বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও নদী ভাঙ্গনের বিষয় তিনি তুলে ধরেন
সংসদে ফরিদপুরবাসীর দাবিদাওয়া তুলে ধরলেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এমপি
- আপডেট সময় : ০৪:১৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
- / 84
ফরিদপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তার বক্তব্যে ফরিদপুরবাসীর বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। এসময় তিনি ফরিদপুর বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন সহ সিটি কর্পোরেশনের নামে জনগনের নিকট থেকে অতিরিক্ত ট্যাক্স আদায় ও নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরেন।
জাতীয় সংসদের চলমান প্রথম অধিবেশনে গত সোমবার রাতে তিনি তার এই বক্তব্য তুলে ধরেন।
এসময় চৌধুরী নায়াব ইউসুফ তার বক্তবৃতার শুরুতেই তাকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একইসাথে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও তার বক্তৃতার শুরুতেই স্মরণ করেন।
এরপর নায়াব ইউসুফ ফরিদপুরবাসীর কথা তুলে ধরে বলেন, গত ১৭ বছর ফরিদপুরবাসী বঞ্চিত-লাঞ্ছিত ছিলো। উন্নয়নের নামে ফরিদপুরবাসীর সাথে ধোঁকাবাজি করা হয়েছে। গত একযুগ ধরে শুনে আসছি ফরিদপুর বিভাগ হবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরের নির্বাচনী জনসভায় আমাদের ওয়াদা দিয়েছেন যে- ফরিদপুরকে বিভাগ ঘোষণা করf হবে। আশা করছি, অতি দ্রুত আমরা এই ঘোষণা শুনতে পাবো।
ফরিদপুর-৩ এর এই সংসদ সদস্য বলেন, ফরিদপুর সদরে আমাদের পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ড ছিলো। সেটি ২৭টি ওয়ার্ডে পরিণত করে বর্ধিত পৌরসভা ঘোষণা করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নামে এখনো জনগণের কাছ থেকে ট্যাক্স নেওয়া হচ্ছে। কোন সুযোগসুবিধা বা সিটি কর্পোরেশন এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তিনি বলেন, পদ্মা নদীর পাড়ে আমাদের ফরিদপুরের মানুষের বসবাস। আমাদের সভ্যতা গড়ে উঠেছে এই পদ্মা নদীর উপর নির্ভর করে। আমাদের জীবিকা নির্বাহ হয় এই পদ্মা নদীর উপরে। কিন্তু আজ দুঃখের সাথে বলতে হয়, এই ফারাক্কা বাঁধের কারণে পদ্মা নদী শুকিয়ে নাব্যতা হারিয়েছে। তাই পানি সস্পদ মন্ত্রীর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, আমাদের পদ্মার দিকে আপনাদের যে প্রতিশ্রুতি, সেই পদ্মা বাঁচাও প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন এবং ফরিদপুরের মানুষের জীবন আপনারা বাঁচাবেন।
তিনি আরো বলেন, ফরিদপুর একটি জেলা। অত্যন্ত পুরাতন জেলা এবং শহর। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন বিশ্বিবদ্যালয় স্থাপন হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী যাতে ফরিদপুরে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে সেজন্য তিনি স্পিকারের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ১৯৯২ সালে ফরিদপুরে একটি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এখন ওখানে পাঁচশো বেড, একহাজার বেড ঘোষণা হলেও, যারা ওখানে চিকিৎসা নিতে যায়, তাদের বেডের অভাবে ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হয়।















