Bangladesh ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়ের নতুন আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন আমাদের পথিকৃৎ সাংবাদিক লিয়াকত হোসেন চীনা বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সুযোগ বাড়াতে ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বিশেষ সমঝোতা অসহায় পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের বাড়ির চাবি হস্তান্তর “মায়ের সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু হলে, সে মৃত্যুই পরম শ্রেয়” বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে ঐতিহাসিক ৪টি সিদ্ধান্ত এলো খাজা বড় চাচাজানের দিশারী বক্তব্য ফেসবুকে এআই দিয়ে তৈরি ছবি ছড়িয়ে মানহানী : থানায় জিডি কনসার্টের উচ্চ শব্দে শিশুদের কষ্টের কথা জেনে ক্ষমা চাইলেন বিএনপি নেতা স্বপন সাংবাদিক আমির খসরু আর নেই শহর ফরিদপুর ও গণিকালয়ের ডেরা: কার কান্না কত ভারী?
আন্তঃবিভাগের ডাক্তারের শিফটিং ডিউটিতে চলছে সেবা

ফমেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসকের সবক’টি পদ‌ই শূন্য

আবরার নাদিম ইতু
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 275

ফাইল ছবি

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসকের চারটি পদ থাকলেও বর্তমানে কোনো পদেই চিকিৎসক নিয়োজিত নেই। ফলে আন্তবিভাগের চিকিৎসকদের শিফটিং ডিউটির মাধ্যমে চলছে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপ থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে স্থায়ী চিকিৎসক না থাকায় জরুরি চিকিৎসাসেবা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসকের জন্য চারটি পদ নির্ধারিত রয়েছে। তবে বর্তমানে এসব পদে কোনো চিকিৎসক কর্মরত নেই। এ অবস্থায় হাসপাতালের বিভিন্ন আন্তঃবিভাগে দায়িত্ব পালন করা চিকিৎসকদের পালাক্রমে ইমার্জেন্সি বিভাগে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ তৈরি হচ্ছে এবং জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

হাসপাতালটিতে বর্তমানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৫৪ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪৭৯ জন। প্রতিদিন ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ইমার্জেন্সি বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন বলেন, “জরুরি বিভাগে রোগী নিয়ে এলে দ্রুত চিকিৎসা পাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চিকিৎসক সংকট থাকলে রোগীদের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়। গুরুতর রোগীর ক্ষেত্রে এ ধরনের পরিস্থিতি আমাদের জন্য খুবই উদ্বেগের।”

জেলা ছাত্রদল নেতা নীলয় চৌধুরী রেজা বলেন, “এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু ইমার্জেন্সি বিভাগের নির্ধারিত পদগুলোতে চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জরুরি বিভাগের জন্য নির্ধারিত চিকিৎসক পদগুলো দ্রুত পূরণ করে সার্বক্ষণিক ও নিরবচ্ছিন্ন জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক মনোতোষ কুন্ডু বলেন, “ডিজি অফিসে মৌখিকভাবে বারবার বলা হয়েছে। বর্তমানে আন্তবিভাগের ডাক্তারদের দিয়ে শিফটিং ডিউটির মাধ্যমে ইমার্জেন্সি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।”

আন্তঃবিভাগের ডাক্তারের শিফটিং ডিউটিতে চলছে সেবা

ফমেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসকের সবক’টি পদ‌ই শূন্য

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসকের চারটি পদ থাকলেও বর্তমানে কোনো পদেই চিকিৎসক নিয়োজিত নেই। ফলে আন্তবিভাগের চিকিৎসকদের শিফটিং ডিউটির মাধ্যমে চলছে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপ থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে স্থায়ী চিকিৎসক না থাকায় জরুরি চিকিৎসাসেবা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসকের জন্য চারটি পদ নির্ধারিত রয়েছে। তবে বর্তমানে এসব পদে কোনো চিকিৎসক কর্মরত নেই। এ অবস্থায় হাসপাতালের বিভিন্ন আন্তঃবিভাগে দায়িত্ব পালন করা চিকিৎসকদের পালাক্রমে ইমার্জেন্সি বিভাগে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ তৈরি হচ্ছে এবং জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

হাসপাতালটিতে বর্তমানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৫৪ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪৭৯ জন। প্রতিদিন ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ইমার্জেন্সি বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন বলেন, “জরুরি বিভাগে রোগী নিয়ে এলে দ্রুত চিকিৎসা পাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চিকিৎসক সংকট থাকলে রোগীদের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়। গুরুতর রোগীর ক্ষেত্রে এ ধরনের পরিস্থিতি আমাদের জন্য খুবই উদ্বেগের।”

জেলা ছাত্রদল নেতা নীলয় চৌধুরী রেজা বলেন, “এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু ইমার্জেন্সি বিভাগের নির্ধারিত পদগুলোতে চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জরুরি বিভাগের জন্য নির্ধারিত চিকিৎসক পদগুলো দ্রুত পূরণ করে সার্বক্ষণিক ও নিরবচ্ছিন্ন জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক মনোতোষ কুন্ডু বলেন, “ডিজি অফিসে মৌখিকভাবে বারবার বলা হয়েছে। বর্তমানে আন্তবিভাগের ডাক্তারদের দিয়ে শিফটিং ডিউটির মাধ্যমে ইমার্জেন্সি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।”