০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
ফরিদপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

খালেদা জিয়ার আদর্শ চির অম্লান থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 143

বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে বেগম খালেদা জিয়ার নাম লেখা থাকবে। তার মৃত্যুতে সময় এবং আগামীর মৃত্যু হয়নি, বরং খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চালিকাশক্তি। বেগম জিয়া বলতেন—দেশের বাইরে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই। তিনি দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবাসতেন। তাঁর আদর্শ চির অম্লান থাকবে।”

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় বক্তাগণ একথা বলেন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেলা ৩টায় শুরু হওয়া এই সভায় রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, লেখক, গবেষক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান।

সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই শোকসভার প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।
শোকসভায় বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন
উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ইসলাম, দৈনিক যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) নূরুদ্দিন খান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবীর, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ, অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ নোয়াবের সভাপতি এ কে আজাদ, অর্থনীতিবিদ ও পাবলিক পলিসি বিশ্লেষক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান, ব্রিটিশ আইনজীবী ও মানবাধিকার নেত্রী আইরিন খান, সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পক্ষে-বিশপ সুব্রত বি গোমেজ, আইসিসিবির প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম ফায়েজ, শিক্ষাবিদ ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিকী, কূটনীতিক আনোয়ার হাশিম, গবেষক ও অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. রাশেদ আল তিতুমীর, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক ডা: এফ এম সিদ্দিকী, ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক ও ব্যবসায়ী সিমিন রহমান, বিপিকেএসের সিইও এবং ডিপিআইর প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তার দুলাল, লেখক ও চিন্তক ফাহাম আব্দুস সালাম, ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শোকগাথা পাঠ করেন নাগরিক শোকসভার সমন্বয়ক সালেহ উদ্দিন।

‘বেগম খালেদা জিয়া যখন ভুয়া মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হন, তখন তার পক্ষে কেউ কথা বলেননি। তার বিচারটি ছিল অদ্ভুত ও জঘন্য। তখন এ বিবৃতি নিয়ে অনেক গণমাধ্যমে গিয়েছি। কিন্তু কেউ তা ছাপাতে সাহস করেননি। সময়ের ব্যবধানে একজন নেত্রীর ঠাঁই হয়েছে মানুষের হৃদয়ে। আরেকজন বিতাড়িত ভূমিতে।’
শোকসভায় নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীর বেগম জিয়ার জানাজার বিশাল জনসমুদ্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “খালেদা জিয়া কেবল একটি জাতীয়তাবাদী দলের নেত্রী ছিলেন না; তিনি সত্যিকার অর্থেই মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শালীনতা ও সংযমের যে অভাব আমরা দেখেছি, সেখানে তাঁর রুচিশীলতা ও পরিমিতিবোধ ছিল অতুলনীয়। নিজের ও পরিবারের ওপর চরম দুর্ভোগ নেমে এলেও তিনি কখনো প্রকাশ্যে ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা নিন্দাসূচক বক্তব্য উচ্চারণ করেননি।”
দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামের পতাকা আজ তারেক রহমানের হাতে। এটি যেমন গর্বের, তেমনি বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। কারণ বাংলাদেশের মানুষ সবসময় তারেক রহমানকে তাঁর বাবা-মায়ের সাথে তুলনা করবে।”

অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বেগম জিয়া বলতেন—দেশের বাইরে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই। তিনি দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবাসতেন। তাঁর আদর্শ চির অম্লান থাকবে।” লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদ খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনকে তিনটি ভাগে ভাগ করে তাঁকে ‘নিরপেক্ষ পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অবিহিত করেন। এছাড়া লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাম আবদুস সালাম বলেন, ২০ বছর অত্যাচারের পরও বিএনপি টিকে থাকার মূল কারণ খালেদা জিয়ার দৃঢ়চেতা রাজনীতি।
সভাপতির বক্তব্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম খালেদা জিয়া। তিনি ছিলেন রাজনৈতিক আদর্শ। ব্যক্তিগতভাবে ছিলেন অসাধারণ দৃঢ়চেতা। কঠিন সময়েও চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ধ্বংস নয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মানজনক উপাধি দেয়ার দাবি জানাই।

বক্তারা সম্মিলিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ত্যাগ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

 

ট্যাগ

শেয়ার করুন

খালেদা জিয়ার আদর্শ চির অম্লান থাকবে

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে বেগম খালেদা জিয়ার নাম লেখা থাকবে। তার মৃত্যুতে সময় এবং আগামীর মৃত্যু হয়নি, বরং খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চালিকাশক্তি। বেগম জিয়া বলতেন—দেশের বাইরে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই। তিনি দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবাসতেন। তাঁর আদর্শ চির অম্লান থাকবে।”

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় বক্তাগণ একথা বলেন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেলা ৩টায় শুরু হওয়া এই সভায় রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, লেখক, গবেষক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান।

সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই শোকসভার প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।
শোকসভায় বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন
উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ইসলাম, দৈনিক যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) নূরুদ্দিন খান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবীর, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ, অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ নোয়াবের সভাপতি এ কে আজাদ, অর্থনীতিবিদ ও পাবলিক পলিসি বিশ্লেষক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান, ব্রিটিশ আইনজীবী ও মানবাধিকার নেত্রী আইরিন খান, সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পক্ষে-বিশপ সুব্রত বি গোমেজ, আইসিসিবির প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম ফায়েজ, শিক্ষাবিদ ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিকী, কূটনীতিক আনোয়ার হাশিম, গবেষক ও অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. রাশেদ আল তিতুমীর, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক ডা: এফ এম সিদ্দিকী, ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক ও ব্যবসায়ী সিমিন রহমান, বিপিকেএসের সিইও এবং ডিপিআইর প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তার দুলাল, লেখক ও চিন্তক ফাহাম আব্দুস সালাম, ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শোকগাথা পাঠ করেন নাগরিক শোকসভার সমন্বয়ক সালেহ উদ্দিন।

‘বেগম খালেদা জিয়া যখন ভুয়া মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হন, তখন তার পক্ষে কেউ কথা বলেননি। তার বিচারটি ছিল অদ্ভুত ও জঘন্য। তখন এ বিবৃতি নিয়ে অনেক গণমাধ্যমে গিয়েছি। কিন্তু কেউ তা ছাপাতে সাহস করেননি। সময়ের ব্যবধানে একজন নেত্রীর ঠাঁই হয়েছে মানুষের হৃদয়ে। আরেকজন বিতাড়িত ভূমিতে।’
শোকসভায় নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীর বেগম জিয়ার জানাজার বিশাল জনসমুদ্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “খালেদা জিয়া কেবল একটি জাতীয়তাবাদী দলের নেত্রী ছিলেন না; তিনি সত্যিকার অর্থেই মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শালীনতা ও সংযমের যে অভাব আমরা দেখেছি, সেখানে তাঁর রুচিশীলতা ও পরিমিতিবোধ ছিল অতুলনীয়। নিজের ও পরিবারের ওপর চরম দুর্ভোগ নেমে এলেও তিনি কখনো প্রকাশ্যে ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা নিন্দাসূচক বক্তব্য উচ্চারণ করেননি।”
দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামের পতাকা আজ তারেক রহমানের হাতে। এটি যেমন গর্বের, তেমনি বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। কারণ বাংলাদেশের মানুষ সবসময় তারেক রহমানকে তাঁর বাবা-মায়ের সাথে তুলনা করবে।”

অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বেগম জিয়া বলতেন—দেশের বাইরে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই। তিনি দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবাসতেন। তাঁর আদর্শ চির অম্লান থাকবে।” লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদ খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনকে তিনটি ভাগে ভাগ করে তাঁকে ‘নিরপেক্ষ পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অবিহিত করেন। এছাড়া লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাম আবদুস সালাম বলেন, ২০ বছর অত্যাচারের পরও বিএনপি টিকে থাকার মূল কারণ খালেদা জিয়ার দৃঢ়চেতা রাজনীতি।
সভাপতির বক্তব্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম খালেদা জিয়া। তিনি ছিলেন রাজনৈতিক আদর্শ। ব্যক্তিগতভাবে ছিলেন অসাধারণ দৃঢ়চেতা। কঠিন সময়েও চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ধ্বংস নয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মানজনক উপাধি দেয়ার দাবি জানাই।

বক্তারা সম্মিলিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ত্যাগ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।