০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
ছিলেন না নায়াব ইউসুফ, মিটিং কাভার করতে পারলেন না সাংবাদিকেরা “হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি” একসাথে ৩ মেলার সমালোচনা : জবাবে যা বললেন নারী উদ্যোক্তা লুবাবা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই নেতারা এখন কে কোথায় নদীর নাম মালঞ্চ পেয়েছে সরকারি স্বীকৃতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘ডিজিটাল ইভটিজিং’ ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোলপাড় আমার মুর্শিদ হযরত মাওলানা শাহসুফী ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ভাঙ্গায় পিকআপ-পরিবহন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করছে তেলবাহী তিনটি সুপার ট্যাংকার ইরানে-যুক্তরাষ্ট্র শাস্তি আলোচনা সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো

ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ১৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 57

দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রায় একশো শিশুর মৃত্যুর খবরে তোলপাড় চলছে। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন দুই মন্ত্রীকে সারাদেশ ঘুরে অবস্থা পর্যালোচনার জন্য।

জানা গেছে, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে হামে আক্রান্ত হয়ে ১০০ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। তিনি দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। দুজন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন সারা দেশ ঘুরে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিতে।’

সম্প্রতি সারাদেশে হাম আক্রান্ত হয়ে শিশুদের মৃত্যুর খবর আসছে। এরমধ্যে শুধু রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই গত ৩ মাসে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৩ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশে এখনো শিশুদের মাঝে হামে আক্রান্ত হওয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফরিদপুর জেলা সিভিল ডা. মাহমুদুল হাসানের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদিনই দু’একজন করে শিশু হামের লক্ষ্মণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। সর্বশেষ সোমবার পর্যন্ত ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে হামের লক্ষ্মণ নিয়ে ১৪টি শিশু ভর্তি রয়েছে। তবে ফরিদপুর জেলায় কোন শিশুর হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর রেকর্ড নেই এসময়ে।

তিনি জানান, আক্রান্ত শিশুদের স্যাম্পল ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল আসলেই বোঝা যাবে, তারা হাম আক্রান্ত কিনা। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।

এর মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলায় হামে একটি শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন জানান, স্বাস্থ্য বিভাগ হাম-রুবেলা সহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে টিকা প্রদান করে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী ৯৫ ভাগ শিশুকে এ টিকা দেওয়া হয়। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপে এটি ৮৪ পার্সেন্ট বলা হয়েছে।

এই ১৬ পার্সেন্ট শিশু বাদ পড়ছে, যাদের হাম আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। প্রতিবছর সরকার শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে নরমাল ভ্যাকসিন দিয়ে আসলেও গত ৬/৭ বছর যাবত কোন ক্যাম্প হচ্ছে না। বাদ পড়া শিশুদের জন্য ক্যাম্পিং করে টিকা দেওয়া হলে একটি প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ১৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রায় একশো শিশুর মৃত্যুর খবরে তোলপাড় চলছে। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন দুই মন্ত্রীকে সারাদেশ ঘুরে অবস্থা পর্যালোচনার জন্য।

জানা গেছে, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে হামে আক্রান্ত হয়ে ১০০ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। তিনি দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। দুজন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন সারা দেশ ঘুরে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিতে।’

সম্প্রতি সারাদেশে হাম আক্রান্ত হয়ে শিশুদের মৃত্যুর খবর আসছে। এরমধ্যে শুধু রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই গত ৩ মাসে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৩ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশে এখনো শিশুদের মাঝে হামে আক্রান্ত হওয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফরিদপুর জেলা সিভিল ডা. মাহমুদুল হাসানের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদিনই দু’একজন করে শিশু হামের লক্ষ্মণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। সর্বশেষ সোমবার পর্যন্ত ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে হামের লক্ষ্মণ নিয়ে ১৪টি শিশু ভর্তি রয়েছে। তবে ফরিদপুর জেলায় কোন শিশুর হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর রেকর্ড নেই এসময়ে।

তিনি জানান, আক্রান্ত শিশুদের স্যাম্পল ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল আসলেই বোঝা যাবে, তারা হাম আক্রান্ত কিনা। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।

এর মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলায় হামে একটি শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন জানান, স্বাস্থ্য বিভাগ হাম-রুবেলা সহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে টিকা প্রদান করে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী ৯৫ ভাগ শিশুকে এ টিকা দেওয়া হয়। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপে এটি ৮৪ পার্সেন্ট বলা হয়েছে।

এই ১৬ পার্সেন্ট শিশু বাদ পড়ছে, যাদের হাম আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। প্রতিবছর সরকার শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে নরমাল ভ্যাকসিন দিয়ে আসলেও গত ৬/৭ বছর যাবত কোন ক্যাম্প হচ্ছে না। বাদ পড়া শিশুদের জন্য ক্যাম্পিং করে টিকা দেওয়া হলে একটি প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।