Bangladesh ০৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ>>
Logo জেলা প্রশাসনের স্পিডবোটে কট্টর আ.লীগার মিন্টু চেয়ারম্যান! ফেসবুকে তোলপাড় Logo অ্যাডভোকেট নিজামউদ্দিন শান্ত হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo যুবদল সভাপতি রাজিবের সুস্থ্যতা ও ফারুকের মাগফেরাত কামনা Logo ফরিদপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন Logo কোন লক্ষণ ছাড়াই নীরবে নিতে পারে লিভার সিরোসিস বা ক্যান্সারের রুপ Logo গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করা হবে – চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এমপি Logo সদরপুরে হাতির আক্রমণে ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু, মাহুত আটক Logo ফরিদপুরে ফয়সাল হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড Logo টানা বৃষ্টিতে মধুখালীতে মরিচ চাষে ধস, মাথায় হাত কৃষকদের Logo কাজ শেষে ফেরত গেলো বরাদ্দের এক পঞ্চমাংশ টাকা
একে আজাদের ভাইয়ের স্কুল পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

জেলা প্রশাসনের স্পিডবোটে কট্টর আ.লীগার মিন্টু চেয়ারম্যান! ফেসবুকে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / 118

পদ্মার চরে ভাঙ্গি ডাঙ্গী গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা ও হত্যা মামলার আসামি মিন্টু চেয়ারম্যান ডিসি পুলের স্পীড বোটে চড়ে যোগ দেন আওয়ামী লীগ আমলের বিতর্কিত ‘২৪  সালের ডামি নির্বাচনের এমপি একে আজাদের বড় ভাইয়ের নামে প্রতিষ্ঠিত মোতালেব হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে।

এনিয়ে ফরিদপুর সদরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষত আগেরদিনে ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র বৃক্ষরোপনের মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠানে  চৌধুরী নায়াব ইউসুফকে দেখা যায়নি।

সদর আসনের এমপির সাথে আলোচনা না করেই ফরিদপুরে বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিবাদ চলছে।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু‌ এর নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেছেন- এখানে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার কিছু গুপ্ত সরকার বিরোধী জড়িত।

এই অবস্থার মাঝে আজ আবার জেলা প্রশাসনের স্পিড বোর্ডে দেখা গেলো আওয়ামী লীগের টপ লিস্টেড ক্যাডার মিন্টু চেয়ারম্যান  ও আওয়ামীলীগের দোষরদেরকে।

প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা তাদের নিয়ে ফ্যাসিস্টের দোসর একে আজাদের স্কুল উদ্বোধনে চলে গেছেন। এখানে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার কিছু গুপ্ত সরকার বিরোধী জড়িত বলে সহজে অনুমেয়। 

“কে তথ্যবিহীন আর কে ষড়যন্ত্রের পার্ট” তা খতিয়ে দেখার জন্য জাতীয়তাবাদী দলের গণতান্ত্রিক সরকারকে আহবান জানাই।

অনু তার নাতি দীর্ঘ পোস্টে লিখেছেন, ফরিদপুর সদর আসনের এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ মরহুম জননেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ সাহেবের কন্যা হিসাবে শুধু নন, তিনি কারাবরণকারী ও আন্দোলনে সংযুক্ত জাতীয়তাবাদী দলের সংগ্রামী নেত্রী। আওয়ামী লীগের একটি চক্র নানা ষড়যন্ত্র করেও জাতীয় নির্বাচনে তার বিজয় ঠেকাতে পারেনি। তিনি অত্যাচার করেন না বলে এসব নির্যাতনকারী আওয়ামী লীগ নেতারা চুপিসারে টিকে আছে। এদের দেখেও দেখা হচ্ছে না। 

তিনি বলেন, আমরা অনেক বৈসাদৃশ্য দেখেও এড়িয়ে যাই। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের জেলা হিসাবে সবকিছু হেলাফেলা করে এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই। প্রশ্ন যখন মাননীয় এমপি মহোদয় Nayab Yusuf আপাকে ইগনোর করে আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত ষড়যন্ত্রকারীদের পুনর্বাসন সম্ভাবনার, সেটা কোন এড়িয়ে যাবার বিষয় হতে পারে না।

আমরা বলতে চাই- ফরিদপুর সদর ধানের শীষের ঘাঁটি। এই সদর আসনকে সেন্টার করে গোটা ফরিদপুর বিভাগে বিএনপির জয়জয়কার।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আমাদের বসে থাকতে বলেন নি। তিনি দেশ গড়ার কাজে ও ষড়যন্ত্রের দিকে নজর রাখতে বলেছেন ইতিপূর্বে।  জাতীয়তাবাদী দলের সকল পর্যায় সতর্ক নজর রাখে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার জন্য। আমরা প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলাম। আমাদের নেতৃবৃন্দের থেকে যেভাবে সিদ্ধান্ত হবে -সেভাবেই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

শেয়ার করুন

একে আজাদের ভাইয়ের স্কুল পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

জেলা প্রশাসনের স্পিডবোটে কট্টর আ.লীগার মিন্টু চেয়ারম্যান! ফেসবুকে তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৩:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

পদ্মার চরে ভাঙ্গি ডাঙ্গী গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা ও হত্যা মামলার আসামি মিন্টু চেয়ারম্যান ডিসি পুলের স্পীড বোটে চড়ে যোগ দেন আওয়ামী লীগ আমলের বিতর্কিত ‘২৪  সালের ডামি নির্বাচনের এমপি একে আজাদের বড় ভাইয়ের নামে প্রতিষ্ঠিত মোতালেব হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে।

এনিয়ে ফরিদপুর সদরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষত আগেরদিনে ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র বৃক্ষরোপনের মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠানে  চৌধুরী নায়াব ইউসুফকে দেখা যায়নি।

সদর আসনের এমপির সাথে আলোচনা না করেই ফরিদপুরে বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিবাদ চলছে।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু‌ এর নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেছেন- এখানে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার কিছু গুপ্ত সরকার বিরোধী জড়িত।

এই অবস্থার মাঝে আজ আবার জেলা প্রশাসনের স্পিড বোর্ডে দেখা গেলো আওয়ামী লীগের টপ লিস্টেড ক্যাডার মিন্টু চেয়ারম্যান  ও আওয়ামীলীগের দোষরদেরকে।

প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা তাদের নিয়ে ফ্যাসিস্টের দোসর একে আজাদের স্কুল উদ্বোধনে চলে গেছেন। এখানে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার কিছু গুপ্ত সরকার বিরোধী জড়িত বলে সহজে অনুমেয়। 

“কে তথ্যবিহীন আর কে ষড়যন্ত্রের পার্ট” তা খতিয়ে দেখার জন্য জাতীয়তাবাদী দলের গণতান্ত্রিক সরকারকে আহবান জানাই।

অনু তার নাতি দীর্ঘ পোস্টে লিখেছেন, ফরিদপুর সদর আসনের এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ মরহুম জননেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ সাহেবের কন্যা হিসাবে শুধু নন, তিনি কারাবরণকারী ও আন্দোলনে সংযুক্ত জাতীয়তাবাদী দলের সংগ্রামী নেত্রী। আওয়ামী লীগের একটি চক্র নানা ষড়যন্ত্র করেও জাতীয় নির্বাচনে তার বিজয় ঠেকাতে পারেনি। তিনি অত্যাচার করেন না বলে এসব নির্যাতনকারী আওয়ামী লীগ নেতারা চুপিসারে টিকে আছে। এদের দেখেও দেখা হচ্ছে না। 

তিনি বলেন, আমরা অনেক বৈসাদৃশ্য দেখেও এড়িয়ে যাই। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের জেলা হিসাবে সবকিছু হেলাফেলা করে এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই। প্রশ্ন যখন মাননীয় এমপি মহোদয় Nayab Yusuf আপাকে ইগনোর করে আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত ষড়যন্ত্রকারীদের পুনর্বাসন সম্ভাবনার, সেটা কোন এড়িয়ে যাবার বিষয় হতে পারে না।

আমরা বলতে চাই- ফরিদপুর সদর ধানের শীষের ঘাঁটি। এই সদর আসনকে সেন্টার করে গোটা ফরিদপুর বিভাগে বিএনপির জয়জয়কার।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আমাদের বসে থাকতে বলেন নি। তিনি দেশ গড়ার কাজে ও ষড়যন্ত্রের দিকে নজর রাখতে বলেছেন ইতিপূর্বে।  জাতীয়তাবাদী দলের সকল পর্যায় সতর্ক নজর রাখে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার জন্য। আমরা প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলাম। আমাদের নেতৃবৃন্দের থেকে যেভাবে সিদ্ধান্ত হবে -সেভাবেই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।