০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হলেন ডা. নাদিম ছিলেন না নায়াব ইউসুফ, মিটিং কাভার করতে পারলেন না সাংবাদিকেরা “হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি” একসাথে ৩ মেলার সমালোচনা : জবাবে যা বললেন নারী উদ্যোক্তা লুবাবা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই নেতারা এখন কে কোথায় নদীর নাম মালঞ্চ পেয়েছে সরকারি স্বীকৃতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘ডিজিটাল ইভটিজিং’ ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোলপাড় আমার মুর্শিদ হযরত মাওলানা শাহসুফী ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ভাঙ্গায় পিকআপ-পরিবহন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করছে তেলবাহী তিনটি সুপার ট্যাংকার
"ভয়মুক্ত ও শান্তিময়" বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার

সারাদেশে জয়ীদের দু’জনই ফরিদপুরের: রাজনীতিতে নারী শক্তির উত্থান

আবরাব নাদিম ইতু
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 65

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুরুষ প্রার্থীদের বিশাল দাপটের মধ্যেও নিজেদের যোগ্যতার অনন্য প্রমাণ রেখেছেন নারী প্রার্থীরা। এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী ছিলেন মাত্র ৮৪ জন। এই সীমিত অংশগ্রহণের মধ্যেও শেষ হাসি হাসতে পেরেছেন ৭ জন লড়াকু নারী। চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই সাত বিজয়ী নারীর মধ্যে দু’জনই নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুরের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে।

পিতার উত্তরসূরি থেকে সংসদ সদস্য, শামা ওবায়েদের নতুন অধ্যায়

ফরিদপুর-২ আসনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭২০ ভোট পেয়ে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী মহাসচিব ও কিংবদন্তি ছাত্রনেতা প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা হিসেবে তিনি এবার ভোটের মাঠে সফলতার স্বাক্ষর রাখলেন।

পারিবারিক ঐতিহ্য ও দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ফসল হিসেবে এই বিজয় শামা ওবায়েদের জন্য একটি নতুন মাইলফলক। তাঁর পিতা এই আসন থেকে চারবার এমপি নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন। পিতার মৃত্যুর পর শক্ত হাতে রাজনীতির হাল ধরা শামা ওবায়েদ এখন জাতীয় রাজনীতির এক প্রভাবশালী নেতৃত্বে পরিণত হয়েছেন। ২০২৬ সালের এই জয়ের মাধ্যমে তিনি তাঁর পিতার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং ফরিদপুর-২ আসনের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

পারিবারিক ঐতিহ্য ফিরিয়ে সংসদ সদস্য হলেন নায়াব ইউসুফ

ফরিদপুর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত ফরিদপুর (সদর) আসনে এক বর্ণাঢ্য বিজয়ের মাধ্যমে সংসদীয় রাজনীতিতে অভিষেক ঘটালেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রী তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার প্রমাণ দিয়েছেন এই ব্যালট যুদ্ধে।

চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ফরিদপুরের প্রভাবশালী ইউসুফ পরিবারের যোগ্য উত্তরসূরি। তাঁর পিতা, সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান নেতা প্রয়াত চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এই আসন থেকে পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হয়ে ফরিদপুরের উন্নয়নে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছিলেন। পিতার সেই দীর্ঘদিনের লালিত নির্বাচনী দুর্গে বিজয়ী হয়ে নায়ক ইউসুফ প্রমাণ করেছেন, সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা আজও এই পরিবারের প্রতি অটুট।

ফরিদপুরের বাইরে বিজয়ী অন্য পাঁচ নারী : ফরিদপুরের এই দুই নেত্রী ছাড়াও দেশের আরও পাঁচটি আসনে নারী প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন:

  • মানিকগঞ্জ: আফরোজা খানম রিতা : মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রিতা ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও মুন্নু গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হারুনার রশীদ খান মুন্নুর কন্যা। বাবার উত্তরসূরি হিসেবে তিনি মানিকগঞ্জে বিএনপির দুর্গ রক্ষা করেছেন।
  • ঝালকাঠি: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো : বিএনপি জোটের এই হেভিওয়েট প্রার্থী ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। ২০০১ সালে আমির হোসেন আমুকে হারিয়ে চমক দেখানো ইলেন ভুট্টো দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৬ সালেও তাঁর জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিলেন।
  • সিলেট: তাহসিনা রুশদীর লুনা : বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী লুনা ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি সিলেট বিভাগের সংসদীয় ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত নারী এমপি হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা : এবারের নির্বাচনের অন্যতম বড় চমক রুমিন ফারহানা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে তিনি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষের কাছে তাঁর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দলীয় প্রতীকের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে।
  • নাটোর: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন (পুতুল) : বিএনপির প্রবীণ নেতা প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের কন্যা পুতুল ১ লাখ ১ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাবার আদর্শকে ধারণ করে তিনি নাটোরে বিএনপির রাজনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

নির্বাচিত হওয়ার আগে তারা নির্বাচনী প্রচারণায় সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং স্থানীয় সন্ত্রাস দমনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন, যা রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। বিশ্লেষকদের মতে, শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফসহ এই ৭ নারীর জয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের বিকাশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। পারিবারিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত মেধা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ তাঁদের এই সাফল্যের চাবিকাঠি।

ট্যাগ

শেয়ার করুন

"ভয়মুক্ত ও শান্তিময়" বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার

সারাদেশে জয়ীদের দু’জনই ফরিদপুরের: রাজনীতিতে নারী শক্তির উত্থান

আপডেট সময় : ১১:০২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুরুষ প্রার্থীদের বিশাল দাপটের মধ্যেও নিজেদের যোগ্যতার অনন্য প্রমাণ রেখেছেন নারী প্রার্থীরা। এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী ছিলেন মাত্র ৮৪ জন। এই সীমিত অংশগ্রহণের মধ্যেও শেষ হাসি হাসতে পেরেছেন ৭ জন লড়াকু নারী। চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই সাত বিজয়ী নারীর মধ্যে দু’জনই নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুরের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে।

পিতার উত্তরসূরি থেকে সংসদ সদস্য, শামা ওবায়েদের নতুন অধ্যায়

ফরিদপুর-২ আসনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭২০ ভোট পেয়ে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী মহাসচিব ও কিংবদন্তি ছাত্রনেতা প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা হিসেবে তিনি এবার ভোটের মাঠে সফলতার স্বাক্ষর রাখলেন।

পারিবারিক ঐতিহ্য ও দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ফসল হিসেবে এই বিজয় শামা ওবায়েদের জন্য একটি নতুন মাইলফলক। তাঁর পিতা এই আসন থেকে চারবার এমপি নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন। পিতার মৃত্যুর পর শক্ত হাতে রাজনীতির হাল ধরা শামা ওবায়েদ এখন জাতীয় রাজনীতির এক প্রভাবশালী নেতৃত্বে পরিণত হয়েছেন। ২০২৬ সালের এই জয়ের মাধ্যমে তিনি তাঁর পিতার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং ফরিদপুর-২ আসনের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

পারিবারিক ঐতিহ্য ফিরিয়ে সংসদ সদস্য হলেন নায়াব ইউসুফ

ফরিদপুর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত ফরিদপুর (সদর) আসনে এক বর্ণাঢ্য বিজয়ের মাধ্যমে সংসদীয় রাজনীতিতে অভিষেক ঘটালেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রী তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার প্রমাণ দিয়েছেন এই ব্যালট যুদ্ধে।

চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ফরিদপুরের প্রভাবশালী ইউসুফ পরিবারের যোগ্য উত্তরসূরি। তাঁর পিতা, সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান নেতা প্রয়াত চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এই আসন থেকে পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হয়ে ফরিদপুরের উন্নয়নে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছিলেন। পিতার সেই দীর্ঘদিনের লালিত নির্বাচনী দুর্গে বিজয়ী হয়ে নায়ক ইউসুফ প্রমাণ করেছেন, সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা আজও এই পরিবারের প্রতি অটুট।

ফরিদপুরের বাইরে বিজয়ী অন্য পাঁচ নারী : ফরিদপুরের এই দুই নেত্রী ছাড়াও দেশের আরও পাঁচটি আসনে নারী প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন:

  • মানিকগঞ্জ: আফরোজা খানম রিতা : মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রিতা ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও মুন্নু গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হারুনার রশীদ খান মুন্নুর কন্যা। বাবার উত্তরসূরি হিসেবে তিনি মানিকগঞ্জে বিএনপির দুর্গ রক্ষা করেছেন।
  • ঝালকাঠি: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো : বিএনপি জোটের এই হেভিওয়েট প্রার্থী ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। ২০০১ সালে আমির হোসেন আমুকে হারিয়ে চমক দেখানো ইলেন ভুট্টো দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৬ সালেও তাঁর জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিলেন।
  • সিলেট: তাহসিনা রুশদীর লুনা : বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী লুনা ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি সিলেট বিভাগের সংসদীয় ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত নারী এমপি হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা : এবারের নির্বাচনের অন্যতম বড় চমক রুমিন ফারহানা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে তিনি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষের কাছে তাঁর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দলীয় প্রতীকের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে।
  • নাটোর: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন (পুতুল) : বিএনপির প্রবীণ নেতা প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের কন্যা পুতুল ১ লাখ ১ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাবার আদর্শকে ধারণ করে তিনি নাটোরে বিএনপির রাজনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

নির্বাচিত হওয়ার আগে তারা নির্বাচনী প্রচারণায় সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং স্থানীয় সন্ত্রাস দমনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন, যা রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। বিশ্লেষকদের মতে, শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফসহ এই ৭ নারীর জয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের বিকাশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। পারিবারিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত মেধা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ তাঁদের এই সাফল্যের চাবিকাঠি।