ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত নারী উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি সামগ্রীতে প্রাণবন্ত হলিডে মার্কেটের ইফতার মাহফিল ফরিদপুরে বিহারি কলোনিতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আহত মা ও ভাই পবিত্র কোরআনের আলোকে ইসলামে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধান বোয়ালমারীতে কিশোর শ্রমিক সজীব হত্যা: আসামি রিহাত মাগুরা থেকে গ্রেপ্তার বেইলি ব্রিজ মেরামতে বিলম্ব: ঈদের আগেই চালুর দাবি ফরিদপুরবাসীর ব্যস্ত সড়কে উপড়ে পড়ল গাছ: অল্পতে বাঁচলেন যাত্রী ফরিদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ১৮টি ইজিবাইকসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার ফরিদপুরে ‘কাচ্চি সুলতান’কে ১ লাখ টাকা জরিমানা: কিচেনে মিলল ক্ষতিকর কেমিক্যাল বোয়ালমারীতে পায়ুপথে হাওয়া: কিশোর শ্রমিকের মৃত্যু

পবিত্র কোরআনের আলোকে ইসলামে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 25

ছবি- প্রতীকী

পবিত্র কোরআনে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধান অত্যন্ত সুষ্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম একটি এবং ঈমানের পর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর মধ্যে গণ্য। কোরআন মজিদে বহু স্থানে সালাত (নামাজ) এবং যাকাতের আদেশ একসাথে দেওয়া হয়েছে, যা এর অপরিহার্যতার প্রমাণ বহন করে।

নিম্নে পবিত্র কোরআনের আলোকে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধানের প্রধান দিকগুলো তুলে ধরা হলো:

যাকাতের গুরুত্ব: একটি অপরিহার্য ফরজ ঈমানের আলামত:

  • সালাতের সাথে অপরিহার্য সংযোগ: পবিত্র কোরআনে প্রায় ৮২ বার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যাকাত প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৭টি আয়াতে সালাত বা নামাযের সাথেই যাকাত শব্দটি এসেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো এবং যাকাত আদায় করো।” (সূরা বাকারা: ৪৩, ১১০)। এই ঘন ঘন উল্লেখ প্রমাণ করে যে, সালাত যেমন শারীরিক ইবাদত হিসেবে আবশ্যিক, যাকাত তেমনই আর্থিক ইবাদত হিসেবে অপরিহার্য। একে বাদ দিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে ইসলাম পালন সম্ভব নয়।
  • মুত্তাকী সফলকামদের বৈশিষ্ট্য: কোরআনের শুরুতে সূরা বাকারায় হেদায়াতপ্রাপ্ত মুত্তাকীদের পরিচয় দিতে গিয়ে আল্লাহ বলেছেন, “…আমার দেওয়া রিযক হতে ব্যয় (যাকাত) করে”। (সূরা বাকারা: ৩)। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “নিশ্চয়ই সাফল্য লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নিজেদের নামাজে বিনয়ী… এবং যারা যাকাত দানে সক্রিয়।” (সূরা মুমিনুন: ১-৪)।
  • আল্লাহর রহমত সাহায্য লাভের শর্ত: যাকাত আদায় আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও সাহায্য পাওয়ার পূর্বশর্ত। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, “…আর আমার রহমত প্রতিটি বস্তুকে পরিব্যাপ্ত করে আছে। সুতরাং আমি তা (রহমত) তাদের জন্য নির্ধারিত করব যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যাকাত প্রদান করে…।” (সূরা আরাফ: ১৫৬)। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করেন যে তাঁকে সাহায্য করে… (তারা হলো) যারা, আমি তাদেরকে জমিনে প্রতিষ্ঠিত করলে নামাজ কায়েম করে ও যাকাত আদায় করে…।” (সূরা হজ: ৪০-৪১)।

যাকাতের বিধান উদ্দেশ্য: পবিত্রকরণ কল্যাণ:

  • সম্পদ আত্মার পবিত্রতা: ‘যাকাত’ শব্দের আভিধানিক অর্থ পবিত্রতা, পরিচ্ছন্নতা ও বৃদ্ধি পাওয়া। যাকাত প্রদানের মাধ্যমে দাতার সম্পদ পবিত্র হয় এবং তার আত্মা কৃপণতা ও লোভ থেকে পরিশুদ্ধ হয়। আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন, “তাদের সম্পদ থেকে সদকা (যাকাত) গ্রহণ করুন, যার দ্বারা আপনি তাদেরকে পবিত্র করবেন এবং পরিশোধিত করবেন…।” (সূরা তাওবা: ১০৩)।
  • দরিদ্রের অধিকার, ধনীর দয়া নয়: যাকাত ধনী লোকদের কোনো দয়া বা অনুগ্রহ নয়, বরং এটি দরিদ্র ও বঞ্চিতদের আল্লাহ-নির্ধারিত অধিকার। কোরআনে বলা হয়েছে, “এবং তাদের (ধনীদের) ধন-সম্পদে অবশ্যই দরিদ্র ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।” (সূরা আয-যারিয়াত: ১৯)।
  • সামাজিক অর্থনৈতিক কল্যাণ: যাকাত সমাজে ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য হ্রাস করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। এটি সম্পদকে কেবল ধনীদের হাতে কুক্ষিগত থাকতে দেয় না। আল্লাহ বলেন, “…যাতে সম্পদ তোমাদের বিত্তবানদের মধ্যেই আবর্তিত না হয়।” (সূরা হাশর: ৭)।

৩. যাকাত ব্যয়ের খাতসমূহ: পবিত্র কোরআনে যাকাতের অর্থ কাদের প্রদান করা যাবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে আটটি খাতে বিভক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন:

“যাকাত তো কেবল নিঃস্ব (ফকির), অভাবগ্রস্ত (মিসকিন), যাকাতের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তি, যাদের মনোরঞ্জন উদ্দেশ্য তাদের জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে (জিহাদকারী) ও মুসাফিরদের জন্য। এটি আল্লাহর বিধান।” (সূরা তাওবা: ৬০)।

যাকাত অনাদায়ের পরিণতি: যাকাত ফরজ হওয়ার পরও যারা তা আদায় করে না, পবিত্র কোরআনে তাদের জন্য কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে:

“এবং যারা সোনা ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা আল্লাহর পথে খরচ (যাকাত প্রদান) করে না, তাদেরকে কষ্টদায়ক শাস্তির সংবাদ দাও। যেদিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তা দিয়ে কপালে, পাঁজরে এবং পিঠে দাগ দেওয়া হবে, (সেদিন বলা হবে) এ তো সেই সম্পদ যা তোমরা নিজেদের জন্য জমা করে রেখেছিলে। এখন সে সঞ্চিত সম্পদের স্বাদ গ্রহণ কর।” (সূরা তাওবা: ৩৪-৩৫)।

পবিত্র কোরআনের আলোকে যাকাত কেবল একটি আর্থিক লেনদেন নয়, বরং এটি আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য, ঈমানের পরীক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উচিত যথাযথভাবে যাকাত আদায় করে নিজের সম্পদ ও আত্মাকে পবিত্র করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।

এখানে উল্লেখ্য যে, বাসস্থানের ঘর, আসবাবপত্র, ব্যবহারের গাড়ি, পরনের কাপড় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর কোনো যাকাত নেই। যাকাত শুধুমাত্র অলস সম্পদ, নগদ টাকা এবং ব্যবসায়িক পণ্যের ওপর ফরজ।

 

পবিত্র কোরআনের আলোকে ইসলামে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধান

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র কোরআনে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধান অত্যন্ত সুষ্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম একটি এবং ঈমানের পর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর মধ্যে গণ্য। কোরআন মজিদে বহু স্থানে সালাত (নামাজ) এবং যাকাতের আদেশ একসাথে দেওয়া হয়েছে, যা এর অপরিহার্যতার প্রমাণ বহন করে।

নিম্নে পবিত্র কোরআনের আলোকে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধানের প্রধান দিকগুলো তুলে ধরা হলো:

যাকাতের গুরুত্ব: একটি অপরিহার্য ফরজ ঈমানের আলামত:

  • সালাতের সাথে অপরিহার্য সংযোগ: পবিত্র কোরআনে প্রায় ৮২ বার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যাকাত প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৭টি আয়াতে সালাত বা নামাযের সাথেই যাকাত শব্দটি এসেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো এবং যাকাত আদায় করো।” (সূরা বাকারা: ৪৩, ১১০)। এই ঘন ঘন উল্লেখ প্রমাণ করে যে, সালাত যেমন শারীরিক ইবাদত হিসেবে আবশ্যিক, যাকাত তেমনই আর্থিক ইবাদত হিসেবে অপরিহার্য। একে বাদ দিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে ইসলাম পালন সম্ভব নয়।
  • মুত্তাকী সফলকামদের বৈশিষ্ট্য: কোরআনের শুরুতে সূরা বাকারায় হেদায়াতপ্রাপ্ত মুত্তাকীদের পরিচয় দিতে গিয়ে আল্লাহ বলেছেন, “…আমার দেওয়া রিযক হতে ব্যয় (যাকাত) করে”। (সূরা বাকারা: ৩)। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “নিশ্চয়ই সাফল্য লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নিজেদের নামাজে বিনয়ী… এবং যারা যাকাত দানে সক্রিয়।” (সূরা মুমিনুন: ১-৪)।
  • আল্লাহর রহমত সাহায্য লাভের শর্ত: যাকাত আদায় আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও সাহায্য পাওয়ার পূর্বশর্ত। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, “…আর আমার রহমত প্রতিটি বস্তুকে পরিব্যাপ্ত করে আছে। সুতরাং আমি তা (রহমত) তাদের জন্য নির্ধারিত করব যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যাকাত প্রদান করে…।” (সূরা আরাফ: ১৫৬)। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করেন যে তাঁকে সাহায্য করে… (তারা হলো) যারা, আমি তাদেরকে জমিনে প্রতিষ্ঠিত করলে নামাজ কায়েম করে ও যাকাত আদায় করে…।” (সূরা হজ: ৪০-৪১)।

যাকাতের বিধান উদ্দেশ্য: পবিত্রকরণ কল্যাণ:

  • সম্পদ আত্মার পবিত্রতা: ‘যাকাত’ শব্দের আভিধানিক অর্থ পবিত্রতা, পরিচ্ছন্নতা ও বৃদ্ধি পাওয়া। যাকাত প্রদানের মাধ্যমে দাতার সম্পদ পবিত্র হয় এবং তার আত্মা কৃপণতা ও লোভ থেকে পরিশুদ্ধ হয়। আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন, “তাদের সম্পদ থেকে সদকা (যাকাত) গ্রহণ করুন, যার দ্বারা আপনি তাদেরকে পবিত্র করবেন এবং পরিশোধিত করবেন…।” (সূরা তাওবা: ১০৩)।
  • দরিদ্রের অধিকার, ধনীর দয়া নয়: যাকাত ধনী লোকদের কোনো দয়া বা অনুগ্রহ নয়, বরং এটি দরিদ্র ও বঞ্চিতদের আল্লাহ-নির্ধারিত অধিকার। কোরআনে বলা হয়েছে, “এবং তাদের (ধনীদের) ধন-সম্পদে অবশ্যই দরিদ্র ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।” (সূরা আয-যারিয়াত: ১৯)।
  • সামাজিক অর্থনৈতিক কল্যাণ: যাকাত সমাজে ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য হ্রাস করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। এটি সম্পদকে কেবল ধনীদের হাতে কুক্ষিগত থাকতে দেয় না। আল্লাহ বলেন, “…যাতে সম্পদ তোমাদের বিত্তবানদের মধ্যেই আবর্তিত না হয়।” (সূরা হাশর: ৭)।

৩. যাকাত ব্যয়ের খাতসমূহ: পবিত্র কোরআনে যাকাতের অর্থ কাদের প্রদান করা যাবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে আটটি খাতে বিভক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন:

“যাকাত তো কেবল নিঃস্ব (ফকির), অভাবগ্রস্ত (মিসকিন), যাকাতের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তি, যাদের মনোরঞ্জন উদ্দেশ্য তাদের জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে (জিহাদকারী) ও মুসাফিরদের জন্য। এটি আল্লাহর বিধান।” (সূরা তাওবা: ৬০)।

যাকাত অনাদায়ের পরিণতি: যাকাত ফরজ হওয়ার পরও যারা তা আদায় করে না, পবিত্র কোরআনে তাদের জন্য কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে:

“এবং যারা সোনা ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা আল্লাহর পথে খরচ (যাকাত প্রদান) করে না, তাদেরকে কষ্টদায়ক শাস্তির সংবাদ দাও। যেদিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তা দিয়ে কপালে, পাঁজরে এবং পিঠে দাগ দেওয়া হবে, (সেদিন বলা হবে) এ তো সেই সম্পদ যা তোমরা নিজেদের জন্য জমা করে রেখেছিলে। এখন সে সঞ্চিত সম্পদের স্বাদ গ্রহণ কর।” (সূরা তাওবা: ৩৪-৩৫)।

পবিত্র কোরআনের আলোকে যাকাত কেবল একটি আর্থিক লেনদেন নয়, বরং এটি আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য, ঈমানের পরীক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উচিত যথাযথভাবে যাকাত আদায় করে নিজের সম্পদ ও আত্মাকে পবিত্র করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।

এখানে উল্লেখ্য যে, বাসস্থানের ঘর, আসবাবপত্র, ব্যবহারের গাড়ি, পরনের কাপড় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর কোনো যাকাত নেই। যাকাত শুধুমাত্র অলস সম্পদ, নগদ টাকা এবং ব্যবসায়িক পণ্যের ওপর ফরজ।