ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে রেডিও টেকনোলজিস্ট না থাকায় নিয়মিত এক্স-রে সেবা ব্যাহত হচ্ছে : ভোগান্তিতে রোগিরা।
- আপডেট সময় : ০৪:১১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
- / 5
বর্তমানে জেনারেল হাসপাতালে সপ্তাহে মাত্র দুই দিন, শনিবার ও মঙ্গলবার—এক্স-রে করা হচ্ছে। বাকি দিনগুলোতে এক্স-রে সেবা বন্ধ থাকায় রোগীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেক রোগী বাধ্য হয়ে বাইরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে এক্স-রে করছে। এর সাথে এই দুই দিন এক্সরে হলেও, রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়েও বিপাকে পড়েছেন রোগীরা।
ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে, ফরিদপুর পৌরসভার পাশেই অবস্থিত ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল। ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে শহরবাসীর চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল। যদিও শহরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে, তবে সেটি প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে হওয়ায় শহরের অনেক মানুষ প্রাথমিকভাবে জেনারেল হাসপাতালেই চিকিৎসা নিতে আসেন।
কিন্তু হাসপাতালে এসে অনেক রোগীকেই পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। এক্স-রে সেবা সীমিত হওয়ায় এর সুযোগ নিচ্ছে কিছু দালালচক্র। তারা অসহায় রোগীদের তাদের পছন্দসই বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে সপ্তাহে মাত্র দুই দিন এক্স-রে সেবা চালু থাকলেও রিপোর্ট না দেওয়ায় বাইরে থেকেই করাতে হচ্ছে অনেকের।
শহরের টেপাখোলা এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয় কর্মকার বলেন “ গত সপ্তাহের রবিবারে রিক্সা থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে যায়, তারপর সদর হাসপাতালে আসি। এসে এক্সরে করাতে দিলে সেদিনও এই হাসপাতাল থেকে করাতে পারিনি। আজও আবার হাতের অবস্থা দেখার জন্য এক্সরে করতে বলেছে কিন্তু আজকেও বাইরে থেকে বাড়তি অর্থ দিয়ে এক্সরে করাতে হলো”
এ বিষয়ে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ড. মাহমুদুল হাসান জানান “বর্তমানে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের রেডিওগ্রাফারের পদটি শুন্য আছে,আমরা আপাতত চরভদ্রসনের রেডিওগ্রাফারকে সপ্তাহে দুইদিন এনে এক্সরে করানো হচ্ছে তবে ডিজি অফিসে অনেক আগেই শূন্য পদের চাহিদা দেয়া হয়েছে”









