০৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ ::
মুম্বাই বিমানবন্দরে ১২ কোটি রুপির মাদকসহ সাবেক ‘মিসেস কেরালা’ প্রতিযোগী গ্রেপ্তার সকলকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহের কেন্দ্রে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন বিশ্বকাপে প্রথম খেলায় চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে কোরিয়ার জয় প্রতারক সন্দেহে খাসি ব্যবসায়ীকে বাড়িতে ডেকে মহিলাদের নির্যাতন, টাকা লুটের অভিযোগ লাল কার্ডের রেকর্ডেও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের ধারায় মেক্সিকো দাঙ্গা আর মামলার ঝক্কি এড়িয়ে শান্তি ফিরবে কি অশান্ত সালথায়? নীরব ঘাতক ‘ফ্যাটি লিভার’: সচেতনতাই সুস্থ লিভারের চাবিকাঠি স্কুলের সামনে বিটুমিন পোড়ানোর ধোঁয়ায় অসুস্থ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে শিকারি সাংবাদিকতার তদন্ত দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন স্মারকলিপি

ভাঁটফুল

বৈজ্ঞানিক নাম: Clerodendrum infortunatum.
বাংলাদেশের গ্রামবাংলার এক অতি পরিচিত বুনো ফুল।
এই ফুল এবং এর গাছ মূলত ভেষজ গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এটি একটি গুল্মজাতীয় বহুবর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ। গাছটি সাধারণত ২ থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।
এর পাতা অনেকটা পানপাতার মতো ডিম্বাকৃতি এবং স্পর্শে খসখসে হয়।
ফুলগুলো সাদা রঙের হয় এবং এর মাঝখানে হালকা বেগুনি রঙের আভা থাকে। প্রতিটি ফুলে পাঁচটি করে পাপড়ি থাকে।
বসন্তকালে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) এই ফুল সবচেয়ে বেশি ফোটে এবং রাতে এর মিষ্টি সুবাস ছড়িয়ে পড়ে।

ভাঁটফুলের পাতা, ফুল এবং শিকড় বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখে:
চর্মরোগ: ভাঁট পাতার রস নিয়মিত মাখলে চুলকানি এবং বিভিন্ন চর্মরোগ দ্রুত সেরে যায়।
কৃমি নাশক: পেটের কৃমি দূর করতে এই গাছের পাতার তিতা রস অত্যন্ত কার্যকর।
জ্বর ও বিষব্যথা: শিশুদের জ্বর এবং শরীর ব্যথা কমাতে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়। এছাড়া বিছার হুল বা বিষাক্ত পোকামাকড়ের কামড়ে এর রস আরাম দেয়।
অন্যান্য: এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড ক্যানসার দমনে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়।
এটি কোনো যত্ন ছাড়াই সাধারণত রাস্তার ধারে, ঝোপঝাড়ে বা পরিত্যক্ত ভিটায় অযত্নে বেড়ে ওঠে। তবে বর্তমানে বনজঙ্গল কমে যাওয়ার কারণে এই উপকারী বুনো গাছটি প্রকৃতি থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

ভাঁটফুল
ছবি- অগ্নিপ্রহর