০৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
ফরিদপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা  রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ নির্দেশ দেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসককে

গত ১৭ বছরে গোপালগঞ্জের বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ : প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 51

ফরিদপুরে "সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন”সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। পাশে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ও গোপালগঞ্জ-১ আসনের এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম। -অগ্নিপ্রহর।

গত ১৭ বছরে গোপালগঞ্জের জন্য কোন কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং এসব বরাদ্দ কোন কোন খাতে ব্যয় হয়েছে তা খতিয়ে দেখার জন্য প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফরিদপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে “সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন”সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা থেকে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা  রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। গত শুক্রবার বিকেলে সভা শুরু হয়ে আসর ও মাগরিবের নামাজের জন্য দুই দফা ১০ মিনিট করে বিরতি দিয়ে পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সভা চলে শেষ হয় রাত ৯ টা ২৫ মিনিটে। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা। ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী জেলার  সংসদ সদস্যবৃন্দ , জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রশাসকগণ এতে অংশ নেন।

সভার শুরুতেই প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা  রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গত ১৭ বছরে গোপালগঞ্জের বরাদ্দ নিয়ে নানামুখী আলোচনা ও বিতর্কের সূচনা করে বলেন, এসব বরাদ্দের তুলনায় দৃশ্যমান কাজ অনেক কম হয়েছে। বরাদ্দের ওই টাকার ঋণের ব্যয়ভার জাতির কাঁধে চেপে বসেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়কালে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বিভাগ হিসেবে ঢাকাকে এবং জেলা হিসেবে গোপালগঞ্জ। বর্তমান সরকার প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনা। তবে এক গোপালগঞ্জ সারা বাংলাদেশের জন্য কি পরিমান ঋণ সৃষ্টি করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসময় তিনি গোপালগঞ্জের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ টাকার বিপরীতে কি কাজ হয়েছে তা খতিয়ে দেখে এ ব্যাপারে একটি নির্মোহ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।

সভায় গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান বলেন, গোপালগঞ্জে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে তবে রক্ষণাবেক্ষণ সেভাবে করা হয়নি। কিছু লোকের উন্নয়ন হয়েছে তবে বেশিরভাগই অবহেলিত অবস্থায় আছে। গোপালগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক শরিফ রাফিকুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন সময়ে গোপালগঞ্জে উন্নয়নের বয়ান শোনা গেছে। কিন্তু ইট খাড়া করা ছাড়া সফটওয়্যারের উন্নয়ন হয়নি। গোপালগঞ্জের জন্য কত টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং কত টাকার কাজ হয়েছে তার উপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হলে এ ফারাকটা ভালোভাবে বোঝা যেত। এ পর্যায়ে প্রধান অতিথি বলেন, গোপালগঞ্জে কি পরিমাণ টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং কি পরিমাণ কাজ হয়েছে  তার হিসাব করতে হবে । এ কাজটি করবে জেলা প্রশাসন।

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, কানে পানি গেলে পানি দিয়ে সে পানি বের করতে হয়। গোপালগঞ্জের তৈরি হওয়া অবকাঠামোগুলো ভেঙে দিলে হবেনা, লোকবল নিয়োগ দিয়ে এগুলো কিভাবে জনগণের কল্যাণসহ লাভজনক হতে পারে সেদিকে নজর দিতে হবে।

গোপালগঞ্জ সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তি টেনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী) আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন,  গোপালগঞ্জের তিনটি আসনের মধ্যে সবগুলি বিএনপি’র সংসদ সদস্যরা জয়লাভ করেছে। এই এলাকার মানুষ বিএনপি’র প্রতি যে  অনুরাগ দেখিয়েছেন তার প্রতিদান প্রধানমন্ত্রীকে দিতে হবে। গোপালগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেন, গোপালগঞ্জে অতীতে যেসব প্রকল্প করা হয়েছে তা আয়ের উৎস না হয়ে ভর্তুকিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের ভাগ্যের  পরিবর্তন হয়নি। গোপালগঞ্জবাসী বর্তমান সরকারের দ্বারা প্রথম বৈষম্যের শিকার হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিন তিনটে সংসদীয় আসনে জয়ী হলেও গোপালগঞ্জ থেকে কাউকে মন্ত্রী বানানো হয়নি।

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, বিগত সরকারের সময়কালে অন্যায় ভাবে সরকারি বেশকিছু আঞ্চলিক কার্যালয় গোপালগঞ্জ স্থাপন করা হয়েছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানগুলো অন্য জেলায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। তবে এ প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে ওই সভার প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা  রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য আঞ্চলিক ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন জেলার সদরে স্থাপন করা হলে তা জনকল্যাণে ভূমিকা রাখতে সহজ হয়।

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা  রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ নির্দেশ দেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসককে

গত ১৭ বছরে গোপালগঞ্জের বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ : প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ

আপডেট সময় : ১১:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

গত ১৭ বছরে গোপালগঞ্জের জন্য কোন কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং এসব বরাদ্দ কোন কোন খাতে ব্যয় হয়েছে তা খতিয়ে দেখার জন্য প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফরিদপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে “সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন”সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা থেকে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা  রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। গত শুক্রবার বিকেলে সভা শুরু হয়ে আসর ও মাগরিবের নামাজের জন্য দুই দফা ১০ মিনিট করে বিরতি দিয়ে পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সভা চলে শেষ হয় রাত ৯ টা ২৫ মিনিটে। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা। ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী জেলার  সংসদ সদস্যবৃন্দ , জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রশাসকগণ এতে অংশ নেন।

সভার শুরুতেই প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা  রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গত ১৭ বছরে গোপালগঞ্জের বরাদ্দ নিয়ে নানামুখী আলোচনা ও বিতর্কের সূচনা করে বলেন, এসব বরাদ্দের তুলনায় দৃশ্যমান কাজ অনেক কম হয়েছে। বরাদ্দের ওই টাকার ঋণের ব্যয়ভার জাতির কাঁধে চেপে বসেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়কালে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বিভাগ হিসেবে ঢাকাকে এবং জেলা হিসেবে গোপালগঞ্জ। বর্তমান সরকার প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনা। তবে এক গোপালগঞ্জ সারা বাংলাদেশের জন্য কি পরিমান ঋণ সৃষ্টি করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসময় তিনি গোপালগঞ্জের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ টাকার বিপরীতে কি কাজ হয়েছে তা খতিয়ে দেখে এ ব্যাপারে একটি নির্মোহ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।

সভায় গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান বলেন, গোপালগঞ্জে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে তবে রক্ষণাবেক্ষণ সেভাবে করা হয়নি। কিছু লোকের উন্নয়ন হয়েছে তবে বেশিরভাগই অবহেলিত অবস্থায় আছে। গোপালগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক শরিফ রাফিকুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন সময়ে গোপালগঞ্জে উন্নয়নের বয়ান শোনা গেছে। কিন্তু ইট খাড়া করা ছাড়া সফটওয়্যারের উন্নয়ন হয়নি। গোপালগঞ্জের জন্য কত টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং কত টাকার কাজ হয়েছে তার উপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হলে এ ফারাকটা ভালোভাবে বোঝা যেত। এ পর্যায়ে প্রধান অতিথি বলেন, গোপালগঞ্জে কি পরিমাণ টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং কি পরিমাণ কাজ হয়েছে  তার হিসাব করতে হবে । এ কাজটি করবে জেলা প্রশাসন।

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, কানে পানি গেলে পানি দিয়ে সে পানি বের করতে হয়। গোপালগঞ্জের তৈরি হওয়া অবকাঠামোগুলো ভেঙে দিলে হবেনা, লোকবল নিয়োগ দিয়ে এগুলো কিভাবে জনগণের কল্যাণসহ লাভজনক হতে পারে সেদিকে নজর দিতে হবে।

গোপালগঞ্জ সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তি টেনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী) আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন,  গোপালগঞ্জের তিনটি আসনের মধ্যে সবগুলি বিএনপি’র সংসদ সদস্যরা জয়লাভ করেছে। এই এলাকার মানুষ বিএনপি’র প্রতি যে  অনুরাগ দেখিয়েছেন তার প্রতিদান প্রধানমন্ত্রীকে দিতে হবে। গোপালগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেন, গোপালগঞ্জে অতীতে যেসব প্রকল্প করা হয়েছে তা আয়ের উৎস না হয়ে ভর্তুকিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের ভাগ্যের  পরিবর্তন হয়নি। গোপালগঞ্জবাসী বর্তমান সরকারের দ্বারা প্রথম বৈষম্যের শিকার হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিন তিনটে সংসদীয় আসনে জয়ী হলেও গোপালগঞ্জ থেকে কাউকে মন্ত্রী বানানো হয়নি।

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, বিগত সরকারের সময়কালে অন্যায় ভাবে সরকারি বেশকিছু আঞ্চলিক কার্যালয় গোপালগঞ্জ স্থাপন করা হয়েছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানগুলো অন্য জেলায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। তবে এ প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে ওই সভার প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা  রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য আঞ্চলিক ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন জেলার সদরে স্থাপন করা হলে তা জনকল্যাণে ভূমিকা রাখতে সহজ হয়।