০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
ফরিদপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

ফরিদপুরের ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় বরিশালের হাসিব ঢাকায় গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 70

ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় দায়ের করা একটি চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার একমাত্র এজাহারনামীয় আসামি হাসিব চৌধুরী (২১)’কে রাজধানীর লালবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

গত মঙ্গলবার রাতে ডিএমপি ঢাকার লালবাগ থানাধীন পলাশীর মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হাসিব চৌধুরী বরিশাল জেলার হিজলা থানার মোল্লারহাট এলাকার লিটন চৌধুরীর ছেলে।

র‌্যাব ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি হাসিব চৌধুরীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ দুপুরে ভিকটিমকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে যায় হাসিব। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ করা হয় এবং ধর্ষণের ভিডিও ও ছবি হাসিব তার মুঠোফোনে ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে সেই আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভিকটিমের কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে সে।

এই ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেফতারের জন্য র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করলে র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

অবশেষে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে লালবাগের পলাশীর মোড় থেকে হাসিবকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১০ এর লালবাগ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল। গ্রেফতারের সময় আসামির কাছ থেকে ২টি স্মার্টফোন, ২টি আইডি কার্ড, বিভিন্ন ব্যাংকের ৪টি এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হাসিব অপরাধের কথা স্বীকার করেছে এবং জানায় যে সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ফরিদপুরের ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় বরিশালের হাসিব ঢাকায় গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় দায়ের করা একটি চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার একমাত্র এজাহারনামীয় আসামি হাসিব চৌধুরী (২১)’কে রাজধানীর লালবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

গত মঙ্গলবার রাতে ডিএমপি ঢাকার লালবাগ থানাধীন পলাশীর মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হাসিব চৌধুরী বরিশাল জেলার হিজলা থানার মোল্লারহাট এলাকার লিটন চৌধুরীর ছেলে।

র‌্যাব ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি হাসিব চৌধুরীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ দুপুরে ভিকটিমকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে যায় হাসিব। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ করা হয় এবং ধর্ষণের ভিডিও ও ছবি হাসিব তার মুঠোফোনে ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে সেই আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভিকটিমের কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে সে।

এই ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেফতারের জন্য র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করলে র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

অবশেষে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে লালবাগের পলাশীর মোড় থেকে হাসিবকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১০ এর লালবাগ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল। গ্রেফতারের সময় আসামির কাছ থেকে ২টি স্মার্টফোন, ২টি আইডি কার্ড, বিভিন্ন ব্যাংকের ৪টি এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হাসিব অপরাধের কথা স্বীকার করেছে এবং জানায় যে সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।