০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হলেন ডা. নাদিম ছিলেন না নায়াব ইউসুফ, মিটিং কাভার করতে পারলেন না সাংবাদিকেরা “হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি” একসাথে ৩ মেলার সমালোচনা : জবাবে যা বললেন নারী উদ্যোক্তা লুবাবা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই নেতারা এখন কে কোথায় নদীর নাম মালঞ্চ পেয়েছে সরকারি স্বীকৃতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘ডিজিটাল ইভটিজিং’ ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোলপাড় আমার মুর্শিদ হযরত মাওলানা শাহসুফী ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ভাঙ্গায় পিকআপ-পরিবহন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করছে তেলবাহী তিনটি সুপার ট্যাংকার

ঈদের ছুটিতে ফরিদপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ব্যস্ততা, ৪ নবজাতকের জন্ম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / 54

ফরিদপুর মা শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ঈদের ছুটিতে ভূমিষ্ট হয় ৪ নবজাতক। ছবি- অগ্নিপ্রহর

এবারের ঈদের ছুটিতে ফরিদপুরের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে জন্ম নিয়েছে ৪ নবজাতক। যাদের ৩ জন মায়ের স্বাভাবিক ডেলিভারি  ও অপরজনের সিজারিয়ান করা হয়েছে। এসময় গর্ভকালীন সেবা প্রদান করা হয়েছে ১০ জন প্রসূতি মায়ের। এছাড়া গর্ভকালীন সেবা ও প্রসবোত্তর সেবা নিয়েছে আরো কয়েকজন। সবমিলিয়ে সারাদশে যখন মানুষ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পরিবারের সাথে সময় কাটাচ্ছিলেন, তখন ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রসূতি মায়েদের জরুরি সেবা দিতে ডাক্তার, নার্স, দাঈ ও অন্যান্যরা ছিলেন প্রসূতি সেবার ব্যস্ততায়। ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবারের ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ২৬ জন প্রসূতি মাকে জরুরি সেবা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ডেলিভারি গর্ভকালীন সেবা ছাড়াও প্রসবোত্তর সেবা দেওয়া হয়েছে ৪ জনকে। অন্যান্যদের আইইউডি, সুখী খাবার বড়ি ও আরটিআই সেবা দেওয়া হয়।

এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন মেডিক্যাল অফিসার (ক্লিনিক)  ডা. আরিফুন নাহার আশা ও মেডিক্যাল অফিসার (এমসিএইচ-এফসি) ডা. গীতা গাইন। এছাড়া পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নূরজাহান বেগম ও তমালিকা গোস্বামী, দাই নার্স লিপিকা রানী রায়, সহকারী নার্সিং এটেন্টডেন্ট পবিত্রা পান্ডে ও ক্লিনার রত্না রানী এসব জরুরি সেবা দিয়ে যান সংশ্লিষ্টদের।

ফরিদপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান জানান, ফরিদপুর বিভাগের উপ-পরিচালক কাজী ফারুক আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সপ্তাহের সাতদিনের ২৪ ঘন্টাই  জরুরি সেবা দেওয়া হয়। গর্ভবর্তী মায়েদের জরুরি চিকিৎসার কথা বিবেচনা করে ঈদের সরকারি ছুটিতে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আউটডোরের সেবা বন্ধ থাকলেও চালু ছিলো জরুরি সেবা।

শেয়ার করুন

ঈদের ছুটিতে ফরিদপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ব্যস্ততা, ৪ নবজাতকের জন্ম

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

এবারের ঈদের ছুটিতে ফরিদপুরের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে জন্ম নিয়েছে ৪ নবজাতক। যাদের ৩ জন মায়ের স্বাভাবিক ডেলিভারি  ও অপরজনের সিজারিয়ান করা হয়েছে। এসময় গর্ভকালীন সেবা প্রদান করা হয়েছে ১০ জন প্রসূতি মায়ের। এছাড়া গর্ভকালীন সেবা ও প্রসবোত্তর সেবা নিয়েছে আরো কয়েকজন। সবমিলিয়ে সারাদশে যখন মানুষ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পরিবারের সাথে সময় কাটাচ্ছিলেন, তখন ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রসূতি মায়েদের জরুরি সেবা দিতে ডাক্তার, নার্স, দাঈ ও অন্যান্যরা ছিলেন প্রসূতি সেবার ব্যস্ততায়। ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবারের ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ২৬ জন প্রসূতি মাকে জরুরি সেবা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ডেলিভারি গর্ভকালীন সেবা ছাড়াও প্রসবোত্তর সেবা দেওয়া হয়েছে ৪ জনকে। অন্যান্যদের আইইউডি, সুখী খাবার বড়ি ও আরটিআই সেবা দেওয়া হয়।

এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন মেডিক্যাল অফিসার (ক্লিনিক)  ডা. আরিফুন নাহার আশা ও মেডিক্যাল অফিসার (এমসিএইচ-এফসি) ডা. গীতা গাইন। এছাড়া পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নূরজাহান বেগম ও তমালিকা গোস্বামী, দাই নার্স লিপিকা রানী রায়, সহকারী নার্সিং এটেন্টডেন্ট পবিত্রা পান্ডে ও ক্লিনার রত্না রানী এসব জরুরি সেবা দিয়ে যান সংশ্লিষ্টদের।

ফরিদপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান জানান, ফরিদপুর বিভাগের উপ-পরিচালক কাজী ফারুক আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সপ্তাহের সাতদিনের ২৪ ঘন্টাই  জরুরি সেবা দেওয়া হয়। গর্ভবর্তী মায়েদের জরুরি চিকিৎসার কথা বিবেচনা করে ঈদের সরকারি ছুটিতে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আউটডোরের সেবা বন্ধ থাকলেও চালু ছিলো জরুরি সেবা।