০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হলেন ডা. নাদিম ছিলেন না নায়াব ইউসুফ, মিটিং কাভার করতে পারলেন না সাংবাদিকেরা “হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি” একসাথে ৩ মেলার সমালোচনা : জবাবে যা বললেন নারী উদ্যোক্তা লুবাবা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই নেতারা এখন কে কোথায় নদীর নাম মালঞ্চ পেয়েছে সরকারি স্বীকৃতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘ডিজিটাল ইভটিজিং’ ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোলপাড় আমার মুর্শিদ হযরত মাওলানা শাহসুফী ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ভাঙ্গায় পিকআপ-পরিবহন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করছে তেলবাহী তিনটি সুপার ট্যাংকার

ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ : রণক্ষেত্র সালথা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 33

ফরিদপুরের সালথায় ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ভস্মীভূত হয়। শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সালথার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া এবং বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ময়েনদিয়া গ্রামবাসীর মধ্যে এই সংঘর্ষ চলে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ময়েনদিয়া বাজার পরিচালনা করতেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান মাতুব্বর। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে গেলে বাজারের নিয়ন্ত্রণ নেন খারদিয়া গ্রামের জিহাদ মিয়া। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর মান্নান মাতুব্বর এলাকায় ফিরে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের সঙ্গে যোগ দেন বলে জানা গেছে। এরই জের ধরে শনিবার সকালে মান্নান মাতুব্বরের সমর্থকদের সঙ্গে জিহাদ মিয়া ও টুলু মিয়ার সমর্থকদের সংঘর্ষ বাধে।

এতে খারদিয়া, নটখোলা, ময়েনদিয়া ও পরমেশ্বরদী গ্রাম থেকে দুই গ্রুপের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় অন্তত এক ডজন বসতবাড়ি ভাঙচুর এবং দুটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ বাঁধে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।” সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ

শেয়ার করুন

ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ : রণক্ষেত্র সালথা

আপডেট সময় : ১০:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরের সালথায় ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ভস্মীভূত হয়। শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সালথার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া এবং বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ময়েনদিয়া গ্রামবাসীর মধ্যে এই সংঘর্ষ চলে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ময়েনদিয়া বাজার পরিচালনা করতেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান মাতুব্বর। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে গেলে বাজারের নিয়ন্ত্রণ নেন খারদিয়া গ্রামের জিহাদ মিয়া। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর মান্নান মাতুব্বর এলাকায় ফিরে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের সঙ্গে যোগ দেন বলে জানা গেছে। এরই জের ধরে শনিবার সকালে মান্নান মাতুব্বরের সমর্থকদের সঙ্গে জিহাদ মিয়া ও টুলু মিয়ার সমর্থকদের সংঘর্ষ বাধে।

এতে খারদিয়া, নটখোলা, ময়েনদিয়া ও পরমেশ্বরদী গ্রাম থেকে দুই গ্রুপের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় অন্তত এক ডজন বসতবাড়ি ভাঙচুর এবং দুটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ বাঁধে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।” সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।