০২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে শিকারি সাংবাদিকতার তদন্ত দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন স্মারকলিপি

অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / 121

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা যুবদলের উদ্যোগে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার শহরের কাঠপট্টিতে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বাদ আসর শহরের কাঠপট্টিস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জেলা যুবদলের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জেলা যুবদলের সভাপতি রাজিব হোসেনের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একে কিবরিয়া স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ নান্নু, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ রাশেদুল আলম তুহিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ঝন্টুর ভাই কবি মাজেদুল হক লিটু, টুলু, বিএনপি নেতা হুমায়ূন, জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মাহিদুল ইসলাম স্মরণ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা মরহুমের রাজনৈতিক জীবন ও ত্যাগ নিয়ে আলোচনা করেন। স্মরণ সভা শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, অ্যাডভোকেট ঝন্টু ছিলেন ফরিদপুরের রাজনীতি ও আইনজীবী অঙ্গনের এক পরিচিত মুখ। আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁর রাজনীতিতে পদার্পণ। তিনি ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে ওকালতি পেশায় তিনি অত্যন্ত অল্প সময়ে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি শহরের পূর্ব খাবাসপুর মহল্লার বাসিন্দা ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সজ্জন এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রেখে যান।

শেয়ার করুন

অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আপডেট সময় : ১২:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বাদ আসর শহরের কাঠপট্টিস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জেলা যুবদলের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জেলা যুবদলের সভাপতি রাজিব হোসেনের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একে কিবরিয়া স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ নান্নু, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ রাশেদুল আলম তুহিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ঝন্টুর ভাই কবি মাজেদুল হক লিটু, টুলু, বিএনপি নেতা হুমায়ূন, জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মাহিদুল ইসলাম স্মরণ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা মরহুমের রাজনৈতিক জীবন ও ত্যাগ নিয়ে আলোচনা করেন। স্মরণ সভা শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, অ্যাডভোকেট ঝন্টু ছিলেন ফরিদপুরের রাজনীতি ও আইনজীবী অঙ্গনের এক পরিচিত মুখ। আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁর রাজনীতিতে পদার্পণ। তিনি ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে ওকালতি পেশায় তিনি অত্যন্ত অল্প সময়ে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি শহরের পূর্ব খাবাসপুর মহল্লার বাসিন্দা ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সজ্জন এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রেখে যান।