ইতিহাসের পাতায় চব্বিশের জুলাই একটি জাতির পুনর্জন্মের মহাকাব্য।দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ, বৈষম্য আর রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে একটি স্বাধীনচেতা জাতির আত্মমর্যাদা ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ের ‘বিজয় সনদ’। যেই লড়াইয়ের সামনে থেকে ইতিহাসকে নতুন করে লিখে দিয়েছে এদেশের অদম্য তরুণ সমাজ।
একটি রাষ্ট্র যখন সাম্য, মানবিক মর্যাদা আর সামাজিক সুবিচার থেকে বিচ্যুত হয়, তখন সেখানে গণবিস্ফোরণ অনিবার্য হয়ে ওঠে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া একটি প্রজন্ম যখন দেখল তাদের মেধা ও যোগ্যতার অবমূল্যায়ন হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সংকুচিত হচ্ছে, তখনই রাজপথ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে ‘বৈষম্যবিরোধী’ স্লোগানে।
দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিস্ট মাফিয়াতন্ত্রের কাঠামোর বিরুদ্ধে আন্দোলনের ধারাবাহিকতা একটি গণ-অভ্যুত্থানের ক্ষেত্র তৈরি করেছিল, ছাত্রজনতা সেখান থেকেই এই চূড়ান্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলে। আবু সাঈদ থেকে শুরু করে মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, জান শরীফ মিঠু প্রতিটি নাম আজ তাই সাহসের একেকটি সমার্থক রূপ। তাদের এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করে প্রমাণ করেছে, এই দেশ গড়ার প্রকৃত কারিগর এদেশের তরুণ প্রজন্ম।
নতুন এই বাংলাদেশে তাদের অঙ্গীকার-এখানে মেধার মূল্যায়ন হবে, দুর্নীতির ঠাঁই হবে না এবং প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠস্বর সমান গুরুত্ব পাবে। এটি এমন এক রাষ্ট্র হবে যেখানে গণমাধ্যম হবে সত্যের অতন্দ্র প্রহরী। সেই স্বপ্নের সারথি হতেই কতিপয় তরুণের সাহসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘দৈনিক অগ্নিপ্রহর’। আমরা বিশ্বাস করি, কেবল সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে এই গণমাধ্যম।
নতুন এই বাংলাদেশে তাদের অঙ্গীকার-এখানে মেধার মূল্যায়ন হবে, দুর্নীতির ঠাঁই হবে না এবং প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠস্বর সমান গুরুত্ব পাবে। এটি এমন এক রাষ্ট্র হবে যেখানে গণমাধ্যম হবে সত্যের অতন্দ্র প্রহরী। সেই স্বপ্নের সারথি হতেই কতিপয় তরুণের সাহসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘দৈনিক অগ্নিপ্রহর’। আমরা বিশ্বাস করি, কেবল সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে এই গণমাধ্যম।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন থাকাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। ‘দৈনিক অগ্নিপ্রহর’ হবে সেই কণ্ঠস্বর, যা সত্য বলতে দ্বিধা করবে না এবং নতুন প্রজন্মের সৃজনশীলতাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবে। রক্ত দিয়ে কেনা এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করা এবং একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলা এখন আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।
তারুণ্যের এই শক্তিকে যদি সঠিক দিশা দেওয়া যায়, তবে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের বুকে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। সেই মহৎ যাত্রায় ‘দৈনিক অগ্নিপ্রহর’ হবে জনগণের নিত্যদিনের সঙ্গী-অন্ধকার দূর করে আলোর মশাল জ্বালিয়ে রাখাই যাদের একমাত্র ব্রত। এই কণ্টকাকীর্ণ যাত্রাপথের সারথি হতে সকলকে জানাই সু-স্বাগতম।
