০৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হলেন ডা. নাদিম ছিলেন না নায়াব ইউসুফ, মিটিং কাভার করতে পারলেন না সাংবাদিকেরা “হাজী শরিয়তুল্লাহদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৭ পাওয়ার কারণেই আমরা ৭১ পেয়েছি” একসাথে ৩ মেলার সমালোচনা : জবাবে যা বললেন নারী উদ্যোক্তা লুবাবা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই নেতারা এখন কে কোথায় নদীর নাম মালঞ্চ পেয়েছে সরকারি স্বীকৃতি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘ডিজিটাল ইভটিজিং’ ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোলপাড় আমার মুর্শিদ হযরত মাওলানা শাহসুফী ফরিদপুরী (কুঃ ছেঃ আঃ) ভাঙ্গায় পিকআপ-পরিবহন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করছে তেলবাহী তিনটি সুপার ট্যাংকার

ভাঁটফুল

ভাঁটফুল
ছবি- অগ্নিপ্রহর

বৈজ্ঞানিক নাম: Clerodendrum infortunatum.
বাংলাদেশের গ্রামবাংলার এক অতি পরিচিত বুনো ফুল।
এই ফুল এবং এর গাছ মূলত ভেষজ গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এটি একটি গুল্মজাতীয় বহুবর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ। গাছটি সাধারণত ২ থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।
এর পাতা অনেকটা পানপাতার মতো ডিম্বাকৃতি এবং স্পর্শে খসখসে হয়।
ফুলগুলো সাদা রঙের হয় এবং এর মাঝখানে হালকা বেগুনি রঙের আভা থাকে। প্রতিটি ফুলে পাঁচটি করে পাপড়ি থাকে।
বসন্তকালে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) এই ফুল সবচেয়ে বেশি ফোটে এবং রাতে এর মিষ্টি সুবাস ছড়িয়ে পড়ে।

ভাঁটফুলের পাতা, ফুল এবং শিকড় বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখে:
চর্মরোগ: ভাঁট পাতার রস নিয়মিত মাখলে চুলকানি এবং বিভিন্ন চর্মরোগ দ্রুত সেরে যায়।
কৃমি নাশক: পেটের কৃমি দূর করতে এই গাছের পাতার তিতা রস অত্যন্ত কার্যকর।
জ্বর ও বিষব্যথা: শিশুদের জ্বর এবং শরীর ব্যথা কমাতে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়। এছাড়া বিছার হুল বা বিষাক্ত পোকামাকড়ের কামড়ে এর রস আরাম দেয়।
অন্যান্য: এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড ক্যানসার দমনে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়।
এটি কোনো যত্ন ছাড়াই সাধারণত রাস্তার ধারে, ঝোপঝাড়ে বা পরিত্যক্ত ভিটায় অযত্নে বেড়ে ওঠে। তবে বর্তমানে বনজঙ্গল কমে যাওয়ার কারণে এই উপকারী বুনো গাছটি প্রকৃতি থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

ভাঁটফুল
ছবি- অগ্নিপ্রহর