতা জুলফিকার হোসেন জুয়েল।

জানা যায়, সম্প্রতি ফরিদপুর পৌরসভার অতিরিক্ত জনবল ছাঁটাইয়ের নামে মাষ্টার রোলে কর্মরত অনেক নিয়মিত শ্রমিককে তিনি কর্মহীন করেন বলে প্রথম আলোচনায় আসেন। এরপর তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর পৌরসভার জনবহুল এলাকায় চলতি বর্ষায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মৌসুমী দুর্ভোগ জিইয়ে রাখার অভিযোগ এনে তিনি জনগণকে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে‌ তুলছেন বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জুলফিকার হোসেন জুয়েল। তিনি বলেন, শিক্ষাজীবনে এই কর্মকর্তা ছাত্রলীগের পদধারী হিসেবে আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। আর সেজন্যই তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে জনগনকে দুর্ভোগে ফেলছেন যাতে সরকার বিরোধী মুভমেন্ট তৈরি করা যায়।

তবে জুলফিকার হোসেন জুয়েলের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী অবশ্য পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, এসব অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে তিনি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে বিদায় নিবেন।

ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি ছুটির দিন থাকায় পৌর প্রশাসকের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের কাছে এসেছি। এই কারণে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারিনি। আর সোসাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের ফালতু বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ার কোন সময় আমার নেই।