Bangladesh ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খানজাহান আলীর মাজারে কুমিরের পেটে সাত বছরের শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • / 87

বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর মাজারে ১ জুন সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দিঘির প্রধান ঘাট থেকে ৭ বছরের শিশু ফাতেমাকে কুমিরে ধরে নিয়ে গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ফাতেমা ঘাটে হাত-পা ধোয়ার জন্য নেমেছিল; এই সময় কুমির ফাতেমাকে আক্রমণ করে।
এ ঘটনার পর ঘাটে হাজার হাজার উৎসুক জনতা মুহূর্তের মধ্যে উপস্থিত হয়। ফাতেমার পারিবারিক পরিচয় এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত করা যায়নি।

এ প্রসঙ্গে মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম বলেন, “একটি শিশুকে কুমিরে ধরে নিয়ে গেছে, আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। ফায়ার সার্ভিস শিশুটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা করছে।”
ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. দুলাল হোসেন প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বলেন, ‘রাতে শিশুটি দিঘির ঘাটে হাত-মুখ ধুতে বা গোসল করতে নেমেছিল। ওই সময় দিঘির একটি কুমির তাকে টেনে গভীর পানিতে নিয়ে যায়।’

শিশুর সঙ্গে অভিভাবক থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘শিশুটির মা সঙ্গে ছিলেন। তবে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ হওয়ায় হয়তো বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেননি। তারা মূলত সাধারণ দর্শনার্থী নন, মাজার এলাকাতেই বসবাস করেন।’

এদিকে এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল মাজারের দিঘির ঘাট থেকে আরও এক ব্যক্তিকে কুমির টেনে নিয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল।

খানজাহান আলীর মাজারে কুমিরের পেটে সাত বছরের শিশু

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর মাজারে ১ জুন সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দিঘির প্রধান ঘাট থেকে ৭ বছরের শিশু ফাতেমাকে কুমিরে ধরে নিয়ে গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ফাতেমা ঘাটে হাত-পা ধোয়ার জন্য নেমেছিল; এই সময় কুমির ফাতেমাকে আক্রমণ করে।
এ ঘটনার পর ঘাটে হাজার হাজার উৎসুক জনতা মুহূর্তের মধ্যে উপস্থিত হয়। ফাতেমার পারিবারিক পরিচয় এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত করা যায়নি।

এ প্রসঙ্গে মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম বলেন, “একটি শিশুকে কুমিরে ধরে নিয়ে গেছে, আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। ফায়ার সার্ভিস শিশুটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা করছে।”
ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. দুলাল হোসেন প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বলেন, ‘রাতে শিশুটি দিঘির ঘাটে হাত-মুখ ধুতে বা গোসল করতে নেমেছিল। ওই সময় দিঘির একটি কুমির তাকে টেনে গভীর পানিতে নিয়ে যায়।’

শিশুর সঙ্গে অভিভাবক থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘শিশুটির মা সঙ্গে ছিলেন। তবে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ হওয়ায় হয়তো বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেননি। তারা মূলত সাধারণ দর্শনার্থী নন, মাজার এলাকাতেই বসবাস করেন।’

এদিকে এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল মাজারের দিঘির ঘাট থেকে আরও এক ব্যক্তিকে কুমির টেনে নিয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল।