০৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হলেন ডা. নাদিম ছিলেন না নায়াব ইউসুফ, মিটিং কাভার করতে পারলেন না সাংবাদিকেরা “হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি” একসাথে ৩ মেলার সমালোচনা : জবাবে যা বললেন নারী উদ্যোক্তা লুবাবা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই নেতারা এখন কে কোথায় নদীর নাম মালঞ্চ পেয়েছে সরকারি স্বীকৃতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘ডিজিটাল ইভটিজিং’ ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোলপাড় আমার মুর্শিদ হযরত মাওলানা শাহসুফী ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ভাঙ্গায় পিকআপ-পরিবহন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করছে তেলবাহী তিনটি সুপার ট্যাংকার
নবী সা. কে কটুক্তির সাজা মৃত্যুদণ্ড করে আইন প্রণয়নের দাবি

“হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি”

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 42

হাজী শরিয়তুল্লাহরা যদি ১৯৪৭ সাল না এনে দিতো তাহলে আমরা ১৯৭১ সাল পেতাম না। তাঁদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি।”

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্যে মাদারীপুর-১ (শিবচর-মাদারীপুর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য পীরজাদা হানযালা একথা বলেন। এসময় তিনি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান এবং তারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় না করলেও নবী সা. এর নামে কটুক্তি করলে তাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় উল্লেখ করে বলেন, আমরা সংসদে দাবি করছি, যদি কেউ নবী সা. কে নিয়ে কটুক্তি করে, তাহলে তার যেনো মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

পীরজাদা হানযালা বলেন, “আমি যেই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছি, সেই আসন থেকে বাংলার একজন ঐতিহাসিক নক্ষত্রতূল্য মানবের জন্ম হয়েছে। যাঁর জন্ম না হলে, তাদের আন্দোলন না থাকলে, ১৯৪৭ সাল হতো কিনা জানিনা। কারণ তাঁরা নিজের জীবনকে বাজি রেখে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন করেছেন এবং আল্লাহপাকের কাছে অশেষ শুকরিয়া জানাই যে, সেই ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম একজন নেতা হাজী শরীতুল্লাহ রহ. এর সেই বংশের একজন হিসেবে আল্লাহ আমাকেও কবুল করেছেন।

তিনি বলেন, “হাজী শরীয়তুল্লাহ যেভাবে এদেশকে অন্যায়-অবিচার থেকে মুক্ত করার জন্য, এদেশের মানুষ ছিলো নির্যাতিত, এদেশের কৃষকেরা ছিলো নির্যাতিত, এদেশের মুসলমানেরা ছিলো নির্যাতিত। একদিকে ব্রিটিশ মুসলমানদের উপর অত্যাচার করছিলো, আরেকদিক থেকে হিন্দু জমিদাররা তারা মুসলমানদের উপর একচেটিয়া অন্যায়-অবিচারের স্টিম রুলার চালিয়ে যাচ্ছিলো।

তখনই এই বাংলার বুকে হাজী শরিয়তুল্লাহর আগমন হয়। এবং তিনি ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আসে ১৯৪৭ সাল। এবং সেই ১৯৪৭ সাল পাওয়ার কারণেই আমরা ১৯৭১ সাল পেয়েছি।
সংসদের এই নবীন সদস্য বলেন, “বিরোধী দল মানেই খালি বিরোধিতা করা নয়। সরকারি দল কোন ভালো কাজ করলে বিরোধী মঞ্চে দাড়িয়েও আমরা তাদের প্রশংসা করতে দ্বিধা করবোনা।”

তিনি সরকারি দলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “সরকারি দলে যারা রয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাবো। কারণ মাননীয় স্পিকার আপনি যেখানে বসেছেন, আপনার মাথার উপরে লেখা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)। অবশ্যই এটা তাদের অবদান। এটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নাই। আপনার মাথার উপরে যদি আবার তাকাই, তাহলে ওখানে দেখি লেখা- বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এই লেখা দেখলে আমাদের ভালো লাগে। এইগুলো আমরা ফেরত পেয়েছি। সরকারি দলের প্রশংসা করতে হলে আমরা এইভাবে করবো।

সরকারি দল কোন ভালো কাজ করলে আমরা তাদের প্রশংসা করবো। আর তাদের কোন ভুল দেখলে আমরা তানিয়েও এই বেঞ্চ থেকে আমরা প্রতিবাদ করবো। এইটাই আমাদের কাজ মাননীয় স্পিকার।”

শেয়ার করুন

নবী সা. কে কটুক্তির সাজা মৃত্যুদণ্ড করে আইন প্রণয়নের দাবি

“হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি”

আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

হাজী শরিয়তুল্লাহরা যদি ১৯৪৭ সাল না এনে দিতো তাহলে আমরা ১৯৭১ সাল পেতাম না। তাঁদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি।”

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্যে মাদারীপুর-১ (শিবচর-মাদারীপুর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য পীরজাদা হানযালা একথা বলেন। এসময় তিনি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান এবং তারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় না করলেও নবী সা. এর নামে কটুক্তি করলে তাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় উল্লেখ করে বলেন, আমরা সংসদে দাবি করছি, যদি কেউ নবী সা. কে নিয়ে কটুক্তি করে, তাহলে তার যেনো মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

পীরজাদা হানযালা বলেন, “আমি যেই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছি, সেই আসন থেকে বাংলার একজন ঐতিহাসিক নক্ষত্রতূল্য মানবের জন্ম হয়েছে। যাঁর জন্ম না হলে, তাদের আন্দোলন না থাকলে, ১৯৪৭ সাল হতো কিনা জানিনা। কারণ তাঁরা নিজের জীবনকে বাজি রেখে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন করেছেন এবং আল্লাহপাকের কাছে অশেষ শুকরিয়া জানাই যে, সেই ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম একজন নেতা হাজী শরীতুল্লাহ রহ. এর সেই বংশের একজন হিসেবে আল্লাহ আমাকেও কবুল করেছেন।

তিনি বলেন, “হাজী শরীয়তুল্লাহ যেভাবে এদেশকে অন্যায়-অবিচার থেকে মুক্ত করার জন্য, এদেশের মানুষ ছিলো নির্যাতিত, এদেশের কৃষকেরা ছিলো নির্যাতিত, এদেশের মুসলমানেরা ছিলো নির্যাতিত। একদিকে ব্রিটিশ মুসলমানদের উপর অত্যাচার করছিলো, আরেকদিক থেকে হিন্দু জমিদাররা তারা মুসলমানদের উপর একচেটিয়া অন্যায়-অবিচারের স্টিম রুলার চালিয়ে যাচ্ছিলো।

তখনই এই বাংলার বুকে হাজী শরিয়তুল্লাহর আগমন হয়। এবং তিনি ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আসে ১৯৪৭ সাল। এবং সেই ১৯৪৭ সাল পাওয়ার কারণেই আমরা ১৯৭১ সাল পেয়েছি।
সংসদের এই নবীন সদস্য বলেন, “বিরোধী দল মানেই খালি বিরোধিতা করা নয়। সরকারি দল কোন ভালো কাজ করলে বিরোধী মঞ্চে দাড়িয়েও আমরা তাদের প্রশংসা করতে দ্বিধা করবোনা।”

তিনি সরকারি দলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “সরকারি দলে যারা রয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাবো। কারণ মাননীয় স্পিকার আপনি যেখানে বসেছেন, আপনার মাথার উপরে লেখা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)। অবশ্যই এটা তাদের অবদান। এটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নাই। আপনার মাথার উপরে যদি আবার তাকাই, তাহলে ওখানে দেখি লেখা- বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এই লেখা দেখলে আমাদের ভালো লাগে। এইগুলো আমরা ফেরত পেয়েছি। সরকারি দলের প্রশংসা করতে হলে আমরা এইভাবে করবো।

সরকারি দল কোন ভালো কাজ করলে আমরা তাদের প্রশংসা করবো। আর তাদের কোন ভুল দেখলে আমরা তানিয়েও এই বেঞ্চ থেকে আমরা প্রতিবাদ করবো। এইটাই আমাদের কাজ মাননীয় স্পিকার।”