০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
ফরিদপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
নারীপ্রধান পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা ভাতা

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 96

‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে নতুন একটি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সরকার জানিয়েছে, এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। উপকারভোগীরা তাঁদের সুবিধামতো মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন, ফলে ঘরে বসেই তারা ভাতা পেয়ে যাবেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এ কর্মসূচির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে কর্মসূচিটি চালুর জন্য আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

যেসব নারী পরিবারপ্রধান এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ভাতা পাবেন, তারা যদি আগে থেকে অন্য কোনো সরকারি সহায়তা বা ভাতা পেয়ে থাকেন, তাহলে সেই ভাতা বাতিল হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাদের চলমান ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।

এছাড়া কোনো পরিবারের সদস্য যদি সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে বেতন, অনুদান বা পেনশন পেয়ে থাকেন, অথবা নারী গৃহপ্রধান যদি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারী হিসেবে কর্মরত থাকেন, তাহলে সেই পরিবার এই ভাতার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না।

একইভাবে, কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে, অথবা তাদের কাছে বিলাসবহুল সম্পদ যেমন গাড়ি বা এসি থাকলে কিংবা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলেও তারা এই কর্মসূচির আওতায় আসতে পারবে না।

শেয়ার করুন

নারীপ্রধান পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা ভাতা

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে নতুন একটি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সরকার জানিয়েছে, এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। উপকারভোগীরা তাঁদের সুবিধামতো মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন, ফলে ঘরে বসেই তারা ভাতা পেয়ে যাবেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এ কর্মসূচির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে কর্মসূচিটি চালুর জন্য আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

যেসব নারী পরিবারপ্রধান এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ভাতা পাবেন, তারা যদি আগে থেকে অন্য কোনো সরকারি সহায়তা বা ভাতা পেয়ে থাকেন, তাহলে সেই ভাতা বাতিল হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাদের চলমান ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।

এছাড়া কোনো পরিবারের সদস্য যদি সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে বেতন, অনুদান বা পেনশন পেয়ে থাকেন, অথবা নারী গৃহপ্রধান যদি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারী হিসেবে কর্মরত থাকেন, তাহলে সেই পরিবার এই ভাতার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না।

একইভাবে, কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে, অথবা তাদের কাছে বিলাসবহুল সম্পদ যেমন গাড়ি বা এসি থাকলে কিংবা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলেও তারা এই কর্মসূচির আওতায় আসতে পারবে না।