১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
একটি আদর্শবান জাতি সারাদেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন মিশন শুরু মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি

একমাসে ৫৯৯ টাকা বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 48

চলতি মাসে দুই দফায় এলপিজি গ্যাসের দাম দুই দফায় ৫৯৯ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দাম অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এলপিজি সিলিন্ডারের ১২ কেজির পূর্বের দাম ছিলো ১ হাজার ৭২৮ টাকা।

১৮ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় এই দাম ৫৯৯ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৬১ টাকা ৬৬ পয়সা।

তবে সাড়ে ১২ কেজির সরকারি দাম ৮২৫ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। সরকারি এলপিজি উৎপাদনের একটি বড় অংশ প্রায় ২৫ পার্সেন্ট প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সামরিক খাতে বরাদ্দ থাকে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এই দামে গ্যাস কিনতে পারেন। তবে তাদের জন্য দাম অপরিবর্তিত থাকলেও জনগণকে বেসরকারি পর্যায়ে এখন উচ্চমূল্যে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

একইদিনে অটোগ্যাস প্রতি লিটার ৭৯ দশমিক ৭৭ টাকা সহ ৩৫, ৪৫ কেজির অন্যান্যগুলোর দামও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং বৈশ্বিক সরবরাহে জটিলতার কারণে দেশে জ্বালানি দ্রব্যের দাম বেড়েছে বলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিইআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নতুন দাম ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

তবে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৯৪০ টাকা হলেও, অনেক স্থানে এর চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
প্রথম আলোর এক খবরে জানানো হয়, গত মাসে এর দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা।

সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। এরপর এলপিজির আমদানি শুল্ক কমানোর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম সমন্বয় করে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।

বিইআরসি বলছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। অভিযোগ আছে, প্রতি সিলিন্ডারে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।

সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে দাম ছিল ৬১ টাকা ৮৩ পয়সা।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

শেয়ার করুন

একমাসে ৫৯৯ টাকা বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম

আপডেট সময় : ০২:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

চলতি মাসে দুই দফায় এলপিজি গ্যাসের দাম দুই দফায় ৫৯৯ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দাম অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এলপিজি সিলিন্ডারের ১২ কেজির পূর্বের দাম ছিলো ১ হাজার ৭২৮ টাকা।

১৮ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় এই দাম ৫৯৯ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৬১ টাকা ৬৬ পয়সা।

তবে সাড়ে ১২ কেজির সরকারি দাম ৮২৫ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। সরকারি এলপিজি উৎপাদনের একটি বড় অংশ প্রায় ২৫ পার্সেন্ট প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সামরিক খাতে বরাদ্দ থাকে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এই দামে গ্যাস কিনতে পারেন। তবে তাদের জন্য দাম অপরিবর্তিত থাকলেও জনগণকে বেসরকারি পর্যায়ে এখন উচ্চমূল্যে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

একইদিনে অটোগ্যাস প্রতি লিটার ৭৯ দশমিক ৭৭ টাকা সহ ৩৫, ৪৫ কেজির অন্যান্যগুলোর দামও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং বৈশ্বিক সরবরাহে জটিলতার কারণে দেশে জ্বালানি দ্রব্যের দাম বেড়েছে বলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিইআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নতুন দাম ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

তবে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৯৪০ টাকা হলেও, অনেক স্থানে এর চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
প্রথম আলোর এক খবরে জানানো হয়, গত মাসে এর দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা।

সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। এরপর এলপিজির আমদানি শুল্ক কমানোর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম সমন্বয় করে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।

বিইআরসি বলছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। অভিযোগ আছে, প্রতি সিলিন্ডারে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।

সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে দাম ছিল ৬১ টাকা ৮৩ পয়সা।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।