অতিরিক্ত দাম নিলে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি লোয়াবের
সরকার নির্ধারিত দামেই এলপি গ্যাস বিক্রির কড়া নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০৭:১৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- / 83
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে রান্নার এলপিজি গ্যাস বিক্রি সুনিশ্চিত করতে ব্যবসায়ী ও বিক্রেতাদের কড়া নির্দেশনা দিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (LOAB)। নির্দিষ্ট মূল্যের অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করলে দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজারমূল্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সভায় মন্ত্রণালয় ও লোয়াবের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত প্রতিনিধিরা জানান, দেশে বর্তমানে এলপিজি গ্যাসের আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও সন্তোষজনক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে ১ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন এবং আগস্ট মাসে ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি দেশে আমদানি করা হয়েছে। লোয়াবের মতে, এই বিপুল পরিমাণ সরবরাহ দেশীয় চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট। ফলে বাজারে কোনো প্রকার কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ নেই।
পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও যদি কোনো অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার কিংবা খুচরা বিক্রেতা বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করেন, তবে তা প্রচলিত আইনের মারাত্মক লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। অসাধু উপায়ে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে জেলা প্রশাসনের কঠোর মনিটরিং ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে অভিযান পরিচালিত হবে।
সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা ও এলপি গ্যাসের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংগঠনের সব সদস্য, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের অনতিবিলম্বে নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে লোয়াব।












