নাগরিক সচেতনতা হলে কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে
ফেসবুকে প্রতিবাদের পর ডা. সি. স্প্রংক সড়কের খুঁটি অপসারণ হলো
- আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
- / 118
ফরিদপুরের ডা. সি. স্প্রংক সড়কের মাঝখানে অবস্থিত একটি বিদ্যুতের খুঁটি নিয়ে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের পর অবশেষে অপসারণ করা হয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকের ফেসবুক পোস্ট এবং একজন রাজনৈতিক নেতার লাইভের মাধ্যমে বিষয়টি সামনে আসার পর বিদ্যুৎ বিভাগ খুঁটিটি অপসারণের উদ্যোগ নেয়। সাধারণ জনগণ এই উদ্যোগে খুশি।
ফরিদপুরের ডা. সি. স্প্রংক সড়কের মাঝখানে অবস্থিত একটি বিদ্যুতের খুঁটি নিয়ে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের পর অবশেষে অপসারণ করা হয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকের ফেসবুক পোস্ট এবং একজন রাজনৈতিক নেতার লাইভের মাধ্যমে বিষয়টি সামনে আসার পর বিদ্যুৎ বিভাগ খুঁটিটি অপসারণের উদ্যোগ নেয়। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহারের একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ফরিদপুর পৌরসভা ও জেনারেল হাসপাতালের মধ্যবর্তী এই ব্যস্ত সড়কের ঠিক মাঝখানে একটি বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় নিয়মিত যানজট ও দুর্ঘটনা ঘটছিল। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা অভিযোগ করলেও কোনো সমাধান হচ্ছিল না।
গত ১৭ নভেম্বর সাংবাদিক হারুন-অর-রশীদ তাঁর ফেসবুক ওয়ালে ‘ফরিদপুরে রাস্তার মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি, ঘটছে দুর্ঘটনা!’ শিরোনামে একটি পোস্ট করেন। এটি সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল সরাসরি ফেসবুক লাইভে এসে সড়কটির বিপজ্জনক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বিদ্যুৎ বিভাগ ও সিভিল সার্জনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমতের তীব্র চাপের মুখে বিদ্যুৎ বিভাগ নড়েচড়ে বসে। এরপর তারা খুঁটিটি অপসারণের কাজ সম্পন্ন করে।
এ বিষয়ে সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল সাংবাদিকের কাছে দেওয়া তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “ওই খুঁটিটির কারণে শহরে চরম জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছিল। যানজট বেড়ে গিয়েছিল, দুর্ঘটনার আশঙ্কাও ছিল সব সময়। পৌর নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে আমি সিভিল সার্জন ও বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে কথা বলি এবং বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বুঝিয়ে বলি। পরে তারা ব্যবস্থা নেয়।”
তিনি আরও বলেন, “এটা প্রমাণ হয়েছে—নাগরিক সচেতনতা, ফেসবুক পোস্ট ও লাইভ একসঙ্গে হলে প্রশাসনও নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়।”
স্থানীয় বাসিন্দারা একে নাগরিক সচেতনতার প্রভাব হিসেবে দেখছেন। সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল জানান, “নাগরিক সচেতনতা এবং সামাজিক মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার প্রশাসনকে দ্রুত কাজ করতে বাধ্য করে।”













