০২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে শিকারি সাংবাদিকতার তদন্ত দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন স্মারকলিপি

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয় ৭ বছরের শিশু কবিতাকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / 56

ফরিদপুরে নিখোঁজের ছয়দিন পর উদ্ধার হওয়া ৭ বছর বয়সী শিশু আইরিন আক্তার বিনা কবিতা হত্যা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (০১ মে) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কোতয়ালী থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— একই গ্রামের ইবাদত মৃধার ছেলে ইসরাফিল মৃধা (২৪), মৃত আবুল কালাম আজাদ এর স্ত্রী নাছিমা বেগম (৪৫) এবং তার ছেলে শেখ আমিন (১৯)।
নাসিমা ও তার ছেলে আমিনকে লাশ গোপনে সহযোগীতা করার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন এ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ইসরাফিল জানিয়েছে সে ওইদিন সন্ধ্যায় ইয়াবা সেবন করার পরে শিশু কবিতাকে চকলেট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে বাখুন্ডা আশ্রয়ন কেন্দ্রে আশিকের পরিত্যাক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে সে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ধর্ষনে ব্যর্থ হয়ে ইসরাফিল শিশুটির গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহ পাশেই নাছিমা বেগমের বাড়ির টয়লেট এর ট্যাংকিতে ফেলে দেয়।
২৮ এপ্রিল ট্যাংকি থেকে গন্ধ বের হলে নাসিমা ঢাকনা তুলে লাশ দেখতে পেয়ে ভীত হয়ে পড়েন।
এএসপি জানান, শিশু হত্যার দায় তাদের উপর চাপতে পারে এই ভয়ে নাসিমা তার ছেলে আমিন ও রহমানকে সাথে নিয়ে মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে বাড়ির অদুরে নিয়ে একটি কলাবাগানে ফেলে রাখেন। ৩০ এপ্রিল কলাবাগানে কাজ করার সময় স্থানীয় দু’জন মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। জিজ্ঞাসাবাদে ইসরাফিল একাই শিশুটিকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কবিতার পরনের জামা, স্যান্ডেল, লাশ বহনের জন্য ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ড্রাম এবং একটি কম্বল উদ্ধার করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয় ৭ বছরের শিশু কবিতাকে

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

ফরিদপুরে নিখোঁজের ছয়দিন পর উদ্ধার হওয়া ৭ বছর বয়সী শিশু আইরিন আক্তার বিনা কবিতা হত্যা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (০১ মে) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কোতয়ালী থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— একই গ্রামের ইবাদত মৃধার ছেলে ইসরাফিল মৃধা (২৪), মৃত আবুল কালাম আজাদ এর স্ত্রী নাছিমা বেগম (৪৫) এবং তার ছেলে শেখ আমিন (১৯)।
নাসিমা ও তার ছেলে আমিনকে লাশ গোপনে সহযোগীতা করার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন এ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ইসরাফিল জানিয়েছে সে ওইদিন সন্ধ্যায় ইয়াবা সেবন করার পরে শিশু কবিতাকে চকলেট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে বাখুন্ডা আশ্রয়ন কেন্দ্রে আশিকের পরিত্যাক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে সে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ধর্ষনে ব্যর্থ হয়ে ইসরাফিল শিশুটির গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহ পাশেই নাছিমা বেগমের বাড়ির টয়লেট এর ট্যাংকিতে ফেলে দেয়।
২৮ এপ্রিল ট্যাংকি থেকে গন্ধ বের হলে নাসিমা ঢাকনা তুলে লাশ দেখতে পেয়ে ভীত হয়ে পড়েন।
এএসপি জানান, শিশু হত্যার দায় তাদের উপর চাপতে পারে এই ভয়ে নাসিমা তার ছেলে আমিন ও রহমানকে সাথে নিয়ে মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে বাড়ির অদুরে নিয়ে একটি কলাবাগানে ফেলে রাখেন। ৩০ এপ্রিল কলাবাগানে কাজ করার সময় স্থানীয় দু’জন মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। জিজ্ঞাসাবাদে ইসরাফিল একাই শিশুটিকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কবিতার পরনের জামা, স্যান্ডেল, লাশ বহনের জন্য ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ড্রাম এবং একটি কম্বল উদ্ধার করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।