Bangladesh ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়ের নতুন আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন আমাদের পথিকৃৎ সাংবাদিক লিয়াকত হোসেন চীনা বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সুযোগ বাড়াতে ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বিশেষ সমঝোতা অসহায় পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের বাড়ির চাবি হস্তান্তর “মায়ের সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু হলে, সে মৃত্যুই পরম শ্রেয়” বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে ঐতিহাসিক ৪টি সিদ্ধান্ত এলো খাজা বড় চাচাজানের দিশারী বক্তব্য ফেসবুকে এআই দিয়ে তৈরি ছবি ছড়িয়ে মানহানী : থানায় জিডি কনসার্টের উচ্চ শব্দে শিশুদের কষ্টের কথা জেনে ক্ষমা চাইলেন বিএনপি নেতা স্বপন সাংবাদিক আমির খসরু আর নেই শহর ফরিদপুর ও গণিকালয়ের ডেরা: কার কান্না কত ভারী?

মুক্তিপণ দাবির পরদিন মিললো নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মৃতদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / 132

ফরিদপুর সদর উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর ইউসুফ ফকির (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিনখার হাট এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইউসুফ ফকির স্থানীয় মমিনখার হাটের পেঁয়াজ ও রসুন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ওই এলাকার সহির উদ্দিন ফকিরের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় মমিনখার হাট থেকে অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন ইউসুফ। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের ঘটনায় শুক্রবার কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছিল।

নিহতের বড় ভাই গিয়াস ফকির জানান, শুক্রবার ইউসুফের স্ত্রীর মোবাইল ফোনে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে কল করে তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তারা টাকা দিতে রাজিও হয়েছিলেন, কিন্তু রাত থেকেই মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছিল।

শনিবার সকালে স্থানীয়রা পাটক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। মরদেহের মুখ ও শরীরে রাসায়নিক কীটনাশক মাখানো ছিল। উদ্ধারের পর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর শরীরে বিষাক্ত কীটনাশক পাওয়া গেছে। দোষীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।”

এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

হত্যাকান্ডের সঠিক তদন্ত দাবি বিএনপি নেতা এবি সিদ্দিকী মিতুলের:

এদিকে, ইউসুফ ফকিরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উব্দেগ প্রকাশ করে ঘটনাটি সঠিক তদন্ত করে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকী মিতুল। তিনি বলেন, ইউসুফ ফকির অত্যন্ত নিরীহ একজন সাধারণ ব্যবসায়ী ছিলেন। তাকে এবাবে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনাটি উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে জানতে পেরেছি একটি বিদেশী নম্বর থেকে ফোন করে ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল পরিবারের কাছে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করলে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করা অসম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

মুক্তিপণ দাবির পরদিন মিললো নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মৃতদেহ

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুর সদর উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর ইউসুফ ফকির (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিনখার হাট এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইউসুফ ফকির স্থানীয় মমিনখার হাটের পেঁয়াজ ও রসুন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ওই এলাকার সহির উদ্দিন ফকিরের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় মমিনখার হাট থেকে অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন ইউসুফ। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের ঘটনায় শুক্রবার কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছিল।

নিহতের বড় ভাই গিয়াস ফকির জানান, শুক্রবার ইউসুফের স্ত্রীর মোবাইল ফোনে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে কল করে তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তারা টাকা দিতে রাজিও হয়েছিলেন, কিন্তু রাত থেকেই মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছিল।

শনিবার সকালে স্থানীয়রা পাটক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। মরদেহের মুখ ও শরীরে রাসায়নিক কীটনাশক মাখানো ছিল। উদ্ধারের পর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর শরীরে বিষাক্ত কীটনাশক পাওয়া গেছে। দোষীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।”

এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

হত্যাকান্ডের সঠিক তদন্ত দাবি বিএনপি নেতা এবি সিদ্দিকী মিতুলের:

এদিকে, ইউসুফ ফকিরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উব্দেগ প্রকাশ করে ঘটনাটি সঠিক তদন্ত করে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকী মিতুল। তিনি বলেন, ইউসুফ ফকির অত্যন্ত নিরীহ একজন সাধারণ ব্যবসায়ী ছিলেন। তাকে এবাবে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনাটি উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে জানতে পেরেছি একটি বিদেশী নম্বর থেকে ফোন করে ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল পরিবারের কাছে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করলে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করা অসম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।