০২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই নেতারা এখন কে কোথায় নদীর নাম মালঞ্চ পেয়েছে সরকারি স্বীকৃতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘ডিজিটাল ইভটিজিং’ ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোলপাড় আমার মুর্শিদ হযরত মাওলানা শাহসুফী ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ভাঙ্গায় পিকআপ-পরিবহন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করছে তেলবাহী তিনটি সুপার ট্যাংকার ইরানে-যুক্তরাষ্ট্র শাস্তি আলোচনা সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো পিংকের দখল নিয়ে ডিভোর্সী দম্পতির দ্বন্দ্ব, মাথা ফাটলো কর্মচারীর ইসরায়েলের বোমা হামলায় লেবাননে নিহত দিপালির পরিবার শোকে বাকরুদ্ধ চাঁদের পরিবেশ রেকি করে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
সন্ধ্যার আয়োজনে আগুনের পরশমনি তারুণ্যের প্রাণে

অগ্নিপ্রহরে অলৌকিক অতিথি অধ্যাপক আলতাফ হোসেন!

হারুন আনসারী
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 84

এই অগ্নিপ্রহরের ব্যাপারে আমাকে জানিয়েছে স্নেহভাজন হিমু। আমার খুব আড্ডা ভালো লাগে। আমাকে ও জানালো- স্যার ওখানে খুব আড্ডা হয়… আমার সৌভাগ্য আজ আমি একটা ফরমাল আড্ডার মধ্যে এসে পৌঁছালাম। আমি খুবই আশাদীপ্ত এই তরুণদের নিয়ে। আমি বিশ্বাস করি, তারা সকলে একই প্রত্যয় প্রত্যেকে লালন করে। আমি এই উদ্যোগের সাফল্য কামনা করি।” অধ্যাপক আলতাফ হোসেন স্যার।

য়োজনটা ছিলো একেবারেই তাৎক্ষণিক। সন্ধ্যার সিডিউলে নিউজরুমে কাজের মধ্যে চলছিলো নিউজ সংক্রান্ত  টুকটাক আলাপ। এরমাঝে কিছুটা অনুরোধের সুরে মুন্নী সুলতানার আবদার- ভাইয়া, আজ আমাদের পেজ ‘ওয়ান কে’ ছাড়ালো। আমাদের উচিত কেক কেটে সেলিব্রেট করা। সাথে সাথে উৎসাহ জোগালো শরীফ খান। বললো- `এক হাজার টাকার কেক কেটে এই আনন্দ উদযাপন করা হোক।’ আমি বললাম- ‘অবশ্যই।’ অদূরের বেকারি থেকে কেক কিনে এনে আমাদের ছোট্ট নিউজরুমে শুরু হলো সেলিব্রেশনের প্রস্তুতি। খবর পেয়ে এলো রাসেল, রইছ উদ্দিন, দোহা সাইফ। সিদ্ধান্ত হলো ব্যানার লেখা দেয়ালের সামনে দাড়িয়ে কেক কেটে  ফটোসেশানের।

দ্রুতই হাতেহাতে পরিবেশটা গুছিয়ে নিল সকলে মিলে। কেক কাটার আগে  উপস্থাপকেরা একটু সময় চাইলো  রিহার্সালের। ক্যামেরা অবশ্য অন হয়ে গেছে। ঠিক তখনই- সফেদ  চুলদাড়িওয়ালা বুদ্ধিজীবী দর্শনের আমাদের হিমু ভাই হাজির। তাঁর সাথে  আমাদের  সকলের প্রাণের প্রিয় আলতাফ স্যার!

এ যেনো মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। ঘটনার তাৎক্ষণিকতা আর আতিশয্যে খুশির ফোয়ারা পুরো অগ্নিপ্রহর নিউজরুমে। সবার মনে উৎসাহের আমেজ। সামান্য আয়োজনই হয়ে উঠলো অসামান্য। স্যারকে মধ্যমনি করে আমরা দাড়ালাম তাঁকে ঘিরে।

“প্রিয় বন্ধুরা, আমরা এখন অগ্নিপ্রহরের টিম মেম্বারেরা আছি আমাদের অগ্নিপ্রহর নিউজ রুমে। গত কয়েকদিন ধরে আমরা অগ্নিপ্রহরে যেই নিউজগুলো করেছি, তারই ধারাবাহিকতায় আমরা অল্প সময়ের যাত্রায় পৌছে গেছি ‘ওয়ান কে’ বন্ধুর ঘরে। আলহামদুলিল্লাহ। এ উপলক্ষেই ছোট্ট এই সেলিব্রেশন।”

মুন্নী সুলতানার সাবলীল উপস্থাপনার পর শরীফ খান ঘোষণা দিলেন অধ্যাপক আলতাফ স্যারকে কিছু বলার জন্য। তারুণ্যের প্রাণে দিগন্ত ছোঁয়ার প্রত্যয়ের প্রতি স্যারের একাত্মতা দারুণ পাথেয় হয়ে রইলো। সকলে মিলে কেক কেটে উদযাপন করা হলো অগ্নিপ্রহর পরিবারের প্রথম সেলিব্রেশন।

টিম অগ্নিপ্রহরের সকল সদস্য, আমাদের সম্মানিত ফলোয়ার, পাঠক, ভিউয়ার সকলের প্রতি এজন্য রইলো ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা

আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই দৈনিক অগ্নিপ্রহর পত্রিকার প্রিয় প্রকাশক এম এম শহিদুল ইসলাম শাহীনের প্রতি। যার প্রচেষ্টায় আমাদের এই পথচলা এ পর্যন্ত আসতে পেরেছে। আর তাঁর পরম সঙ্গী সহধর্মিণীকে, যিনি বিশেষ উৎসাহ হয়ে আমাদের প্রেরণা জুগিয়েছেন তার প্রতিও সবিশেষ কৃতজ্ঞতা একাজে।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা অগ্নিপ্রহরের অঙ্কুরোদগমের বীজ বপনের আলাপ যে শুরু করেছিলো, সেই আবরাব নাদিম ইতুর প্রতি। এই অল্প ক’দিনে যে সাংবাদিকতার পেশাদারিত্বের কলাকৌশল রপ্ত করে আমাদের হৃদয়ের ভালবাসা নিংড়ানো একজন ভাই ও সহকর্মীর স্থান জুড়ে নিয়েছে। রয়েছে দীপ্ত মন্ডল, যে এখন আমাদের এই এডিটোরিয়াল প্যানেলের গুরুত্বপূর্ণ একজন এডিটর হয়ে উঠেছে।

আর শরীফ খান, শুরুতে যে একদিন ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে আমাদের ফটোকার্ডের ডিজাইনের কাজে সময় দিয়ে এখন পুর্ণকালীণ একজন সাংবাদিক হতে চলেছে। আর অগ্নিপ্রহরের শৈল্পিক উপস্থাপন ও উদ্ভাবনী আইডিয়া দিয়ে বশীভূত করে রেখেছে হাউজকে। এই অগ্নিপ্রহরের মুন্নী সুলতানা, যার আইডিয়ায় এমন একটি চমক অপেক্ষা করছিলো আমাদের জন্য, দারুণ অ্যাংকারিংয়ে আমাদের অনন্য সম্পদ এখন সে। রয়েছেন সাংবাদিক সঞ্জিব দাস, ম্যাজিশিয়ান রাজু ভাইয়া, সাংবাদিক হারুন অর রশীদ, রওনক রাহাদ।

অগ্নিপ্রহর কার্যালয়ে সেই প্রথম গ্রুপ মিটিংয়ে ছিলেন প্রিয় বড় ভাই সৈয়দ তরিকুল আলম আমাদের মনিটর শামীম ভাই, বাপ্পি ভাই, নয়ন, শরিফুল নোভা, ইমন, হৃদয় সহ আরো যারা;  সকলের জন্য শুভ কামনা।

দৈনন্দিন কাজের বাইরে, অগ্নিপ্রহরের শুরু থেকে সাথে রয়েছেন মশিউর রহমান যাদু মিয়া, এনামুল করিম মামুন ও সাইফুল ইসলাম জাফর। আমাদের তারুণ্য সোহেল রানা, যে সাহস হয়ে শুরুর পথের প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দিতে বুক পেতে দিয়েছিলো; কাজী রিয়াজ- যে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফকে নিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এক রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরুর ঘোষণা দিয়ে নাম ছড়িয়েছিল। রয়েছে ফারহান- যে কিনা চিন্তাপূর্ণ মন্তব্য দিয়ে চলার পথে আলো দেখিয়েছে। আরো আছে কামরুল- দীর্ঘক্ষণের সাথী। আছে কাইয়ুম, যে এরইমধ্যে আমাদের ছেড়ে এখন বিদেশ বিভুইয়ে,  তাকেও অভিনন্দন এই পথচলায় শামিল হতে পেরে। আরো অনেকে রয়েছে যাদের নাম এই লেখায় আনতে পারলাম না।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা বন্ধু মোস্তাফিজুর রহমান কাবুল, সালাউদ্দিন হিল্লোল ও আসিফ ইকবাল লিংকনের প্রতি, যারা আমাদের সহযোগিতায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন জানতে পেরেই।

আমাদের এই পথচলার প্রতি বাঁকে বাঁকে, যেখানে যেই জিনিসটি আমাদের প্রয়োজন হয়েছে, মহান প্রতিপালক দয়াময় আল্লাহ আমাদের সেই জিনিসটি, একবারে সঠিক জায়গা থেকেই জােগানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এ পর্যন্ত। ঠিক যেমন গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের তাৎক্ষণিক সেলিব্রেশনে কেক কাটার ঠিক আগে মুহুর্তে অলৌকিক অতিথি করেছেন  শ্রদ্ধেয় আলতাফ স্যারকে। স্যার অবশ্য দীর্ঘ আড্ডায় বেশকিছু পত্রিকার আইটেম নিয়ে কিছু নির্দেশনা আর তা ফলপ্রসূ করার গোমর জানিয়ে গেছেন।

জানিনা, ভবিষ্যতে কি হবে! তবে আমাদের মনে স্রষ্টার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা রয়েছে। সেখানে আশা আছে, সাহস আছে, আর আছে গুটিকয় প্রাণবন্ত তারুণ্যের অফুরন্ত আকাঙ্খা দিগন্ত ছোঁয়ার। আছে অগ্নিপ্রহরে যাত্রা পারাপারের হুঁশিয়ারি। সকলের সুস্থতা কামনা করছি এই দীর্ঘযাত্রায়।

আল্লাহ হাফেজ।।

শেয়ার করুন

সন্ধ্যার আয়োজনে আগুনের পরশমনি তারুণ্যের প্রাণে

অগ্নিপ্রহরে অলৌকিক অতিথি অধ্যাপক আলতাফ হোসেন!

আপডেট সময় : ০৪:১৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

এই অগ্নিপ্রহরের ব্যাপারে আমাকে জানিয়েছে স্নেহভাজন হিমু। আমার খুব আড্ডা ভালো লাগে। আমাকে ও জানালো- স্যার ওখানে খুব আড্ডা হয়… আমার সৌভাগ্য আজ আমি একটা ফরমাল আড্ডার মধ্যে এসে পৌঁছালাম। আমি খুবই আশাদীপ্ত এই তরুণদের নিয়ে। আমি বিশ্বাস করি, তারা সকলে একই প্রত্যয় প্রত্যেকে লালন করে। আমি এই উদ্যোগের সাফল্য কামনা করি।” অধ্যাপক আলতাফ হোসেন স্যার।

য়োজনটা ছিলো একেবারেই তাৎক্ষণিক। সন্ধ্যার সিডিউলে নিউজরুমে কাজের মধ্যে চলছিলো নিউজ সংক্রান্ত  টুকটাক আলাপ। এরমাঝে কিছুটা অনুরোধের সুরে মুন্নী সুলতানার আবদার- ভাইয়া, আজ আমাদের পেজ ‘ওয়ান কে’ ছাড়ালো। আমাদের উচিত কেক কেটে সেলিব্রেট করা। সাথে সাথে উৎসাহ জোগালো শরীফ খান। বললো- `এক হাজার টাকার কেক কেটে এই আনন্দ উদযাপন করা হোক।’ আমি বললাম- ‘অবশ্যই।’ অদূরের বেকারি থেকে কেক কিনে এনে আমাদের ছোট্ট নিউজরুমে শুরু হলো সেলিব্রেশনের প্রস্তুতি। খবর পেয়ে এলো রাসেল, রইছ উদ্দিন, দোহা সাইফ। সিদ্ধান্ত হলো ব্যানার লেখা দেয়ালের সামনে দাড়িয়ে কেক কেটে  ফটোসেশানের।

দ্রুতই হাতেহাতে পরিবেশটা গুছিয়ে নিল সকলে মিলে। কেক কাটার আগে  উপস্থাপকেরা একটু সময় চাইলো  রিহার্সালের। ক্যামেরা অবশ্য অন হয়ে গেছে। ঠিক তখনই- সফেদ  চুলদাড়িওয়ালা বুদ্ধিজীবী দর্শনের আমাদের হিমু ভাই হাজির। তাঁর সাথে  আমাদের  সকলের প্রাণের প্রিয় আলতাফ স্যার!

এ যেনো মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। ঘটনার তাৎক্ষণিকতা আর আতিশয্যে খুশির ফোয়ারা পুরো অগ্নিপ্রহর নিউজরুমে। সবার মনে উৎসাহের আমেজ। সামান্য আয়োজনই হয়ে উঠলো অসামান্য। স্যারকে মধ্যমনি করে আমরা দাড়ালাম তাঁকে ঘিরে।

“প্রিয় বন্ধুরা, আমরা এখন অগ্নিপ্রহরের টিম মেম্বারেরা আছি আমাদের অগ্নিপ্রহর নিউজ রুমে। গত কয়েকদিন ধরে আমরা অগ্নিপ্রহরে যেই নিউজগুলো করেছি, তারই ধারাবাহিকতায় আমরা অল্প সময়ের যাত্রায় পৌছে গেছি ‘ওয়ান কে’ বন্ধুর ঘরে। আলহামদুলিল্লাহ। এ উপলক্ষেই ছোট্ট এই সেলিব্রেশন।”

মুন্নী সুলতানার সাবলীল উপস্থাপনার পর শরীফ খান ঘোষণা দিলেন অধ্যাপক আলতাফ স্যারকে কিছু বলার জন্য। তারুণ্যের প্রাণে দিগন্ত ছোঁয়ার প্রত্যয়ের প্রতি স্যারের একাত্মতা দারুণ পাথেয় হয়ে রইলো। সকলে মিলে কেক কেটে উদযাপন করা হলো অগ্নিপ্রহর পরিবারের প্রথম সেলিব্রেশন।

টিম অগ্নিপ্রহরের সকল সদস্য, আমাদের সম্মানিত ফলোয়ার, পাঠক, ভিউয়ার সকলের প্রতি এজন্য রইলো ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা

আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই দৈনিক অগ্নিপ্রহর পত্রিকার প্রিয় প্রকাশক এম এম শহিদুল ইসলাম শাহীনের প্রতি। যার প্রচেষ্টায় আমাদের এই পথচলা এ পর্যন্ত আসতে পেরেছে। আর তাঁর পরম সঙ্গী সহধর্মিণীকে, যিনি বিশেষ উৎসাহ হয়ে আমাদের প্রেরণা জুগিয়েছেন তার প্রতিও সবিশেষ কৃতজ্ঞতা একাজে।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা অগ্নিপ্রহরের অঙ্কুরোদগমের বীজ বপনের আলাপ যে শুরু করেছিলো, সেই আবরাব নাদিম ইতুর প্রতি। এই অল্প ক’দিনে যে সাংবাদিকতার পেশাদারিত্বের কলাকৌশল রপ্ত করে আমাদের হৃদয়ের ভালবাসা নিংড়ানো একজন ভাই ও সহকর্মীর স্থান জুড়ে নিয়েছে। রয়েছে দীপ্ত মন্ডল, যে এখন আমাদের এই এডিটোরিয়াল প্যানেলের গুরুত্বপূর্ণ একজন এডিটর হয়ে উঠেছে।

আর শরীফ খান, শুরুতে যে একদিন ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে আমাদের ফটোকার্ডের ডিজাইনের কাজে সময় দিয়ে এখন পুর্ণকালীণ একজন সাংবাদিক হতে চলেছে। আর অগ্নিপ্রহরের শৈল্পিক উপস্থাপন ও উদ্ভাবনী আইডিয়া দিয়ে বশীভূত করে রেখেছে হাউজকে। এই অগ্নিপ্রহরের মুন্নী সুলতানা, যার আইডিয়ায় এমন একটি চমক অপেক্ষা করছিলো আমাদের জন্য, দারুণ অ্যাংকারিংয়ে আমাদের অনন্য সম্পদ এখন সে। রয়েছেন সাংবাদিক সঞ্জিব দাস, ম্যাজিশিয়ান রাজু ভাইয়া, সাংবাদিক হারুন অর রশীদ, রওনক রাহাদ।

অগ্নিপ্রহর কার্যালয়ে সেই প্রথম গ্রুপ মিটিংয়ে ছিলেন প্রিয় বড় ভাই সৈয়দ তরিকুল আলম আমাদের মনিটর শামীম ভাই, বাপ্পি ভাই, নয়ন, শরিফুল নোভা, ইমন, হৃদয় সহ আরো যারা;  সকলের জন্য শুভ কামনা।

দৈনন্দিন কাজের বাইরে, অগ্নিপ্রহরের শুরু থেকে সাথে রয়েছেন মশিউর রহমান যাদু মিয়া, এনামুল করিম মামুন ও সাইফুল ইসলাম জাফর। আমাদের তারুণ্য সোহেল রানা, যে সাহস হয়ে শুরুর পথের প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দিতে বুক পেতে দিয়েছিলো; কাজী রিয়াজ- যে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফকে নিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এক রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরুর ঘোষণা দিয়ে নাম ছড়িয়েছিল। রয়েছে ফারহান- যে কিনা চিন্তাপূর্ণ মন্তব্য দিয়ে চলার পথে আলো দেখিয়েছে। আরো আছে কামরুল- দীর্ঘক্ষণের সাথী। আছে কাইয়ুম, যে এরইমধ্যে আমাদের ছেড়ে এখন বিদেশ বিভুইয়ে,  তাকেও অভিনন্দন এই পথচলায় শামিল হতে পেরে। আরো অনেকে রয়েছে যাদের নাম এই লেখায় আনতে পারলাম না।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা বন্ধু মোস্তাফিজুর রহমান কাবুল, সালাউদ্দিন হিল্লোল ও আসিফ ইকবাল লিংকনের প্রতি, যারা আমাদের সহযোগিতায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন জানতে পেরেই।

আমাদের এই পথচলার প্রতি বাঁকে বাঁকে, যেখানে যেই জিনিসটি আমাদের প্রয়োজন হয়েছে, মহান প্রতিপালক দয়াময় আল্লাহ আমাদের সেই জিনিসটি, একবারে সঠিক জায়গা থেকেই জােগানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এ পর্যন্ত। ঠিক যেমন গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের তাৎক্ষণিক সেলিব্রেশনে কেক কাটার ঠিক আগে মুহুর্তে অলৌকিক অতিথি করেছেন  শ্রদ্ধেয় আলতাফ স্যারকে। স্যার অবশ্য দীর্ঘ আড্ডায় বেশকিছু পত্রিকার আইটেম নিয়ে কিছু নির্দেশনা আর তা ফলপ্রসূ করার গোমর জানিয়ে গেছেন।

জানিনা, ভবিষ্যতে কি হবে! তবে আমাদের মনে স্রষ্টার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা রয়েছে। সেখানে আশা আছে, সাহস আছে, আর আছে গুটিকয় প্রাণবন্ত তারুণ্যের অফুরন্ত আকাঙ্খা দিগন্ত ছোঁয়ার। আছে অগ্নিপ্রহরে যাত্রা পারাপারের হুঁশিয়ারি। সকলের সুস্থতা কামনা করছি এই দীর্ঘযাত্রায়।

আল্লাহ হাফেজ।।