০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
ফরিদপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

ঈদের ছুটিতে ফরিদপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ব্যস্ততা, ৪ নবজাতকের জন্ম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / 77

এবারের ঈদের ছুটিতে ফরিদপুরের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে জন্ম নিয়েছে ৪ নবজাতক। যাদের ৩ জন মায়ের স্বাভাবিক ডেলিভারি  ও অপরজনের সিজারিয়ান করা হয়েছে। এসময় গর্ভকালীন সেবা প্রদান করা হয়েছে ১০ জন প্রসূতি মায়ের। এছাড়া গর্ভকালীন সেবা ও প্রসবোত্তর সেবা নিয়েছে আরো কয়েকজন। সবমিলিয়ে সারাদশে যখন মানুষ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পরিবারের সাথে সময় কাটাচ্ছিলেন, তখন ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রসূতি মায়েদের জরুরি সেবা দিতে ডাক্তার, নার্স, দাঈ ও অন্যান্যরা ছিলেন প্রসূতি সেবার ব্যস্ততায়। ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবারের ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ২৬ জন প্রসূতি মাকে জরুরি সেবা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ডেলিভারি গর্ভকালীন সেবা ছাড়াও প্রসবোত্তর সেবা দেওয়া হয়েছে ৪ জনকে। অন্যান্যদের আইইউডি, সুখী খাবার বড়ি ও আরটিআই সেবা দেওয়া হয়।

এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন মেডিক্যাল অফিসার (ক্লিনিক)  ডা. আরিফুন নাহার আশা ও মেডিক্যাল অফিসার (এমসিএইচ-এফসি) ডা. গীতা গাইন। এছাড়া পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নূরজাহান বেগম ও তমালিকা গোস্বামী, দাই নার্স লিপিকা রানী রায়, সহকারী নার্সিং এটেন্টডেন্ট পবিত্রা পান্ডে ও ক্লিনার রত্না রানী এসব জরুরি সেবা দিয়ে যান সংশ্লিষ্টদের।

ফরিদপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান জানান, ফরিদপুর বিভাগের উপ-পরিচালক কাজী ফারুক আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সপ্তাহের সাতদিনের ২৪ ঘন্টাই  জরুরি সেবা দেওয়া হয়। গর্ভবর্তী মায়েদের জরুরি চিকিৎসার কথা বিবেচনা করে ঈদের সরকারি ছুটিতে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আউটডোরের সেবা বন্ধ থাকলেও চালু ছিলো জরুরি সেবা।

শেয়ার করুন

ঈদের ছুটিতে ফরিদপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ব্যস্ততা, ৪ নবজাতকের জন্ম

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

এবারের ঈদের ছুটিতে ফরিদপুরের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে জন্ম নিয়েছে ৪ নবজাতক। যাদের ৩ জন মায়ের স্বাভাবিক ডেলিভারি  ও অপরজনের সিজারিয়ান করা হয়েছে। এসময় গর্ভকালীন সেবা প্রদান করা হয়েছে ১০ জন প্রসূতি মায়ের। এছাড়া গর্ভকালীন সেবা ও প্রসবোত্তর সেবা নিয়েছে আরো কয়েকজন। সবমিলিয়ে সারাদশে যখন মানুষ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পরিবারের সাথে সময় কাটাচ্ছিলেন, তখন ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রসূতি মায়েদের জরুরি সেবা দিতে ডাক্তার, নার্স, দাঈ ও অন্যান্যরা ছিলেন প্রসূতি সেবার ব্যস্ততায়। ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবারের ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ফরিদপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ২৬ জন প্রসূতি মাকে জরুরি সেবা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ডেলিভারি গর্ভকালীন সেবা ছাড়াও প্রসবোত্তর সেবা দেওয়া হয়েছে ৪ জনকে। অন্যান্যদের আইইউডি, সুখী খাবার বড়ি ও আরটিআই সেবা দেওয়া হয়।

এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন মেডিক্যাল অফিসার (ক্লিনিক)  ডা. আরিফুন নাহার আশা ও মেডিক্যাল অফিসার (এমসিএইচ-এফসি) ডা. গীতা গাইন। এছাড়া পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নূরজাহান বেগম ও তমালিকা গোস্বামী, দাই নার্স লিপিকা রানী রায়, সহকারী নার্সিং এটেন্টডেন্ট পবিত্রা পান্ডে ও ক্লিনার রত্না রানী এসব জরুরি সেবা দিয়ে যান সংশ্লিষ্টদের।

ফরিদপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান জানান, ফরিদপুর বিভাগের উপ-পরিচালক কাজী ফারুক আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সপ্তাহের সাতদিনের ২৪ ঘন্টাই  জরুরি সেবা দেওয়া হয়। গর্ভবর্তী মায়েদের জরুরি চিকিৎসার কথা বিবেচনা করে ঈদের সরকারি ছুটিতে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আউটডোরের সেবা বন্ধ থাকলেও চালু ছিলো জরুরি সেবা।