ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত নারী উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি সামগ্রীতে প্রাণবন্ত হলিডে মার্কেটের ইফতার মাহফিল ফরিদপুরে বিহারি কলোনিতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আহত মা ও ভাই পবিত্র কোরআনের আলোকে ইসলামে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধান বোয়ালমারীতে কিশোর শ্রমিক সজীব হত্যা: আসামি রিহাত মাগুরা থেকে গ্রেপ্তার বেইলি ব্রিজ মেরামতে বিলম্ব: ঈদের আগেই চালুর দাবি ফরিদপুরবাসীর ব্যস্ত সড়কে উপড়ে পড়ল গাছ: অল্পতে বাঁচলেন যাত্রী ফরিদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ১৮টি ইজিবাইকসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার ফরিদপুরে ‘কাচ্চি সুলতান’কে ১ লাখ টাকা জরিমানা: কিচেনে মিলল ক্ষতিকর কেমিক্যাল বোয়ালমারীতে পায়ুপথে হাওয়া: কিশোর শ্রমিকের মৃত্যু

একটি সুষ্ঠ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে

ফরিদপুরে গণভোটের ক্যারাভান উদ্বোধন করলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

কামরুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 270

তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ফরিদপুরে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর উদ্বোধন করেন এবং র‍্যালী নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে অম্বিকা ময়দানে পৌঁছে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। -ছবি অগ্নিপ্রহর

পরিবেশ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমি বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখেছি, আবার নির্বাচন হাইজ্যাক করা হয়েছে তাও দেখেছি। দিনের ভোট রাতে দেওয়া হয়েছে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সরকার গঠন করেছে, ব্যালট বাক্সে সিল মেরে ভরে, কুড়ি পার্সেন্টও হয় নাই, সেখানে ৪৪ পার্সেন্ট করা হয়েছে তাও দেখেছি। কাজেই আমরা খারাপটার পাশাপাশি ভালোটাও দেখেছি। যেকারণে ভালোটাকেই অনুসরণ করেই আমরা পদ্ধতিগুলো এখানে নিশ্চিত করছি। অবশ্যই আমি আশা করবো- একটি সুষ্ঠ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গণভোটের ক্যারাভান উদ্বোধন শেষে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব কথা বলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নিয়ে একটি চক্র গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, কেন ভোট হবে না? সরকার প্রস্তুত, নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত, রাজনৈতিক দলগুলো প্রস্তুত এবং ভোটাররাও প্রস্তুত। দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। এখন কিছু লোক ফিসফিস করে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে এবার আর সেই সুযোগ নেই। দীর্ঘ সময় ধরে গণতান্ত্রিক চর্চা ব্যাহত ছিল। দেশ এখন গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

পরে উপদেষ্টা সেখান থেকে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে একটি র‍্যালীর উদ্বোধন করেন এবং র‍্যালী নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে অম্বিকা ময়দানে পৌছেন। এরপর সেখানে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত গণভোটে প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সরকারের এই উপদেষ্টা।

এসময় উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, দেশের আমলাতন্ত্র দীর্ঘদিন জনসেবায় অভ্যস্ত না হয়ে নেতা তুষ্টিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কারণ, ক্ষমতাসীন নেতাকে খুশি করতে পারলেই পদোন্নতি নিশ্চিত-এই বিশ্বাসই প্রশাসনকে দুর্বল করেছে। এই সিস্টেম ভাঙতেই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কর্মকর্তা হলেও পরবর্তীতে তাদের দলীয় রঙে রাঙিয়ে ফেলা হয়। কর্ম কমিশনের সিদ্ধান্তে বিরোধী দল যুক্ত থাকলে নেতার তুষ্টির সুযোগ থাকবে না, নিয়োগ হবে স্বচ্ছ। ব্যক্তিপূজা নয়, জবাবদিহিমূলক সংসদ হতে হবে।

সংসদীয় ব্যবস্থার সমালোচনা করে উপদেষ্টা বলেন, সংসদে জনগণের স্বার্থে আইন প্রণয়নের পরিবর্তে ব্যক্তি স্তুতি ও দলীয় আনুগত্যই মুখ্য হয়ে উঠেছে। গান শুনে খুশি হওয়া স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার-এভাবে সংসদ চলতে পারে না। আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচন করি জাতীয় স্বার্থে আইন করার জন্য, ব্যক্তি বন্দনার জন্য নয়।

তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট হলে স্পিকার সরকার দল থেকে এবং ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে হবেন, যা সংসদে ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীত্বে ১০ বছরের সীমা নির্ধারণ হলে রাজনৈতিক দলগুলো নতুন নেতৃত্ব গড়তে বাধ্য হবে বলেও মন্তব্য করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, একই মুখ বারবার ক্ষমতায় থাকার কারণে নতুন নেতৃত্ব বিকশিত হয় না। এই সীমা রাজনীতিতে তরুণদের আগ্রহ বাড়াবে।

বিচার ব্যবস্থায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, খুনের মতো গুরুতর অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ক্ষমা পেয়ে যায়-এটা রাষ্ট্রের জন্য ভয়ংকর। আমরা দুষ্টের দমন করব, সৃষ্টের পালন করব—এই নীতিতেই রাষ্ট্র চলবে।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মিজ্ লামিয়া মোরশেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ মাহবুবা ফারজানা ও পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত সাধারণ মানুষ বক্তব্য রাখেন। ‌

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ। যা পরবর্তীতে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। সেই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র ও সমাজে কাঙ্খিত পরিবর্তন আনা। আর সেই পরিবর্তনের আকাঙ্খার বাস্তবায়ন ঘটবে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর বিজয়ের মধ্য দিয়ে।

এরপর বিকেলে শহরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত “প্রথমবারের মতো তরুণ ভোটারদের জন্য গণভোট ও নির্বাচন’২০২৬” শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন পরিবেশ এবং তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এতে সভাপতিত্ব করেন রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এসএম হালিম।

একটি সুষ্ঠ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে

ফরিদপুরে গণভোটের ক্যারাভান উদ্বোধন করলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৪:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

পরিবেশ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমি বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখেছি, আবার নির্বাচন হাইজ্যাক করা হয়েছে তাও দেখেছি। দিনের ভোট রাতে দেওয়া হয়েছে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সরকার গঠন করেছে, ব্যালট বাক্সে সিল মেরে ভরে, কুড়ি পার্সেন্টও হয় নাই, সেখানে ৪৪ পার্সেন্ট করা হয়েছে তাও দেখেছি। কাজেই আমরা খারাপটার পাশাপাশি ভালোটাও দেখেছি। যেকারণে ভালোটাকেই অনুসরণ করেই আমরা পদ্ধতিগুলো এখানে নিশ্চিত করছি। অবশ্যই আমি আশা করবো- একটি সুষ্ঠ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গণভোটের ক্যারাভান উদ্বোধন শেষে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব কথা বলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নিয়ে একটি চক্র গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, কেন ভোট হবে না? সরকার প্রস্তুত, নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত, রাজনৈতিক দলগুলো প্রস্তুত এবং ভোটাররাও প্রস্তুত। দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। এখন কিছু লোক ফিসফিস করে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে এবার আর সেই সুযোগ নেই। দীর্ঘ সময় ধরে গণতান্ত্রিক চর্চা ব্যাহত ছিল। দেশ এখন গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

পরে উপদেষ্টা সেখান থেকে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে একটি র‍্যালীর উদ্বোধন করেন এবং র‍্যালী নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে অম্বিকা ময়দানে পৌছেন। এরপর সেখানে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত গণভোটে প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সরকারের এই উপদেষ্টা।

এসময় উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, দেশের আমলাতন্ত্র দীর্ঘদিন জনসেবায় অভ্যস্ত না হয়ে নেতা তুষ্টিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কারণ, ক্ষমতাসীন নেতাকে খুশি করতে পারলেই পদোন্নতি নিশ্চিত-এই বিশ্বাসই প্রশাসনকে দুর্বল করেছে। এই সিস্টেম ভাঙতেই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কর্মকর্তা হলেও পরবর্তীতে তাদের দলীয় রঙে রাঙিয়ে ফেলা হয়। কর্ম কমিশনের সিদ্ধান্তে বিরোধী দল যুক্ত থাকলে নেতার তুষ্টির সুযোগ থাকবে না, নিয়োগ হবে স্বচ্ছ। ব্যক্তিপূজা নয়, জবাবদিহিমূলক সংসদ হতে হবে।

সংসদীয় ব্যবস্থার সমালোচনা করে উপদেষ্টা বলেন, সংসদে জনগণের স্বার্থে আইন প্রণয়নের পরিবর্তে ব্যক্তি স্তুতি ও দলীয় আনুগত্যই মুখ্য হয়ে উঠেছে। গান শুনে খুশি হওয়া স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার-এভাবে সংসদ চলতে পারে না। আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচন করি জাতীয় স্বার্থে আইন করার জন্য, ব্যক্তি বন্দনার জন্য নয়।

তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট হলে স্পিকার সরকার দল থেকে এবং ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে হবেন, যা সংসদে ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীত্বে ১০ বছরের সীমা নির্ধারণ হলে রাজনৈতিক দলগুলো নতুন নেতৃত্ব গড়তে বাধ্য হবে বলেও মন্তব্য করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, একই মুখ বারবার ক্ষমতায় থাকার কারণে নতুন নেতৃত্ব বিকশিত হয় না। এই সীমা রাজনীতিতে তরুণদের আগ্রহ বাড়াবে।

বিচার ব্যবস্থায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, খুনের মতো গুরুতর অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ক্ষমা পেয়ে যায়-এটা রাষ্ট্রের জন্য ভয়ংকর। আমরা দুষ্টের দমন করব, সৃষ্টের পালন করব—এই নীতিতেই রাষ্ট্র চলবে।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মিজ্ লামিয়া মোরশেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ মাহবুবা ফারজানা ও পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত সাধারণ মানুষ বক্তব্য রাখেন। ‌

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ। যা পরবর্তীতে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। সেই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র ও সমাজে কাঙ্খিত পরিবর্তন আনা। আর সেই পরিবর্তনের আকাঙ্খার বাস্তবায়ন ঘটবে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর বিজয়ের মধ্য দিয়ে।

এরপর বিকেলে শহরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত “প্রথমবারের মতো তরুণ ভোটারদের জন্য গণভোট ও নির্বাচন’২০২৬” শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন পরিবেশ এবং তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এতে সভাপতিত্ব করেন রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এসএম হালিম।