পিংকের দখল নিয়ে ডিভোর্সী দম্পতির দ্বন্দ্ব, মাথা ফাটলো কর্মচারীর
- আপডেট সময় : ১১:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
- / 1742
শহরের পূর্ব খাবাসপুর মোড়ের পাশে হিতৈষী স্কুলের সামনে পিংক নামে শোরুমের সামনে শনিবার বিকেলে তোলা ছবি। -অগ্নিপ্রহর
শহরের পূর্ব খাবাসপুর মোড়ে ‘পিংক’ কসমেটিকস ও গার্মেন্ট শোরুমের মালিকানা নিয়ে এক ডিভোর্সী দম্পতির দ্বন্দ্বের জের ধরে আশা (৩৭) নামে এক সেলসম্যান আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেলে পিংকের শোরুমের ভিতরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওয়ারলেসপাড়ার হৃদয়ের সাথে তার সদ্য ডভোর্সি স্ত্রী সৈয়দা আফসানার পিংকের দখল ও মালিকানা ছাড়াও পারিবারীক গন্ডগোল চলছে। বিকেলে পৌনে ৬টার দিকে পিংক শোরুম থেকে ‘ওমারে, গেলাম রে…, বলতে বলতে ওই দোকানের কর্মচারী আশাকে একটি রিকশায় করে হাসপাতালে যেতে দেখা যায়। উত্তপ্ত ওই স্পটে পিংকের সামনে পাওয়া যায় হৃদয়ের বাবা ইমরোজকে।
জানতে চাইলে ইমরোজ বলেন, ‘‘দোকানের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংকের লোন সব আমার ছেলের নামে। আমার বড় বোনের এই জায়গায় ফিফটি পার্সেন্ট পার্টনারশিপ। আমার ছেলের বউ সে কোনকিছুই মানেনা। এখন সে সম্পূর্ণই দাবি করতেছে। সে এখন মাইর্যা এই দোকানে কাজ করে আমার বোন আশার মাথা ফাটায় দিছে। সে এখন হাসপাতালে।’’
এসময় পিংকের শোরুমের কাউন্টারে বসা আফসানা মিমির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘গত ৯ দিন যাবত আমার হাজব্যান্ড শ্বশুর, শ্বশুর, ফুফা শ্বশুর আমাকে নির্যাতন করতেছে। আবার আমার নামে মামলা দিছে। আমিও মামলা দিছি। বলছি আপনারা কোর্টে আসেন। তারা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাইতেছে। সকাল থেকে এসে টাকা ও জিনিস, যা আছে হাতের কাছে পাইতেছে নিয়ে যাবে। আমার ট্রেড লাইসেন্স ছিড়ে ফেলছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমার ফুফু শাশুড়ি এসে এগুলো ভিডিও করতেছে। আমি বলছি আপনি একটু পাঁচটা দিন অফ যান। যেহেতু এখানটায় ঝামেলাপূর্ণ, অফ যান। সে কালকে শুনে নাই। আজকে শুনে নাই। আজকেও সেম করছে। তারপর আমার শ্বশুর, দেবর আর ফুফা শাশুড়ি এসে এখানটায় পুরা আক্রমণ করছে।’’
‘‘আমি বলছি আপনি কেনো আসছেন? টাকা নেওয়ার জন্য আসছেন? আপনার ছেলে আসতে পারেনা তাই আপনি আসছেন। যখন বলছে, হ্যাঁ টাকা নিতে আসছি, আমি রেগে এইটা চ্যাঙ্গা দিছি আর উনার লাগছে। এইটা পাওয়ার সাথে সাথে উনি বলতেছে, মাথা ফাইট্যা গ্যাছে।’’
এব্যাপারে কোতয়ালী থানার এসআই হিরামন বলেন, ঝামেলার খবর পেয়ে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। মালিকানা সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে ঝামেলা হইছে। এব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না। উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে বলতে পারবেন।












