আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস
২৬শে মার্চ: পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে উদিত হয়েছিল স্বাধীনতার সূর্য
- আপডেট সময় : ০৩:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
- / 30
আজ ঐতিহাসিক ২৬শে মার্চ। ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। নির্মমতার কালো রাত পেরিয়ে, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ শোষণ আর বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দিয়েছিল।
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে ঢাকার বুকে ঘুমন্ত মানুষের উপরে ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে হামলে পড়েছিল পাকিস্তানি শত্রু বাহিনী। সেই বর্বরোচিত হামলার পাল্টা জবাব দিতেই জেগে উঠেছিলো এদেশের মুক্তিকামী মানুষ। রাজারবাগ পুলিশ লাইনস ও পিলখানায় বাঙালি সদস্যরা গড়ে তোলেন প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। এদিনের পর থেকে বাঙালি জাতি সর্বশক্তি দিয়ে পাল্টা লড়াই শুরু করে এবং স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্য স্থির করে।
৯ মাসের ধারাবাহিক রক্তক্ষয়ী লড়াই, অকাতরে আত্মদান এবং বীরত্বের স্বাক্ষর রেখে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। বিশ্বের মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
দিবসটি উপলক্ষে দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলাদা বাণীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সারাদেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।
এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে পুলিশ লাইন্সে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। একইসাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে।
সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর পদযাত্রা ও গণকবর জেয়ারত করা হবে। জেলা স্টেডিয়ামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে ছাড়াও এদিন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
দিবসটি উপলক্ষে সরকারি নানা কর্মসূচির মধ্যে আরো রয়েছে সুবিধাজনক সময়ে জেলার সকল মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা, শিশু একাডেমিতে শিশুদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা, দেশাত্মবোধক গান ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা। এছাড়া স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।









