পুলিশ অফিসারের ফেসবুক পোস্টে ভাঙ্গার বিকাশ প্রতারক ও ওয়েলকাম পার্টি
- আপডেট সময় : ০১:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- / 22
“হ্যালো, আমি জ্বিনের বাদশা বলছি। স্যার, বিকাশ থেকে নাহিদ বলছি।’
এই ধরনের লোক ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি পেয়েছি। ব্যাংকের মাধ্যমে এই কাজে আরো এক চক্র পেলাম।”
ফেসবুকে নিজের পেশাগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে এভাবেই ‘মোবাইল বিকাশ প্রতারক ও ওয়েলকাম পার্টি’ প্রবণ এলাকা হিসেবে ভাঙ্গা থানার কথা তুলে ধরেছেন পুলিশ কর্মকর্তা শামীম হাসান। গতকাল শনিবার বিকেলে তার এই পোস্টের দশ ঘন্টার মধ্যে তাতে সাড়ে ৬ হাজার লাইক এবং কয়েকশো কমেন্ট ও শেয়ার পড়ে।
একই পোস্টের কমেন্টে শামীম হাসান আরো লিখেছেন-
অপরাধকে যারা ব্যবসা (ওয়েলকাম বিজনেস) হিসেবে নেয় তাদের দেখলে নিজের জন্য কষ্ট লাগে।
এমন জায়গা আছি, আশপাশের মানুষ অপরাধকে অপরাধ মনে করে না। এখানে ধর্ম এবং নৈতিকতা পাপের সাথে মিলেমিশে একাকার।
এলাকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নির্মান শৈলীতে যথেষ্ট উন্নত- প্রতারকরা দান করে পাপ কমায়। এটি অবশ্য বাংলাদেশের মাদক প্রবণ অঞ্চলেও আছে।
তবে সবাই খারাপ নয়, নির্দিষ্ট কিছু লোকের কারণে বৃহত্তর ফরিদপুরের ভাঙ্গাকে খারাপ বলা যাবে না। ভাঙ্গার একক ও অদ্বিতীয় বেশ কিছু গুণ রয়েছে যা পুরো বাংলাদেশের জন্য আদর্শ।
ভাঙ্গা থানায় যতবার গিয়েছি ততবার তাদের সর্বোচ্চ সহায়তা পেয়েছি। ধন্যবাদ ভাঙ্গা থানা পুলিশ।
মাত্র ৭৪১টি পোস্ট দিয়েই তাঁর ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে ফলোয়ার সংখ্যা ১ দশমিক ২ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে।
ভাঙ্গা থানাকে জড়িয়ে তাঁর এই মন্তব্যের পর কমেন্টেও অনেকে ওই এলাকা নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
যদিও বর্তমান সময়ে এখন আগের মতো সেই বিকাশ প্রতারকদের খবর খুব বেশি পাওয়া যায়না, তবে এই চক্র যে একেবারে নির্মূল হয়ে গেছে তাও বলা যাবেনা।
বিগত সরকারের আমলে ওয়েলকাম পার্টির পাশাপাশি মাদকের অভয়ারণ্য হয়ে ওঠা ভাঙ্গা থানায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। গত কয়দিনে সেখানে মাদক ব্যবসার অভিযোগে কয়েকটি বাসাবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়েছে। কিন্তু এসব কি মাদকের নির্মূল নাকি নিয়ন্ত্রণের হাতবদল তা আসলে সময়ই বলে দিবে।















