Bangladesh ০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়ের নতুন আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন আমাদের পথিকৃৎ সাংবাদিক লিয়াকত হোসেন চীনা বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সুযোগ বাড়াতে ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বিশেষ সমঝোতা অসহায় পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের বাড়ির চাবি হস্তান্তর “মায়ের সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু হলে, সে মৃত্যুই পরম শ্রেয়” বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে ঐতিহাসিক ৪টি সিদ্ধান্ত এলো খাজা বড় চাচাজানের দিশারী বক্তব্য ফেসবুকে এআই দিয়ে তৈরি ছবি ছড়িয়ে মানহানী : থানায় জিডি কনসার্টের উচ্চ শব্দে শিশুদের কষ্টের কথা জেনে ক্ষমা চাইলেন বিএনপি নেতা স্বপন সাংবাদিক আমির খসরু আর নেই শহর ফরিদপুর ও গণিকালয়ের ডেরা: কার কান্না কত ভারী?

ছেলে নিখোঁজ, সুযোগ বুঝে মায়ের কাছে ৩ হাজার টাকা দাবি প্রতারকের!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • / 71

নিখোঁজ মামুন সরদার

২০ বছরের তরুণ সন্তান নিখোঁজ। হন্যে হয়ে তাঁকে খুঁজছেন মা-বাবা। আর অসহায় পরিবারের এই চরম বিপদের সুযোগ নিয়ে জাল ফেঁদেছে প্রতারক! ছেলে ফিরিয়ে দেওয়ার নাম করে মায়ের কাছে দাবি করা হয়েছে ৩ হাজার টাকা। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর মহল্লায়।

জানা গেছে, নিখোঁজ তরুণ মামুন সরদার (২০) মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৬টার দিকে শহরের পূর্ব খাবাসপুর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এ ঘটনায় তার মা ময়না বেগম কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। জিডি নং: ১৩৩০, তারিখ: ১৬/০৬/২০২৬।

মামুন সরদারের বাড়ি সালথা উপজেলার ভাওয়াল গ্রামে। বর্তমানে তারা শহরের পূর্ব খাবাসপুর মহল্লার মোজা মেম্বারের বাড়ির অদূরে (একে আজাদের শ্বশুর বাড়ির মসজিদের পাশে) ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মামুন সরদারের গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যামলা, মাথার চুল কালো ও ছোট এবং উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল একটি চেক লুঙ্গি ও জলপাই রঙের হাফহাতা গেঞ্জি। সে ফরিদপুর জেলার আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে। তার কাছে কোনো মোবাইল ফোন নেই। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

মামুন নিখোঁজ হওয়ার পর, ওইদিন রাত ৮টার দিকে তার মা ময়না বেগমের মোবাইলে একটি অপরিচিত নম্বর (০১৩১৯৪১০৬৪৩) থেকে ফোন আসে। ফোনের ওপাশ থেকে মামুনের সন্ধান দেওয়ার কথা বলে সরাসরি ৩ হাজার টাকা দাবি করা হয়। সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আকুলতায় প্রতারকের চাল বুঝতে পারেননি তার রিকশাচালক বাবা। তিনি তাৎক্ষণিক ১ হাজার টাকা দিতে রাজি হলেও প্রতারক চক্রটি পুরো টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে।

পরবর্তীতে পরিবারটি সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি জানালে সংবাদকর্মীরা বুঝতে পারেন এটি একটি প্রতারক চক্রের কাজ। তারা পরিবারটিকে সচেতন করেন এবং ওই নম্বরে পাল্টা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি ছবিতে থাকা বা বর্ণনার এই তরুণের সন্ধান পেয়ে থাকেন, তবে অবিলম্বে পরিবারের দেওয়া এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে: ০১৭৩২১০৪১২। অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন।

ছেলে নিখোঁজ, সুযোগ বুঝে মায়ের কাছে ৩ হাজার টাকা দাবি প্রতারকের!

আপডেট সময় : ১০:১৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

২০ বছরের তরুণ সন্তান নিখোঁজ। হন্যে হয়ে তাঁকে খুঁজছেন মা-বাবা। আর অসহায় পরিবারের এই চরম বিপদের সুযোগ নিয়ে জাল ফেঁদেছে প্রতারক! ছেলে ফিরিয়ে দেওয়ার নাম করে মায়ের কাছে দাবি করা হয়েছে ৩ হাজার টাকা। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর মহল্লায়।

জানা গেছে, নিখোঁজ তরুণ মামুন সরদার (২০) মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৬টার দিকে শহরের পূর্ব খাবাসপুর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এ ঘটনায় তার মা ময়না বেগম কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। জিডি নং: ১৩৩০, তারিখ: ১৬/০৬/২০২৬।

মামুন সরদারের বাড়ি সালথা উপজেলার ভাওয়াল গ্রামে। বর্তমানে তারা শহরের পূর্ব খাবাসপুর মহল্লার মোজা মেম্বারের বাড়ির অদূরে (একে আজাদের শ্বশুর বাড়ির মসজিদের পাশে) ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মামুন সরদারের গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যামলা, মাথার চুল কালো ও ছোট এবং উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল একটি চেক লুঙ্গি ও জলপাই রঙের হাফহাতা গেঞ্জি। সে ফরিদপুর জেলার আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে। তার কাছে কোনো মোবাইল ফোন নেই। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

মামুন নিখোঁজ হওয়ার পর, ওইদিন রাত ৮টার দিকে তার মা ময়না বেগমের মোবাইলে একটি অপরিচিত নম্বর (০১৩১৯৪১০৬৪৩) থেকে ফোন আসে। ফোনের ওপাশ থেকে মামুনের সন্ধান দেওয়ার কথা বলে সরাসরি ৩ হাজার টাকা দাবি করা হয়। সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আকুলতায় প্রতারকের চাল বুঝতে পারেননি তার রিকশাচালক বাবা। তিনি তাৎক্ষণিক ১ হাজার টাকা দিতে রাজি হলেও প্রতারক চক্রটি পুরো টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে।

পরবর্তীতে পরিবারটি সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি জানালে সংবাদকর্মীরা বুঝতে পারেন এটি একটি প্রতারক চক্রের কাজ। তারা পরিবারটিকে সচেতন করেন এবং ওই নম্বরে পাল্টা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি ছবিতে থাকা বা বর্ণনার এই তরুণের সন্ধান পেয়ে থাকেন, তবে অবিলম্বে পরিবারের দেওয়া এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে: ০১৭৩২১০৪১২। অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন।