০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হলেন ডা. নাদিম ছিলেন না নায়াব ইউসুফ, মিটিং কাভার করতে পারলেন না সাংবাদিকেরা “হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি” একসাথে ৩ মেলার সমালোচনা : জবাবে যা বললেন নারী উদ্যোক্তা লুবাবা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই নেতারা এখন কে কোথায় নদীর নাম মালঞ্চ পেয়েছে সরকারি স্বীকৃতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘ডিজিটাল ইভটিজিং’ ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোলপাড় আমার মুর্শিদ হযরত মাওলানা শাহসুফী ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ভাঙ্গায় পিকআপ-পরিবহন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করছে তেলবাহী তিনটি সুপার ট্যাংকার
দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে ডুবে গেলো যাত্রীসহ বাস

মধ্যরাতে হামজা টেনে তুললো ডুবে যাওয়া বাস : মিললো ১৩ মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / 46

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরী থেকে পড়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাসটি মধ্যরাতে টেনে তোলা হয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে বাসটি টেনে তোলা হয়।

বুধবার দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত বাসটি থেকে ১৩টি লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পুরুষ চারজন, নারী ছয়জন ও শিশু তিনজন (ছেলে-২, মেয়ে-১)।

এর অগে, বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এ বাসে যাত্রী ছিল ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো। এর মধ্যে কয়েকজন সাঁতরে উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন।

দৌলতদিয়া ঘাট সূত্র জানায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসটি দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরি ঘাটের পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসটি যেখানে পড়েছে সেখানে অত্যন্ত গভীর।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের কাছে থাকা উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তবে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টির কারণে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।  বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করতে বেশ বেগ পেতে হয় উদ্ধারকারী ফেরি হামজার।

বুধবার দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত বাসটি থেকে ১৩টি লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পুরুষ চারজন, নারী ছয়জন ও শিশু তিনজন (ছেলে-২, মেয়ে-১)।

এর অগে, বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এ বাসে যাত্রী ছিল ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো। এর মধ্যে কয়েকজন সাঁতরে উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন।

এদিকে, লাশের অপেক্ষায় পদ্মাপাড়ে ভিড় করেছেন স্বজনরা। তাদের কান্নায়-আহাজারিতে ভারী হয়ে এসেছে পদ্মাপাড়ের আকাশ-বাতাস।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।

৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

এদিকে, এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মে কে আহ্বায়ক ও গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাসকে সদস্য সচিব করে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উপসহকারী পরিচালক।

তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন

দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে ডুবে গেলো যাত্রীসহ বাস

মধ্যরাতে হামজা টেনে তুললো ডুবে যাওয়া বাস : মিললো ১৩ মরদেহ

আপডেট সময় : ১২:২৭:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরী থেকে পড়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাসটি মধ্যরাতে টেনে তোলা হয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে বাসটি টেনে তোলা হয়।

বুধবার দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত বাসটি থেকে ১৩টি লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পুরুষ চারজন, নারী ছয়জন ও শিশু তিনজন (ছেলে-২, মেয়ে-১)।

এর অগে, বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এ বাসে যাত্রী ছিল ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো। এর মধ্যে কয়েকজন সাঁতরে উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন।

দৌলতদিয়া ঘাট সূত্র জানায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসটি দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরি ঘাটের পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসটি যেখানে পড়েছে সেখানে অত্যন্ত গভীর।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের কাছে থাকা উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তবে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টির কারণে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।  বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করতে বেশ বেগ পেতে হয় উদ্ধারকারী ফেরি হামজার।

বুধবার দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত বাসটি থেকে ১৩টি লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পুরুষ চারজন, নারী ছয়জন ও শিশু তিনজন (ছেলে-২, মেয়ে-১)।

এর অগে, বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এ বাসে যাত্রী ছিল ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো। এর মধ্যে কয়েকজন সাঁতরে উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন।

এদিকে, লাশের অপেক্ষায় পদ্মাপাড়ে ভিড় করেছেন স্বজনরা। তাদের কান্নায়-আহাজারিতে ভারী হয়ে এসেছে পদ্মাপাড়ের আকাশ-বাতাস।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।

৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

এদিকে, এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মে কে আহ্বায়ক ও গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাসকে সদস্য সচিব করে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উপসহকারী পরিচালক।

তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।