ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ঝন্টুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত নারী উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি সামগ্রীতে প্রাণবন্ত হলিডে মার্কেটের ইফতার মাহফিল ফরিদপুরে বিহারি কলোনিতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আহত মা ও ভাই পবিত্র কোরআনের আলোকে ইসলামে যাকাতের গুরুত্ব ও বিধান বোয়ালমারীতে কিশোর শ্রমিক সজীব হত্যা: আসামি রিহাত মাগুরা থেকে গ্রেপ্তার বেইলি ব্রিজ মেরামতে বিলম্ব: ঈদের আগেই চালুর দাবি ফরিদপুরবাসীর ব্যস্ত সড়কে উপড়ে পড়ল গাছ: অল্পতে বাঁচলেন যাত্রী ফরিদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ১৮টি ইজিবাইকসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার ফরিদপুরে ‘কাচ্চি সুলতান’কে ১ লাখ টাকা জরিমানা: কিচেনে মিলল ক্ষতিকর কেমিক্যাল বোয়ালমারীতে পায়ুপথে হাওয়া: কিশোর শ্রমিকের মৃত্যু

‘তপোবন’ থেকে সচিবালয়: কেন ববি হাজ্জাজকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 44

অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সম্পদশালী পরিবারের উত্তরাধিকার, অক্সফোর্ড ফেরত শিক্ষাবিদ থেকে এখন রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক—ববি হাজ্জাজের এই উত্তরণ এখন টক অফ দ্য কান্ট্রি। সদ্য গঠিত বিএনপি সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে বইছে আলোচনার ঝড়। বিশেষ করে ফরিদপুর ও নগরকান্দার মানুষের মধ্যে তাঁকে ‘মাটির সন্তান’ হিসেবে দাবি করার এক অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

সেই সুবাদে ফরিদপুরের গোয়ালচামটের হাজী শরিয়তুল্লাহ বাজারের বিপরীতে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স বাড়ি ‘তপোবন’ এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী প্রিন্স ড. মূসা বিন শমসেরের এই বাড়িটি এক সময় ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। মূসা বিন শমসেরের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই ফরিদপুরেই, আর আদি নিবাস নগরকান্দায়। বাবার সেই রাজকীয় পরিচয় ছাপিয়ে ববি হাজ্জাজ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ হিসেবে। নিজের শেকড় ও মেধার সমন্বয়ে তিনি আজ তরুণ প্রজন্মের আইকন।

বিদেশে দীর্ঘ সময় কাটানো এবং বাবার বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকলেও ববি হাজ্জাজ বেছে নিয়েছেন শিক্ষকতা ও জনসেবার কণ্টকাকীর্ণ পথ। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা এবং টেলিভিশনে বুদ্ধিবাদী টকশোতে সাবলীল উপস্থিতি তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। জাতীয় পার্টির বিশেষ উপদেষ্টা থেকে এনডিএম-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান—তাঁর রাজনৈতিক পথচলা ছিল বৈচিত্র্যময়। তাঁর এই অভিজ্ঞতা ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতাকে কাজে লাগাতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ তাঁর কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “বর্তমান সরকার শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করবে না, বরং শিক্ষা দিয়েই রাষ্ট্র গড়বে। আমাদের লক্ষ্য সার্টিফিকেট নয়, সক্ষমতা অর্জন।”

সংবাদ সম্মেলনে তাঁর ঘোষিত মূল পরিকল্পনাসমূহ তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে, জুন মাসে তড়িঘড়ি করে বাজেট শেষ করার সংস্কৃতি বন্ধ করে ‘ই-জিপি’ ও মাইলস্টোন-ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘ইনোভেশন গ্র্যান্ট’ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্টুডেন্ট লোন’ ও বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বিশেষ সহায়তা। মুখস্থবিদ্যার বদলে আইটেম ব্যাংক ও ব্লুপ্রিন্ট ভিত্তিক সৃজনশীল পরীক্ষা ব্যবস্থা।

ববি হাজ্জাজ দৃঢ় কণ্ঠে জানান, শিক্ষা এখন আর কেবল খরচের খাত নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ তৈরির মূল কারখানা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য- সার্টিফিকেট নয়, সক্ষমতা অর্জন। সেই সক্ষমতা অর্জনেই কাজ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

একনজরে ববি হাজ্জাজ:

ববি হাজ্জাজ একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং উন্নয়ন চিন্তাবিদ। তিনি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে তিনি রাজনীতি ও সমাজসেবায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।

১৯৭০-এর দশকের শুরুতে ঢাকায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ড. মুসা বিন শমসের, একজন প্রখ্যাত বিজনেস ম্যাগনেট এবং বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি শিল্পের পথিকৃৎ। মা কানিজ ফাতেমা চৌধুরী পাবনার বিখ্যাত ধুলাই জমিদার পরিবারের বংশধর। তিনি তিন ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। তার বড় বোন ন্যান্সি বিনতে মুসা এবং ছোট ভাই জুবি বিন মুসা।

অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে ববি হাজ্জাজ বরাবরই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি কৃতিত্বের সাথে ও’ লেভেল এবং এ’ লেভেল সম্পন্ন করেন। আমেরিকার টেক্সাস ইউনিভার্সিটি অ্যাট অস্টিন থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাসে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পরবর্তীতে বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি এমবিএ সম্পন্ন করেন।

২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবসায়িক কৌশল ও উন্নয়ন পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। ২০০৯ সালে দেশে ফিরে তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে প্রভাষক ও গবেষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি পারিবারিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ড্যাটকো গ্রুপ-এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৫ সালে তিনি ‘স্বপ্নের দেশ’ নামক একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন। এটি মূলত নগরায়ন, শিক্ষা এবং যুব উগ্রবাদ প্রতিরোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করা একটি নাগরিক ক্ষমাতাায়ন আন্দোলন। জাতীয় নীতি ও সুশাসন নিয়ে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে কলাম লিখে থাকেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি খেলাধুলায় আগ্রহী। বিশেষ করে মার্শাল আর্টসে (কিউকুশিন কারাতে এবং জিউ-জিতসু) তার বিশেষ দক্ষতা ও স্বীকৃতি রয়েছে।

ববি হাজ্জাজ ব্যক্তিগত জীবনে বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমামের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। তারা দুই কন্যাসন্তান—ইনায়া ইমাম হাজ্জাজ এবং নিয়াসা ইমাম হাজ্জাজ-এর গর্বিত পিতামাতা।

ছবি- সংগৃহীত

 

Tags

‘তপোবন’ থেকে সচিবালয়: কেন ববি হাজ্জাজকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়?

আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সম্পদশালী পরিবারের উত্তরাধিকার, অক্সফোর্ড ফেরত শিক্ষাবিদ থেকে এখন রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক—ববি হাজ্জাজের এই উত্তরণ এখন টক অফ দ্য কান্ট্রি। সদ্য গঠিত বিএনপি সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে বইছে আলোচনার ঝড়। বিশেষ করে ফরিদপুর ও নগরকান্দার মানুষের মধ্যে তাঁকে ‘মাটির সন্তান’ হিসেবে দাবি করার এক অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

সেই সুবাদে ফরিদপুরের গোয়ালচামটের হাজী শরিয়তুল্লাহ বাজারের বিপরীতে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স বাড়ি ‘তপোবন’ এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী প্রিন্স ড. মূসা বিন শমসেরের এই বাড়িটি এক সময় ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। মূসা বিন শমসেরের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই ফরিদপুরেই, আর আদি নিবাস নগরকান্দায়। বাবার সেই রাজকীয় পরিচয় ছাপিয়ে ববি হাজ্জাজ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ হিসেবে। নিজের শেকড় ও মেধার সমন্বয়ে তিনি আজ তরুণ প্রজন্মের আইকন।

বিদেশে দীর্ঘ সময় কাটানো এবং বাবার বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকলেও ববি হাজ্জাজ বেছে নিয়েছেন শিক্ষকতা ও জনসেবার কণ্টকাকীর্ণ পথ। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা এবং টেলিভিশনে বুদ্ধিবাদী টকশোতে সাবলীল উপস্থিতি তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। জাতীয় পার্টির বিশেষ উপদেষ্টা থেকে এনডিএম-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান—তাঁর রাজনৈতিক পথচলা ছিল বৈচিত্র্যময়। তাঁর এই অভিজ্ঞতা ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতাকে কাজে লাগাতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ তাঁর কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “বর্তমান সরকার শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করবে না, বরং শিক্ষা দিয়েই রাষ্ট্র গড়বে। আমাদের লক্ষ্য সার্টিফিকেট নয়, সক্ষমতা অর্জন।”

সংবাদ সম্মেলনে তাঁর ঘোষিত মূল পরিকল্পনাসমূহ তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে, জুন মাসে তড়িঘড়ি করে বাজেট শেষ করার সংস্কৃতি বন্ধ করে ‘ই-জিপি’ ও মাইলস্টোন-ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘ইনোভেশন গ্র্যান্ট’ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্টুডেন্ট লোন’ ও বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বিশেষ সহায়তা। মুখস্থবিদ্যার বদলে আইটেম ব্যাংক ও ব্লুপ্রিন্ট ভিত্তিক সৃজনশীল পরীক্ষা ব্যবস্থা।

ববি হাজ্জাজ দৃঢ় কণ্ঠে জানান, শিক্ষা এখন আর কেবল খরচের খাত নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ তৈরির মূল কারখানা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য- সার্টিফিকেট নয়, সক্ষমতা অর্জন। সেই সক্ষমতা অর্জনেই কাজ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

একনজরে ববি হাজ্জাজ:

ববি হাজ্জাজ একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং উন্নয়ন চিন্তাবিদ। তিনি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে তিনি রাজনীতি ও সমাজসেবায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।

১৯৭০-এর দশকের শুরুতে ঢাকায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ড. মুসা বিন শমসের, একজন প্রখ্যাত বিজনেস ম্যাগনেট এবং বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি শিল্পের পথিকৃৎ। মা কানিজ ফাতেমা চৌধুরী পাবনার বিখ্যাত ধুলাই জমিদার পরিবারের বংশধর। তিনি তিন ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। তার বড় বোন ন্যান্সি বিনতে মুসা এবং ছোট ভাই জুবি বিন মুসা।

অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে ববি হাজ্জাজ বরাবরই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি কৃতিত্বের সাথে ও’ লেভেল এবং এ’ লেভেল সম্পন্ন করেন। আমেরিকার টেক্সাস ইউনিভার্সিটি অ্যাট অস্টিন থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাসে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পরবর্তীতে বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি এমবিএ সম্পন্ন করেন।

২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবসায়িক কৌশল ও উন্নয়ন পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। ২০০৯ সালে দেশে ফিরে তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে প্রভাষক ও গবেষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি পারিবারিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ড্যাটকো গ্রুপ-এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৫ সালে তিনি ‘স্বপ্নের দেশ’ নামক একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন। এটি মূলত নগরায়ন, শিক্ষা এবং যুব উগ্রবাদ প্রতিরোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করা একটি নাগরিক ক্ষমাতাায়ন আন্দোলন। জাতীয় নীতি ও সুশাসন নিয়ে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে কলাম লিখে থাকেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি খেলাধুলায় আগ্রহী। বিশেষ করে মার্শাল আর্টসে (কিউকুশিন কারাতে এবং জিউ-জিতসু) তার বিশেষ দক্ষতা ও স্বীকৃতি রয়েছে।

ববি হাজ্জাজ ব্যক্তিগত জীবনে বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমামের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। তারা দুই কন্যাসন্তান—ইনায়া ইমাম হাজ্জাজ এবং নিয়াসা ইমাম হাজ্জাজ-এর গর্বিত পিতামাতা।

ছবি- সংগৃহীত