ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত নারী উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি সামগ্রীতে প্রাণবন্ত হলিডে মার্কেটের ইফতার মাহফিল ফরিদপুরে বিহারি কলোনিতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আহত মা ও ভাই পবিত্র কোরআনের আলোকে ইসলামে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধান বোয়ালমারীতে কিশোর শ্রমিক সজীব হত্যা: আসামি রিহাত মাগুরা থেকে গ্রেপ্তার বেইলি ব্রিজ মেরামতে বিলম্ব: ঈদের আগেই চালুর দাবি ফরিদপুরবাসীর ব্যস্ত সড়কে উপড়ে পড়ল গাছ: অল্পতে বাঁচলেন যাত্রী ফরিদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ১৮টি ইজিবাইকসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার ফরিদপুরে ‘কাচ্চি সুলতান’কে ১ লাখ টাকা জরিমানা: কিচেনে মিলল ক্ষতিকর কেমিক্যাল বোয়ালমারীতে পায়ুপথে হাওয়া: কিশোর শ্রমিকের মৃত্যু

ফরিদপুরে নদী ভাঙনরোধে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে

নারীদের পিছনে রেখে আমরা এগোতে পারবো না -তারেক রহমান

হারুন আনসারী/কামরুল ইসলাম/দীপ্ত মন্ডল
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 102

রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে জনসভায় বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচ জেলার সংসদীয় আসনগুলোতে বিএনপির প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। -ছবি অগ্নিপ্রহর

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে পিছনে রেখে আমরা কোনভাবেই সামনে এগোতে পারবোনা। এই নারীগোষ্ঠীকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চাই। সেকারণে খেটে-খাওয়া প্রত্যেকটি গৃহিনীরা কাছে আমরা ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যার মাধ্যমে প্রতি মাসে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে একটি সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, বিএনপি দেশের কৃষক ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নিবে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কলকারখানা গড়ে তুলে যুবকদের কর্মসংস্থান করা হবে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান একথা বলেন। এ সময় তারেক রহমান বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫ জেলার ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ১২ তারিখ পর্যন্ত এদের আপনারা দেখে রাখবেন, ১৩ তারিখ থেকে এদের কাজ হচ্ছে আপনাদের দেখে রাখা। আপনাদের সমর্থন ছাড়া তারা কিন্তু কোন পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করতে পারবেন না।

তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালে আমাদের ছাত্র জনতারা রাজপথে আন্দোলন করে স্বৈরাচারকে বিদায়ের মাধ্যমে সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। এখন এই যে মানুষের ভোটের অধিকার, মানুষের কথা বলার অধিকার, যেটি আমরা ফিরে পেয়েছি, এটিকে কিন্তু ধরে রাখতে হবে।তিনি বলেন, এই যে স্বাধীনতা, জনগণের ভোটের অধিকার, জনগণের কথা বলার অধিকার, এর বিরুদ্ধে আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গিয়েছে। এই ষড়যন্ত্র যারা করছে, জনগণ তাদের গুপ্ত নামে ডাকে। কারণ, জনগণ দেখেছে কখনো সময় হয় এদিক, আবার কখনো সময় হয় ওদিক! তাদের এই রুপের পরিবর্তন হয়। এদের যে শুধু রূপের পরিবর্তন হয় তাই না, জনগণকে তারা কিভাবে অপমান করে তাও দেখেন!

জনগণের উপর যে তাদের আস্থা নেই তার প্রমাণ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এই যে গুপ্তের দলের প্রধান, তিনি এদেশের খেটে খাওয়া মা-বোনদের নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর একটি কথা বলেছেন, তা আপনারা দেখেছেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যেই রাজনৈতিক দলের প্রধান দেশের খেটে খাওয়া মা-বোনদের সম্পর্কে এমন নোংরা চিন্তা করে থাকেন, তাদের কাছ থেকে কি আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি? তাদের কাছ থেকে আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি না। এটির প্রমাণ আমরা ৭১ সালেও দেখেছি। ৭১ সালে তাদের বিতর্কিত ভূমিকার জন্য এদেশের লক্ষ লক্ষ নারী লক্ষ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানি হয়েছিল। এদের কাছ থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। যারা মুখে বলে এক কথা আর কাজে করে আরেক কথা।

তিনি ভোটারদর বিকাশ ও এনআইডি নম্বর চাওয়ার অভিযোগ তুলে বলেন, তারা সৎ লোকের শাসন চাই বলে। অথচ যাদের শুরুটাই অনৈতিক কাজ দিয়ে শুরু, তারা কীভাবে সৎ থাকতে পারবে?

তিনি গুপ্ত দলের জনৈক নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তারা বলছে- নির্বাচনের আগে তারা ভোটারের পারে ধরছে, ভোটের পরে তাদের পা ধরবে জনগণ! এই হলো জনগণ সম্মন্ধে তাদের ধারনা।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশকে গড়ার জন্য বিএনপির একটি পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জনগণেরও একটি পরিকল্পনা থাকা দরকার। সেই পরিকল্পনা হলো ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়ী করা। কারণ, দেশকে গড়ে তোলার জন্য যে কথা আমরা বলেছি, জনগণের সমর্থন ছাড়া কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন করতে আমরা পারবো না।

এসময় তারেক রহমান ফরিদপুরের নদীভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিএনপি সরকার গঠন হলে আগামী দিনে আমরা পদ্মা ব্যারেজ করবো। তিনি বিএনপির স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, আমরা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলবো যাতে জনগণ ঘরে বসেই চিকিৎসা সেবা পাবে।
দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে তারেক রহমান জনসভাস্থলে আসেন। এর আগে তিনি বরিশাল থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে ফরিদপুর স্টেডিয়ামের হেলিপ্যাডে অবতরণ করার পর শামা ওবায়েদ সহ নেতৃবৃন্দ তাঁকে স্বাগত জানান।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈসার সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য দেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর-২ আসনের প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম, শরিয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী নূরউদ্দিন অপু, ফরিদপুর-৩ আসনের প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।

এসময় মঞ্চে গোপালগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম, রাজবাড়ীর আলী নেওয়াজ খৈয়াম, হারুন অর রশীদ, ইয়াসমিন আরা হক, জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, মাহবুবুল হাসান ভুঁইয়া পিংকু, একে কিবরিয়া স্বপন, আফজাল হোসেন খান পলাশ, জুলফিকার হোসেন জুয়েল, এবি সিদ্দিকী মিতুল, ফারিয়ান ইউসুফ সহ বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচ জেলার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে শরিয়তপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ জেলা থেকে নেতাকর্মীরা যোগ দেন। জনসভায় নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনার জন্য সমাবেশস্থল ছাড়াও আশেপাশে প্রজেক্টরে লাইভ সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষায় বক্তৃতা প্রদর্শন করা হয়।

 

Tags

ফরিদপুরে নদী ভাঙনরোধে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে

নারীদের পিছনে রেখে আমরা এগোতে পারবো না -তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে পিছনে রেখে আমরা কোনভাবেই সামনে এগোতে পারবোনা। এই নারীগোষ্ঠীকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চাই। সেকারণে খেটে-খাওয়া প্রত্যেকটি গৃহিনীরা কাছে আমরা ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যার মাধ্যমে প্রতি মাসে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে একটি সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, বিএনপি দেশের কৃষক ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নিবে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কলকারখানা গড়ে তুলে যুবকদের কর্মসংস্থান করা হবে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান একথা বলেন। এ সময় তারেক রহমান বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫ জেলার ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ১২ তারিখ পর্যন্ত এদের আপনারা দেখে রাখবেন, ১৩ তারিখ থেকে এদের কাজ হচ্ছে আপনাদের দেখে রাখা। আপনাদের সমর্থন ছাড়া তারা কিন্তু কোন পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করতে পারবেন না।

তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালে আমাদের ছাত্র জনতারা রাজপথে আন্দোলন করে স্বৈরাচারকে বিদায়ের মাধ্যমে সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। এখন এই যে মানুষের ভোটের অধিকার, মানুষের কথা বলার অধিকার, যেটি আমরা ফিরে পেয়েছি, এটিকে কিন্তু ধরে রাখতে হবে।তিনি বলেন, এই যে স্বাধীনতা, জনগণের ভোটের অধিকার, জনগণের কথা বলার অধিকার, এর বিরুদ্ধে আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গিয়েছে। এই ষড়যন্ত্র যারা করছে, জনগণ তাদের গুপ্ত নামে ডাকে। কারণ, জনগণ দেখেছে কখনো সময় হয় এদিক, আবার কখনো সময় হয় ওদিক! তাদের এই রুপের পরিবর্তন হয়। এদের যে শুধু রূপের পরিবর্তন হয় তাই না, জনগণকে তারা কিভাবে অপমান করে তাও দেখেন!

জনগণের উপর যে তাদের আস্থা নেই তার প্রমাণ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এই যে গুপ্তের দলের প্রধান, তিনি এদেশের খেটে খাওয়া মা-বোনদের নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর একটি কথা বলেছেন, তা আপনারা দেখেছেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যেই রাজনৈতিক দলের প্রধান দেশের খেটে খাওয়া মা-বোনদের সম্পর্কে এমন নোংরা চিন্তা করে থাকেন, তাদের কাছ থেকে কি আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি? তাদের কাছ থেকে আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি না। এটির প্রমাণ আমরা ৭১ সালেও দেখেছি। ৭১ সালে তাদের বিতর্কিত ভূমিকার জন্য এদেশের লক্ষ লক্ষ নারী লক্ষ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানি হয়েছিল। এদের কাছ থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। যারা মুখে বলে এক কথা আর কাজে করে আরেক কথা।

তিনি ভোটারদর বিকাশ ও এনআইডি নম্বর চাওয়ার অভিযোগ তুলে বলেন, তারা সৎ লোকের শাসন চাই বলে। অথচ যাদের শুরুটাই অনৈতিক কাজ দিয়ে শুরু, তারা কীভাবে সৎ থাকতে পারবে?

তিনি গুপ্ত দলের জনৈক নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তারা বলছে- নির্বাচনের আগে তারা ভোটারের পারে ধরছে, ভোটের পরে তাদের পা ধরবে জনগণ! এই হলো জনগণ সম্মন্ধে তাদের ধারনা।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশকে গড়ার জন্য বিএনপির একটি পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জনগণেরও একটি পরিকল্পনা থাকা দরকার। সেই পরিকল্পনা হলো ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়ী করা। কারণ, দেশকে গড়ে তোলার জন্য যে কথা আমরা বলেছি, জনগণের সমর্থন ছাড়া কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন করতে আমরা পারবো না।

এসময় তারেক রহমান ফরিদপুরের নদীভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিএনপি সরকার গঠন হলে আগামী দিনে আমরা পদ্মা ব্যারেজ করবো। তিনি বিএনপির স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, আমরা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলবো যাতে জনগণ ঘরে বসেই চিকিৎসা সেবা পাবে।
দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে তারেক রহমান জনসভাস্থলে আসেন। এর আগে তিনি বরিশাল থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে ফরিদপুর স্টেডিয়ামের হেলিপ্যাডে অবতরণ করার পর শামা ওবায়েদ সহ নেতৃবৃন্দ তাঁকে স্বাগত জানান।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈসার সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য দেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর-২ আসনের প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম, শরিয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী নূরউদ্দিন অপু, ফরিদপুর-৩ আসনের প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।

এসময় মঞ্চে গোপালগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম, রাজবাড়ীর আলী নেওয়াজ খৈয়াম, হারুন অর রশীদ, ইয়াসমিন আরা হক, জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, মাহবুবুল হাসান ভুঁইয়া পিংকু, একে কিবরিয়া স্বপন, আফজাল হোসেন খান পলাশ, জুলফিকার হোসেন জুয়েল, এবি সিদ্দিকী মিতুল, ফারিয়ান ইউসুফ সহ বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচ জেলার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে শরিয়তপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ জেলা থেকে নেতাকর্মীরা যোগ দেন। জনসভায় নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনার জন্য সমাবেশস্থল ছাড়াও আশেপাশে প্রজেক্টরে লাইভ সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষায় বক্তৃতা প্রদর্শন করা হয়।